US on India's Warning Over Sanction Act: যা হল, তাতে ভারতের হুঁশিয়ারি শুনতে হত! দিল্লি কড়া বার্তা দিতে দাবি US অফিসারের
US on India's Warning Over Sanction Act: রাশিয়া এবং ইরান নিষেধাজ্ঞা আইন নিয়ে ভারত কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে। রীতিমতো হুঁশিয়ারি দিয়েছে। তবে মার্কিন আধিকারিক জানিয়েছেন, রাশিয়া ও ইরান নিষেধাজ্ঞা আইনের পরে ভারতের হুঁশিয়ারি শুনতেই হত।
US on India's Warning Over Sanction Act: মার্কিন কংগ্রেসে রাশিয়া এবং ইরান নিষেধাজ্ঞা আইন পাশ হওয়ার পরে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছিল ভারত। নয়াদিল্লি একেবারে কড়া বার্তায় জানিয়েছিল, আমেরিকা যে কাজটা করল, তাতে তেলের আন্তর্জাতিক বাজারের পাশাপাশি ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কেও প্রভাব পড়তে পারে। সেই কড়া হুঁশিয়ারির পরেও ওয়াশিংটনে কোনওরকম ‘তিক্ততা’ তৈরি হয়নি বলে দাবি করেছেন এক শীর্ষ মার্কিন আধিকারিক।

ভারতকে কড়া জবাব দিতেই হত, বলছেন মার্কিন আধিকারিক
তিনি দাবি করেছেন, ‘অবশ্যই, ভারত সরকারকে (নিষেধাজ্ঞা আইনের) প্রত্যুত্তর দিতে হত। (মার্কিন) কংগ্রেস বেশ কঠোর পদক্ষেপ করেছিল। বিশেষত প্রকাশ্যে সেটা করা হয়েছিল। কংগ্রেসের সদস্যরা বিশেষ করে ভারতের সমালোচনা করেছিলেন। তাই ভারতকে অবশ্যই প্রত্যুত্তর দিতে হত। আমরা বুঝি, ওদের অভ্যন্তরীণ জনসমর্থনের বিষয় আছে, যেমনটা আমাদেরও আছে। তাই এরকম কার্যকলাপ নিয়ে আমাদের মধ্যে কোনওরকমের তিক্ততা বা ক্ষোভ নেই।’
১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক চাপাতে পারবে ভারতের উপরে
আর যে আইন নিয়ে এত আলোচনা চলছে, সেটার মূল্য বিষয়বস্তু হল, রাশিয়া বা ইরানের থেকে যে দেশগুলি অপরিশোধিত তেল-সহ জ্বালানি কিবেন, সেগুলির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চাপাতে পারবেন ১০০ শতাংশ শুল্ক। হাতে থাকবে অপরিসীম ক্ষমতা। স্বভাবতই সেই আইনের ফলে ভারতের উপরে শুল্কের খাঁড়া ঝুলছে। কারণ রাশিয়া থেকে প্রচুর পরিমাণে তেল আমদানি করে থাকে ভারত।
ভারতীয় প্রতিক্রিয়ার কড়া ভাষা
অথচ ১৪০ কোটি মানুষের দেশে জ্বালানির প্রয়োজনীয়তা, বিশ্বের বাজারে তেলের দামে ভারসাম্য বজায় রাখা, আমেরিকার আবেদনেই রাশিয়ান তেল কেনার মতো বিষয়গুলি বারবার বোঝানোর পরেও মার্কিন কংগ্রেসের সেই কাজে তুমুল ক্ষোভপ্রকাশ করে ভারত। নয়াদিল্লির তরফে বলা হয়, 'সাম্প্রতিক কয়েক মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। শুধুমাত্র দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নয়, বরং আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের উপরে তার সম্ভাব্য প্রভাবের বিষয়টিও ভারতের তরফে একেবারে স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে।'
ট্রাম্পদের সতর্ক করলেন জেপি মর্গ্যানের সিইও
এমনকী এ বিষয়ে আমেরিকাকে সতর্ক করেছেন বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ আর্থিক প্রতিষ্ঠান জেপি মর্গ্যানের সিইও জেমি ডিমন। নয়াদিল্লিতে একটি বিনিয়োগ সম্মেলনের মধ্যেই ট্রাম্পদের সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেন যে রাশিয়াকে চাপে ফেলতে গিয়ে যেন আমেরিকা ভারত এবং গোটা বিশ্বকে ‘শাস্তি’ না দিয়ে বসে। বরং নয়াদিল্লির সঙ্গে আগে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ওয়াশিংটনের।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


