VVS Laxman on Vaibhav Sooryavanshi: ১৫ বছরের বৈভবের পরিণত মানসিকতায় মুগ্ধ কোচ লক্ষ্মণ, দেখালেন উন্নতির জায়গাও
বৈভবের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন ভারতের অন্তর্বর্তীকালীন কোচ ভিভিএস লক্ষ্মণ। তবে প্রশংসার পাশাপাশি তরুণ ক্রিকেটারের উন্নতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিকেও নজর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। লক্ষ্মণের মতে, বৈভবকে আগামী দিনে আরও বড় ক্রিকেটার হয়ে উঠতে হলে সামগ্রিক ফিটনেসের উপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।
VVS Laxman on Vaibhav Sooryavanshi: মাত্র ১৫ বছর বয়সেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজের প্রতিভার ছাপ রেখে চলেছেন বৈভব সূর্যবংশী। জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজে ব্যাট হাতে দুরন্ত পারফরম্যান্সের পর এবার তাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন ভারতের অন্তর্বর্তীকালীন কোচ ভিভিএস লক্ষ্মণ। তবে প্রশংসার পাশাপাশি তরুণ ক্রিকেটারের উন্নতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিকেও নজর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। লক্ষ্মণের মতে, বৈভবকে আগামী দিনে আরও বড় ক্রিকেটার হয়ে উঠতে হলে সামগ্রিক ফিটনেসের উপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।

রবিবার হারারেতে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-২০ ম্যাচে ৪৯ বলে ৮১ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন বৈভব সূর্যবংশী। তাঁর এই ইনিংসের উপর ভর করেই ভারত জিম্বাবোয়েকে হারিয়ে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নেয়। ম্যাচসেরার পাশাপাশি সিরিজসেরার পুরস্কারও ওঠে এই ১৫ বছরের ব্যাটারের হাতে। ম্যাচ শেষে সাংবাদিক বৈঠকে বৈভবের প্রশংসায় ভাসিয়ে দেন ভিভিএস লক্ষ্মণ।
লক্ষ্মণ জানান, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) প্রায় আড়াই বছর আগেই বৈভবের প্রতিভা চিহ্নিত করেছিল। ২০২৪ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের আগেই তাঁকে নজরে আনা হয় এবং ধাপে ধাপে বিভিন্ন বয়সভিত্তিক শিবির ও প্রতিযোগিতায় সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়।
ভারতীয় কোচ বলেন, বিজয়ওয়াড়ায় অনুষ্ঠিত একটি চতুর্দেশীয় সিরিজে ভারত ‘বি’ দলের হয়ে বৈভব অন্যতম সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন। এরপর জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমির (সেন্টার অব এক্সেলেন্স) একাধিক ক্যাম্পে অংশ নেন তিনি। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপেও সর্বাধিক রান সংগ্রাহক ছিলেন বৈভব। তাই ক্রিকেটার হিসেবে নয়, মানুষ হিসেবেও তাঁকে খুব কাছ থেকে চেনে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট।
লক্ষ্মণের কথায়, একজন ক্রিকেটারের মানসিকতা, ব্যক্তিত্ব এবং প্রস্তুতির ধরন সম্পর্কে জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই অনুযায়ী তাঁকে ম্যাচের জন্য প্রস্তুত করা সহজ হয়। বৈভবের ক্ষেত্রেও সেই পদ্ধতিই অনুসরণ করা হয়েছে।
তবে প্রশংসার পাশাপাশি উন্নতির জায়গাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন ভারতের প্রাক্তন এই ব্যাটার। তাঁর মতে, গত ছয় মাসে বৈভবের মানসিক পরিপক্বতা, খেলার প্রতি সচেতনতা এবং কঠিন পরিস্থিতি সামলানোর ক্ষমতা অনেকটাই বেড়েছে। সেই কারণেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে চাপের মধ্যেও তিনি ধারাবাহিকভাবে ভালো পারফরম্যান্স করতে পারছেন।
কিন্তু এখনও একটি ক্ষেত্রে বৈভবকে আরও উন্নতি করতে হবে বলে মনে করেন লক্ষ্মণ। তিনি বলেন, বৈভবের সামগ্রিক ফিটনেস আরও উন্নত করা প্রয়োজন। যদিও তিনি মনে করিয়ে দেন, বৈভবের বয়স এখনও মাত্র ১৫ বছর। ফলে শারীরিকভাবে আরও পরিণত হওয়ার জন্য তাঁর হাতে যথেষ্ট সময় রয়েছে।
লক্ষ্মণের মতে, সবচেয়ে ইতিবাচক বিষয় হল বৈভব নিজেই নিজের খেলার প্রতিটি দিক উন্নত করতে আগ্রহী। তৃতীয় টি-২০ ম্যাচে চোট পেলেও তিনি মাঠ ছাড়তে চাননি। বরং দলের জন্য খেলে যেতে চেয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত দলের ফিজিওর পরামর্শেই তাঁকে মাঠের বাইরে যেতে হয়। এই মানসিকতাকেই ভবিষ্যতের বড় ক্রিকেটারের অন্যতম বৈশিষ্ট্য বলে মনে করছেন লক্ষ্মণ।
ভারতীয় ক্রিকেট মহলের মতে, প্রতিভার সঙ্গে যদি ফিটনেস ও ধারাবাহিক উন্নতির এই মানসিকতা বজায় থাকে, তবে বৈভব সূর্যবংশী আগামী দিনে ভারতের অন্যতম বড় ম্যাচজয়ী ক্রিকেটার হয়ে উঠতে পারেন। তাঁর সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স এবং কোচের আস্থা সেই সম্ভাবনাকেই আরও জোরালো করে তুলেছে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


