India-Thai Defence Meet: প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতা গভীর করতে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে ভারত-থাইল্যান্ড, জোর ইন্দো-প্যাসিফিকে
ব্যাংককে অনুষ্ঠিত দশম ভারত-থাইল্যান্ড প্রতিরক্ষা সংলাপে দুই দেশ প্রতিরক্ষা উৎপাদন, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে একমত হয়েছে। একই সঙ্গে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও গভীর করতে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসল ভারত ও থাইল্যান্ড। সম্প্রতি ব্যাংককে অনুষ্ঠিত দশম ভারত-থাইল্যান্ড প্রতিরক্ষা সংলাপে দুই দেশ প্রতিরক্ষা উৎপাদন, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে একমত হয়েছে। একই সঙ্গে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, এই বৈঠকে দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সামগ্রিক অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। বৈঠকে ভারতের পক্ষ থেকে অংশ নেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের যুগ্মসচিব সত্যজিৎ মহান্তি এবং থাইল্যান্ডের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন উপ-স্থায়ী প্রতিরক্ষা সচিব অ্যাডমিরাল নাট্টাপল ডিয়েভানিচ।
আলোচনার অন্যতম প্রধান বিষয় ছিল ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি। সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে এই অঞ্চলে শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং সমৃদ্ধি বজায় রাখতে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার প্রয়োজনীয়তার উপর গুরুত্ব দেয় দুই দেশ। পাশাপাশি আঞ্চলিক বিভিন্ন উন্নয়ন নিয়েও মতবিনিময় করা হয়।
প্রতিরক্ষা সংলাপে সামরিক বাহিনীর পারস্পরিক যোগাযোগ, প্রশিক্ষণ বিনিময়, সক্ষমতা বৃদ্ধি কর্মসূচি এবং সামুদ্রিক সহযোগিতার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে সমুদ্র নিরাপত্তা ও যৌথ কার্যক্রমের মাধ্যমে পারস্পরিক সমন্বয় বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত মহাসাগর ও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান কৌশলগত গুরুত্বের কারণে এই সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
এছাড়াও প্রতিরক্ষা শিল্পে যৌথ উদ্যোগের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। দুই দেশ প্রতিরক্ষা উৎপাদন, গবেষণা, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং সক্ষমতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ খুঁজে বের করার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এর ফলে উভয় দেশের প্রতিরক্ষা শিল্প উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। বৈঠকে আসিয়ান (ASEAN) নেতৃত্বাধীন বিভিন্ন আঞ্চলিক ও বহুপাক্ষিক প্রতিরক্ষা কাঠামোর আওতায় সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ও উঠে আসে। দুই দেশই যৌথভাবে নিরাপত্তা সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা জোরদারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০২৫ সালে ভারত ও থাইল্যান্ড তাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আনুষ্ঠানিক কৌশলগত অংশীদারিত্বের মর্যাদা দেয়। সেই ধারাবাহিকতায় এবারের প্রতিরক্ষা সংলাপ দুই দেশের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সহযোগিতা শুধু দুই দেশের নিরাপত্তা নয়, গোটা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রেও ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


