India on reports of weapons in Bangladesh: বাংলাদেশের চট্টগ্রামে ভারতীয় অস্ত্র পৌঁছে গিয়েছে? মুখ খুলল ভারত সরকার
India on reports of weapons in Bangladesh: বাংলাদেশের চট্টগ্রামে ভারতীয় অস্ত্র পৌঁছে গিয়েছে? সেই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলল ভারত সরকার। ভারতীয় অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরিগুলির নীতি নিয়ে মুখ খোলেন ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।
India on reports of weapons in Bangladesh: চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলে কি ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ অস্ত্রশস্ত্র পৌঁছে গিয়েছে? সেই দাবি কার্যত উড়িয়ে দিল ভারত। একটি নির্দিষ্ট প্রশ্নের প্রেক্ষিতে ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, 'এই প্রসঙ্গে আমাদের নজরে কয়েকটি রিপোর্ট এসেছে। এই নির্দিষ্ট বিষয়ে যাচাই না করা কোনও গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কোনওরকম মন্তব্য করা আমার জন্য সমীচীন হবে না। তবে আমি এটা মনে করিয়ে দিতে চাই যে ভারতীয় অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরিগুলো কঠোর নির্দেশিকা এবং অত্যন্ত কড়া জবাবদিহিতার কাঠামোর অধীনে পরিচালিত হয়।

চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চল নিয়ে ‘ভারত-বিরোধী’ হাদির দাবি
আর তিনি সেই মন্তব্য করেছেন এমন একটা সময়, যখন বাংলাদেশের একটি অংশে গুঞ্জন ছড়ানো হচ্ছে যে চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলে ভারতের অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরিতে তৈরি গোলাবারুদ পাওয়া গিয়েছে। ইনকিলাব মঞ্চের যে ওসমান হাদির (ভারত-বিরোধী হিসেবে পরিচিত) মৃত্যু হয়েছে, সেই তিনি মাসছয়েক আগে দাবি করেছিলেন যে পার্বত্য চট্টগ্রামে ভারত থেকে অবৈধ অস্ত্র এসেছে।
ভারত-বিরোধী কথা বললে ইউনুস আমলে বাড়তি প্রচার মিলত
যদিও হাদি এবং বাংলাদেশের একটি অংশের সেই অভিযোগে আমল দিতে চান না বিশেষজ্ঞদের মতে। তাঁদের মতে, মহম্মদ ইউনুসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে ভারত বিরোধিতা করলে বা ভারত-বিরোধী মন্তব্য করলে দ্রুত লাইমলাইটে আসা যেত। অঙ্কটা খুব সহজ ছিল - যত বেশি ভারতের বিরোধিতা করা যাবে, তত বেশি প্রচার পাওয়া যাবে। ফলে উল্টোপাল্টা অভিযোগ করার ক্ষেত্রে কোনও ট্যাক্স ছিল না বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।
চট্টগ্রাম নিয়ে বাংলাদেশের সেনাপ্রধান
তারইমধ্যে বাংলাদেশের ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের 'ক্যাপস্টোন কোর্স ২০২৬/১'-র অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান দাবি করেন, কক্সবাজার বা চট্টগ্রাম অঞ্চলে বিমান বাহিনীর শক্তিশালী অবস্থান থাকলে রোহিঙ্গা সংকট তৈরি হত না। শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ছাড়া কার্যকর বিদেশনীতি বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। যুদ্ধ করার জন্য বাংলাদেশ যুদ্ধের প্রস্তুতি নেয় না। বরং যুদ্ধ এড়ানোর জন্য প্রস্তুতি নেয় বাংলাদেশ।
আরও পড়ুন: TCS Nashik case: অশ্লীল ভাষায় পাসওয়ার্ড সেট! নাসিক TCS-র ‘কর্পোরেট জিহাদ’-র নেপথ্যে ভয়ঙ্কর তথ্য
সেইসঙ্গে বাংলাদেশের সেনাপ্রধান বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তা এখন একটি বড় ইস্যু। স্বাধীনতার ৫৪-৫৫ বছরেও দ্বিতীয় শোধনাগার গড়ে না ওঠায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


