Lionel Messi goal and assist: মেসির নতুন ম্যাজিক! নতুন স্টেডিয়ামে মায়ামির ঐতিহাসিক প্রথম জয়

Lionel Messi goal and assist: উদ্বোধনী ম্যাচকে কেন্দ্র করে গ্যালারি ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। স্টেডিয়ামের আলো, দর্শকদের গর্জন আর উৎসবমুখর পরিবেশ যেন খেলোয়াড়দের বাড়তি অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছিল।

Published on: May 18, 2026, 08:54:43 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Lionel Messi goal and assist: ইন্টার মায়ামির ফুটবল ইতিহাসে ২০২৬ সালের মে মাসের এই দিনটি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ক্লাবটি যখন তাদের নতুন স্টেডিয়ামে প্রথম অফিশিয়াল ম্যাচ খেলতে নামল, তখন সবার চোখ ছিল একজনের ওপর—লিওনেল মেসি। ভক্তদের হতাশ করেননি আর্জেন্টাইন মহাতারকা। নতুন ঘরের মাঠে প্রথম ম্যাচেই চোখধাঁধানো এক গোল এবং সতীর্থদের দিয়ে গোল করানোর (অ্যাসিস্ট) মাধ্যমে ইন্টার মায়ামিকে এনে দিলেন এক ঐতিহাসিক জয়।

মেসির নতুন ম্যাজিক! নতুন স্টেডিয়ামে মায়ামির ঐতিহাসিক প্রথম জয় (Getty Images via AFP)
মেসির নতুন ম্যাজিক! নতুন স্টেডিয়ামে মায়ামির ঐতিহাসিক প্রথম জয় (Getty Images via AFP)

নতুন দুর্গে ফুটবলের মহোৎসব

মায়ামির এই নতুন ফুটবল স্টেডিয়ামটি আন্তর্জাতিক মানের সব রকম আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত। উদ্বোধনী ম্যাচকে কেন্দ্র করে গ্যালারি ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। স্টেডিয়ামের আলো, দর্শকদের গর্জন আর উৎসবমুখর পরিবেশ যেন খেলোয়াড়দের বাড়তি অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছিল। ম্যাচের শুরু থেকেই মায়ামি আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে কোণঠাসা করে ফেলে।

মেসি-ম্যাজিক: গোল এবং অ্যাসিস্ট

খেলার প্রথমার্ধেই মায়ামিকে লিড এনে দিতে মূল ভূমিকা পালন করেন মেসি। মাঝমাঠ থেকে বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রতিপক্ষের তিন ডিফেন্ডারকে ড্রিবলিংয়ে পরাস্ত করে ডি-বক্সের ঠিক বাইরে থেকে এক মাপা শটে বল জালে জড়ান তিনি। নতুন স্টেডিয়ামে এটিই মেসির প্রথম গোল, যা দেখার পর গ্যালারিতে উপস্থিত হাজার হাজার দর্শক উল্লাসে ফেটে পড়েন।

তবে মেসি কেবল নিজেই গোল করেননি, সতীর্থদের দিয়েও গোল করিয়েছেন। দ্বিতীয়ার্ধে প্রতিপক্ষের ডিফেন্স যখন মেসিকে আটকানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে, ঠিক তখনই তিনি বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দেন। নিখুঁত এক পাস বাড়িয়ে দেন উইঙ্গার বরাবর, যা থেকে মায়ামি তাদের ব্যবধান দ্বিগুণ করে। মেসির এই জাদুকরী অ্যাসিস্টটি ম্যাচের ভাগ্য পুরোপুরি ইন্টার মায়ামির পক্ষে লিখে দেয়।

মেসি কেবল নিজেই গোল করেননি, সতীর্থদের দিয়েও গোল করিয়েছেন (AFP)
মেসি কেবল নিজেই গোল করেননি, সতীর্থদের দিয়েও গোল করিয়েছেন (AFP)

কোচ ও ম্যানেজমেন্টের স্বস্তি

নতুন স্টেডিয়ামের প্রথম ম্যাচেই এমন দাপুটে জয় দলের আত্মবিশ্বাসকে অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে। ম্যাচ শেষে ইন্টার মায়ামির কোচ জানান, "নতুন মাঠে প্রথম ম্যাচ জেতা সবসময়ই স্পেশাল। আর যখন আপনার দলে মেসির মতো একজন খেলোয়াড় থাকে, তখন কঠিন ম্যাচও সহজ হয়ে যায়। ও আমাদের স্টেডিয়ামের উদ্বোধনটা স্মরণীয় করে রাখল।" ক্লাবের মালিকপক্ষও এই জয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে এবং এটিকে ফ্র্যাঞ্চাইজির জন্য এক বড় মাইলফলক হিসেবে বর্ণনা করেছে।

ইন্টার মায়ামির নতুন স্টেডিয়ামটি আগামী দিনের বহু সাফল্যের সাক্ষী হতে চলেছে, যার শুভ সূচনা হলো মেসির হাত ধরে। এই জয় কেবল লিগ টেবিল বা পয়েন্টের লড়াইয়ে মায়ামিকে এগিয়ে দিল না, বরং নতুন এই ভেন্যুকে প্রতিপক্ষের জন্য এক দুর্ভেদ্য দুর্গ হিসেবে গড়ে তোলার বার্তা দিয়ে রাখল।

  • Suman Roy
    ABOUT THE AUTHOR
    Suman Roy

    সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More