...
...
Next Story

AK-203 Sher Rifle Production in India: 'শের' চালাবে ভারতীয় সেনা! খতম হবে পরপর জঙ্গি, সাফল্য মিলল পরীক্ষার সময়

AK-203 Sher Rifle Production in India: 'শের' চালাবে ভারতীয় সেনা! কে-২০৩ রাইফেল আমদানি না করে তা দেশীয়ভাবে উৎপাদনের লক্ষ্যে ভারত ২০১৯ সালে রাশিয়ার সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে। পরবর্তীতে এই রাইফেল উৎপাদনের জন্য আইআরআরপিএল (IRRPL) প্রতিষ্ঠা করা হয়।

Published on: Aug 23, 2026, 23:59:19 IST
Advertisement

AK-203 Sher Rifle Production in India: প্রতিরক্ষা খাতে ‘আত্মনির্ভর ভারত’ হওয়ার পথে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করল ভারত। উত্তরপ্রদেশের আমেঠিতে ১০০ শতাংশ দেশীয় উপাদান ও কাঁচামাল দিয়ে তৈরি একে-২০৩ (AK-203) অ্যাসল্ট রাইফেল সাফল্যের সঙ্গে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। সম্পূর্ণ ভারতীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই রাইফেলের ডাকনাম দেওয়া হয়েছে ‘শের’। সেটি তৈরি করেছে ইন্দো-রাশিয়ান রাইফেলস প্রাইভেট লিমিটেড (IRRPL)। ২০১৯ সাল থেকে ভারতে একে-২০৩ রাইফেল তৈরির কাজ করছে ওই সংস্থা। আর এবার সম্পূর্ণ ভারতীয় সরঞ্জাম নিয়ে তৈরি একে-২০৩ রাইফেলের সাফল্যের সঙ্গে টেস্ট ফায়ারিং সম্পন্ন করা হয়েছে। অটোমেটিক ফায়ারিং এবং বার্স্ট ফায়ারিংয়েও মিলেছে সাফল্য। অর্থাৎ সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ওই রাইফেল দিয়েই ভারতীয় সেনা অপারেশন চালাবে।

ভারতের আত্মনির্ভর হয়ে ওঠার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

একে-২০৩ রাইফেলের সাফল্য মিলল। (ছবি সৌজন্যে এক্স)
একে-২০৩ রাইফেলের সাফল্য মিলল। (ছবি সৌজন্যে এক্স)

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনে ভারতের আত্মনির্ভর হয়ে ওঠার ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। তীব্র ঠান্ডায় রাইফেল জ্যাম হয়ে যাওয়া এবং ম্যাগাজিনে ফাটল ধরার মতো নানা সমস্যার বিষয়ে দীর্ঘদিনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সেনা দীর্ঘদিন ধরেই ‘ইনসাস’ (INSAS) রাইফেল পরিবর্তনের পক্ষে সওয়াল করে আসছে।

আরও পড়ুন: Pakistan money for Jaish HQ Rebuild: জইশের ‘জঙ্গি কারখানা’ পুনর্নিমাণ করতে ২৫ কোটি দিল পাকিস্তান! ধ্বংস করে দেয় ভারত

ধীরে-ধীরে ভারতীয় উপকরণ বাড়ানো হয়েছে একে-২০৩ রাইফেলে

সেই আবহে একে-২০৩ রাইফেল আমদানি না করে তা দেশীয়ভাবে উৎপাদনের লক্ষ্যে ভারত ২০১৯ সালে রাশিয়ার সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে। পরবর্তীতে এই রাইফেল উৎপাদনের জন্য আইআরআরপিএল (IRRPL) প্রতিষ্ঠা করা হয়। ২০২৪ সাল থেকে সেনাবাহিনীতে দেওয়া প্রথম ব্যাচের রাইফেলগুলো আমদানিকৃত 'নক-ডাউন কিট' ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছিল এবং এতে ধীরে-ধীরে ভারতীয় উপকরণের ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে।

তবে এবার যে ‘শের’ তৈরি করা হয়েছে, তার সব উপকরণই ভারতেই তৈরি। আইআরআরপিএলের সিইও এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর মেজর জেনারেল এস কে শর্মা জানিয়েছেন, ভারতে কেবল রাইফেলটি জোড়া লাগানোর পরিবর্তে এর প্রতিটি যন্ত্রাংশ স্থানীয়ভাবে তৈরি করা হয়েছে। এটা বড় কৃতিত্ব। একে-২০৩ রাইফেলের প্রায় ৫০টি প্রধান যন্ত্রাংশ এবং আনুমানিক ১২০টি উৎপাদন প্রক্রিয়া রয়েছে। ধাপে-ধাপে সেই যন্ত্রাংশ

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe