Indian Army Chief on Pak Surrender: পাকের ক্ষতে নুন দিলেন ভারতীয় সেনাপ্রধান! রাজনাথ বললেন ‘যে কোনও আক্রমণ করতে তৈরি’
Indian Army Chief on Pak Surrender: প্রযুক্তির যুগেও ভূখণ্ডই আসল যুদ্ধজয়ের মাপকাঠি বলে জানালেন ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল ধীরাজ শেঠ। আর ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং স্পষ্টভাষায় হুঁশিয়ারি দিলেন পাকিস্তানকে।
Indian Army Chief on Pak Surrender: আধুনিক প্রযুক্তির যুগেও যুদ্ধজয়ের শেষ কথা বলবে ভূখণ্ডই। স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিলেন ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল ধীরাজ শেঠ। অপারেশন সিঁদুরের পরে ইসলামবাদ যখন কোনও প্রমাণ ছাড়াই সোশ্যাল মিডিয়ায় মিথ্যে দাবি করে বেড়িয়েছে এবং AI দিয়ে ভিডিয়ো বানিয়ে পাকিস্তানের লোকজনকে বোকা বানানোর চেষ্টা করেছে, সেই আবহে রবিবার সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির ডিফেন্স সামিটে তিনি জানান, বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ নিয়ে নানা বিভ্রান্তিকর এবং খবর ছড়িয়ে পড়তে দেখা যায়। তথ্যযুদ্ধের মাধ্যমে প্রায়শই আসল ছবিটা আড়াল করা হয়। কিন্তু দিনের শেষে জয়ের একমাত্র মাপকাঠি হল ভূখণ্ড। যতই যাই হয়ে যাক না কেন, সেটার চিরন্তন সত্য থাকবে বলে জানিয়েছেন ভারতের সেনাপ্রধান।

পাকিস্তানের ক্ষতে নুনের ছিটে
সেই রেশ ধরে ভারতীয় সেনাপ্রধান ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরের সেই ঐতিহাসিক ছবির কথাও উল্লেখ করেন। বাংলাদেশ যুদ্ধের শেষে ভারতের সামনে পাকিস্তানি সৈন্যবাহিনীর আত্মসমর্পণের ছবিটা বিশ্বের ইতিহাসে অমর হয়ে আছে। সেদিন ভারতের কাছে একসঙ্গে ৯৩,০০০ জন পাকিস্তানি সৈন্য আত্মসমর্পণ করেছিল। জন্ম হয়েছিল স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশের।
ওই ছবির প্রসঙ্গ কেন তুললেন? ব্যাখ্যা ভারতীয় সেনাপ্রধানের
আর সেই ছবির কথা কেন উত্থাপন করছেন, তা উল্লেখ করে ভারতীয় সেনাপ্রধান বলেন, ‘আমি আজ এই ছবির প্রসঙ্গ উত্থাপন করছি, কারণ সেটি আমাদের জন্য একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মুহূর্ত ছিল। ঠিক সেই মুহূর্তেই যুদ্ধের অবসান ঘটেছিল। সংঘাত বা শত্রুতার সমাপ্তি নির্দেশ করে, এমন কোনও সুনির্দিষ্ট মুহূর্ত নেই।’
পাকিস্তানকে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি রাজনাথের
তারইমধ্যে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং পাকিস্তানকে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন যে ভারত এমনিতে কিছু করবে না। কিন্তু ভারতকে আঘাত করার চেষ্টা করলে সেটার ফল মারাত্মক হবে।
তাঁর কথায়, ‘ভারত শান্তিতে বিশ্বাস করে এবং যুদ্ধ চায় না। ভারত অন্যের জমি দখল করে নিতে চায় না। কাউকে ভয় দেখাতে চায় না। কিন্তু নীরবতা এবং দুর্বলতার মধ্যে একটা পার্থক্য আছে। ভারত শান্তি চায়। কিন্তু সুরক্ষার প্রশ্নে কোনওরকম আপস কবে না ভারত। যতদিন আমাদের প্রতিবেশী দেশ সন্ত্রাসবাদ ছড়াবে, আমরা ততদিন জঙ্গিদের উপরে যে কোনও আক্রমণের জন্য তৈরি থাকব। এটা আমরা ওদের এবং বিশ্বকে বলে দিতে চাই।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


