India Border Railways Upgrade Plan: বাংলাদেশ, চিন এবং পাকিস্তান সীমান্ত বরাবর রেলওয়ে ব্যবস্থাকে মজবুত করতে ৪৫,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছে ভারত। সূত্র উদ্ধৃত করে এমনই দাবি করা হল সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, নাম গোপন রাখার শর্তে বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত আধিকারিকরা জানিয়েছেন যে আগামী ১৮ মাস থেকে ২৪ মাসের মধ্যে সেই অর্থ খরচ করে পশ্চিমবঙ্গ, উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন রাজ্য, অসম, পঞ্জাব, রাজস্থান, হিমাচল প্রদেশের মতো রাজ্যের সীমান্তবর্তী এলাকায় নয়া রেললাইন বসানো হবে। তৈরি করা হবে নয়া প্ল্যাটফর্ম। সার্বিকভাবে রেল-যোগাযোগ ব্যবস্থাকে মজবুত করে তোলা হবে বলে সূত্র উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
পুরো ছবিটাই পালটে বাংলাদেশ, চিন, পাকিস্তান সীমান্তের

তবে বিষয়টি নিয়ে ভারতীয় রেল বা ভারত সরকারের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই পরিমাণ টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা নিয়ে রেলের কোনও জবাব মেলেনি। সংশ্লিষ্ট মহল অবশ্য মনে করছে, যদি সত্যি দেড় থেকে দু'বছরের মধ্যে সীমান্তবর্তী এলাকায় রেলওয়ে ব্যবস্থাকে মজবুত করতে ৪৫,০০০ কোটি টাকা ঢালা হয়, তাহলে পুরো ছবিটাই পালটে যাবে।
সাধারণ মানুষের পাশাপাশি লাভ হবে সামরিক বাহিনীর
বিশেষজ্ঞদের মতে, রেললাইন তৈরি করা হলে তা যেমন সাধারণ মানুষের কাজে লাগবে, সেরকমভাবে প্রয়োজন হলে সহজেই এক জায়গা থেকে অন্যত্র যেতে পারবে সামরিক বাহিনী। সীমান্তে মোতায়েন থাকা জওয়ানদের কাছে দ্রুত পৌঁছে দেওয়া যাবে রেশন, খাবার-দাবার, অস্ত্রশস্ত্র-সহ যাবতীয় প্রয়োজনীয় সামগ্রী - সেটা হিমালয়ের দুর্গম এলাকা হোক বা শিলিগুড়ি করিডর (চিকেনস নেক) হোক। পাশাপাশি সীমান্তবর্তী এলাকায় অর্থনৈতিক বিকাশও হবে। পর্যটন ক্ষেত্রেও নবজোয়ার আসবে বলে মত সংশ্লিষ্ট মহলের।
সীমান্তে পরিকাঠামোর উপরে জোর মোদী সরকারের
{{/usCountry}}সীমান্তে পরিকাঠামোর উপরে জোর মোদী সরকারের
{{/usCountry}}এমনিতে সীমান্তবর্তী এলাকায় পরিকাঠামো মজবুত করার উপরে প্রথম থেকেই জোর দিয়েয়েছে নরেন্দ্র মোদী সরকার। বাংলাদেশ, চিন বা পাকিস্তান সীমান্তে বিভিন্ন পরিকাঠামো তৈরি করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, ওই পরিকাঠামো (ভালো রাস্তা, রেললাইন) গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ প্রয়োজনে দ্রুত যাতে সীমান্তে সামরিক বাহিনী পৌঁছাতে পারে, সেই ব্যবস্থা করে রাখতেই হবে বর্তমান পরিস্থিতিতে।