Iran warning to US Army: মার্কিন সেনার অপেক্ষায় আছি, এখানে এলে আগুনে পুড়িয়ে খাক করে দেব, হুংকার ইরানের
আমেরিকার সেনাদের জন্য অপেক্ষা করছে ইরান! পার্লামেন্ট স্পিকার মহম্মদ বাকির গালিবফ দিলেন সরাসরি ধ্বংসের হুঁশিয়ারি। মধ্যপ্রাচ্যে কি শুরু হতে চলেছে মহাযুদ্ধ? এমনিতে আপাতত পরিস্থিতি রীতিমতো জটিল হয়ে আছে। তারইমধ্যে হুংকার, পালটা হুংকার চলছে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মেঘ ঘনীভূত। দীর্ঘ এক মাস ধরে চলা টানটান উত্তেজনার মধ্যেই আমেরিকার সেনাকে সরাসরি আক্রমণের হুঁশিয়ারি দিল ইরান। রবিবার ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মহম্মদ বাকির গালিবফ এক বিস্ফোরক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ইরানি সেনাবাহিনী অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে মার্কিন সেনা জওয়ানদের জন্য— যাতে তাদের মাটিতে নামা মাত্রই 'পুড়িয়ে ছাই' করে দেওয়া যায়। ইরানের আইআরএনএ সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি বলেছেন যে 'শত্রুপক্ষ জনসমক্ষে আলোচনা ও সংলাপের বার্তা পাঠালেও গোপনে স্থল হামলার পরিকল্পনা করছে। আমাদের বাহিনী আমেরিকান সৈন্যদের আগমনের অপেক্ষায় আছে, যাতে তাঁদের আগুনে পুড়িয়ে খাক করে দেওয়া যায় এবং তাদের আঞ্চলিক মিত্রদের চিরতরে শাস্তি দেওয়া যায়।'

যুদ্ধের পটভূমি ও বর্তমান পরিস্থিতি
গত কয়েক মাস ধরেই ইজরায়েল-আমেরিকা বনাম ইরান সংঘাত চরম আকার ধারণ করেছে। আমেরিকা ও ইজরায়েল যৌথভাবে ইরানের একাধিক সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে তেহরানও একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে পালটা আঘাত করেছে। তবে রিপোর্ট অনুযায়ী, আমেরিকা এবার কেবল আকাশপথে নয়, বরং ইরানি ভূখণ্ডে স্থল সেনা নামানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই তেহরানের সুর আরও চড়া হয়েছে।
আন্তর্জাতিক প্রভাব ও তেলের বাজারে অস্থিরতা
ইরান ও আমেরিকার এই সরাসরি সংঘাতের আশঙ্কায় বিশ্বজুড়ে তেলের বাজারে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল দিয়ে বিশ্বের একটি বড় অংশের খনিজ তেল পরিবাহিত হয়। যদি খর্গ দ্বীপ বা সংলগ্ন এলাকায় যুদ্ধ শুরু হয়, তবে জ্বালানি তেলের দাম আকাশছোঁয়া হতে পারে, যা ভারতের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনীতিতে বড় প্রভাব ফেলবে।
আরও পড়ুন: 'রাজা চাই না!' যুদ্ধের মাঝে ট্রাম্প-বিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল US-ইউরোপ
পরমাণু কেন্দ্রের নিরাপত্তা ও দুশ্চিন্তা
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আমেরিকা ও ইজরায়েলের মূল লক্ষ্য ইরানের পরমাণু কেন্দ্রগুলো নিষ্ক্রিয় করা। তবে ইরান বারবার দাবি করেছে, তাদের পরমাণু কর্মসূচি কেবল শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে। কিন্তু গালিবফের মতো শীর্ষ নেতাদের আক্রমণাত্মক বয়ান ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, প্রয়োজন পড়লে ইরান যে কোনও চরম পদক্ষেপ নিতে পিছপা হবে না।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


