India hits out at UN over CJP Protest: মানবাধিকারের দোহাই দিয়ে রাজনৈতিক চাপ তৈরি না করার পরামর্শ দিল ভারত। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভের আবহে রাষ্ট্রসংঘের কয়েকজন ‘বিশেষজ্ঞ’ যে ‘উদ্বেগ’ প্রকাশ করেন, তার প্রেক্ষিতে ভারতীয় কূটনীতিবিদ তথা ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের ডেপুটি সেক্রেটারি বরখা তামরাকর একেবারে স্পষ্টভাষায় বলেন যে বেছে-বেছে কোনও দেশকে টার্গেট করা বা রাজনৈতিক চাপ তৈরির হাতিয়ার হিসেবে মানবাধিকারকে ব্যবহার করা উচিত নয়।
ভারতের বিরুদ্ধে নেতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরির চেষ্টা, সাফ বার্তা

সেইসঙ্গে ভারতীয় কূটনীতিবিদ সাফ জানান, কোনওরকম তথ্য যাচাই না করেই স্রেফ কোনও অভিযোগের উপর ভিত্তি করে বিশ্বের সর্ববৃহৎ গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে নেতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরির যে চেষ্টা করা হচ্ছে, তার তীব্র বিরোধিতা করা হচ্ছে। বরং ভারতের সংবিধানে যে ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার আছে এবং মানবাধিকার রক্ষার জন্য অন্যান্য যে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান আছে, তাও তুলে ধরেন ভারতীয় কূটনীতিবিদ।
'শান্তিপূর্ণ' আন্দোলনে 'কঠোর পুলিশি পদক্ষেপ', দাবি বিশেষজ্ঞদের
আর তিনি সেই মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রসংঘের ‘বিশেষজ্ঞদের’ একটি বিবৃতির প্রেক্ষিতে। ওই বিশেষজ্ঞরা দাবি করেছেন, নয়াদিল্লি-সহ অন্যান্য ভারতের অন্যান্য প্রান্তে তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্বে গত তিন মাস ধরে যে 'শান্তিপূর্ণ' আন্দোলন চলছে, তার উপরে যেভাবে 'লাগাতার কঠোর পুলিশি পদক্ষেপ' করা হচ্ছে, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন তাঁরা। ‘শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করার অধিকারকে সম্মান করা, রক্ষা করা ও পূরণ করার’ আহ্বান জানান ভারতকে।
ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘(ভারত সরকারের) এই দমন অভিযান একটি বৃহত্তর, উদ্বেগজনক ধারাকে তুলে ধরে। শান্তিপূর্ণ জমায়েতের উপরে অহেতুক বিধিনিষেধ আরোপ, অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ, ইচ্ছামতো আটক, জোরপূর্বক অন্তর্ধান এবং আন্দোলনকারীদের টার্গেট করার মতো বিষয়গুলোর প্রতি আমরা বারবার ভারতীয় সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি।
{{/usCountry}}ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘(ভারত সরকারের) এই দমন অভিযান একটি বৃহত্তর, উদ্বেগজনক ধারাকে তুলে ধরে। শান্তিপূর্ণ জমায়েতের উপরে অহেতুক বিধিনিষেধ আরোপ, অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ, ইচ্ছামতো আটক, জোরপূর্বক অন্তর্ধান এবং আন্দোলনকারীদের টার্গেট করার মতো বিষয়গুলোর প্রতি আমরা বারবার ভারতীয় সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি।
{{/usCountry}}আলাদা করে ককরোচদের নাম করা হয়নি
সেইসঙ্গে ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘শান্তিপূর্ণ জমায়েত হওয়া সত্ত্বেও আইন প্রয়োগকারী এজেন্সিগুলি নিরস্ত্র পড়ুয়াদের উপরে লাঠি চালিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। খবর মিলেছে বলপ্রয়োগেরও। হাজার-হাজার মানুষকে যোগ দিতে বাধা দিয়েছে।’ তবে বিবৃতিতে ককরোচ জনতা পার্টির নাম করা হয়নি। যে দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে বর্তমানে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার-বিরোধী আন্দোলনে সাময়িকভাবে ব্রেক কষেছেন।
তারইমধ্যে রাষ্ট্রসংঘের বিশেষজ্ঞদের কড়া বার্তা দিয়েছে ভারত। সংশ্লিষ্ট মহলের তরফে ওই বিশেষজ্ঞদের নিশানা করে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, যখন ইউরোপে প্রতিবাদ হয়, তখন নমো-নমো করে একটা বিবৃতি দেওয়া হয়। আর ভারতে বিক্ষোভ হলেই উদ্বেগ জাঁকিয়ে বসে তাঁদের মনে। আবার ইউরোপের বিভিন্ন দেশ নিয়ে একটি বিবৃতিতেই কাজ চালিয়ে দেওয়া হয়।