Israel's Military Base: লক্ষ্য ইরানে হামলা! ইরাকের মরুভূমিতে গোপন ঘাঁটি ইজরায়েলের, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে

Israel's Military Base: ইজরায়েল থেকে ইরানের দূরত্ব ১,৬০০ কিলোমিটারের বেশি হওয়ায়, এই ঘাঁটি দীর্ঘ দূরত্বের বিমান অভিযানে কৌশলগত সুবিধা দিয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়। তবে ইজরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ) এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি।

Updated on: May 10, 2026, 22:15:47 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Israel's Military Base: ইরানের বিরুদ্ধে বিমান অভিযান পরিচালনার সুবিধার্থে ইরাকের মরুভূমিতে ইজরায়েল একটি অতি গোপনীয় সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করেছে বলে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে বিমান হামলার উদ্দেশ্যে ইরাকের মরুভূমিতে ইজরায়েল গোপনে ওই সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করেছে। ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানে সহায়তা করার জন্য যুদ্ধ শুরুর ঠিক আগে এই ঘাঁটি তৈরি করা হয়েছিল। বিষয়টি সম্পর্কে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অবগত থাকলেও ইরাক সরকার কিছুই জানত না।

ইরাকের মরুভূমিতে গোপন ঘাঁটি ইজরায়েলের (সৌজন্যে টুইটার)
ইরাকের মরুভূমিতে গোপন ঘাঁটি ইজরায়েলের (সৌজন্যে টুইটার)

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, এই ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন মরুভূমিতে একজন স্থানীয় মেষপালক মরুভূমিতে অস্বাভাবিক সামরিক তৎপরতা লক্ষ্য করেন। তিনি দেখতে পান, নিচু দিয়ে হেলিকপ্টার উড়ছে এবং নির্জন এলাকায় সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড চলছে। পরে বিষয়টি ইরাকি কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। মার্চের শুরুতে ইরাকের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, ওই এলাকায় তদন্ত করতে সেনা পাঠানো হয়েছে। তদন্তকারী সেনাদের ঘাঁটির কাছাকাছি পৌঁছাতে বাধা দিতে ইজরায়েল বিমান হামলা চালায়। এতে একজন ইরাকি সেনা নিহত এবং আরও দুজন আহত হন। পরে আরও দুটি ইউনিট পাঠানো হলে তারা এমন কিছু প্রমাণ নিয়ে ফিরে আসে, যা ওই এলাকায় সাম্প্রতিক সামরিক উপস্থিতির ইঙ্গিত দেয়। এই ঘাঁটি ইজরাইলি বিশেষ বাহিনী এবং বিমান বাহিনীর রসদ সরবরাহ কেন্দ্র হিসেবে কাজ করত। সেখানে ভূপাতিত ইজরাইলি পাইলটদের উদ্ধারের জন্য অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দলও মোতায়েন ছিল।

ইজরায়েল থেকে ইরানের দূরত্ব ১,৬০০ কিলোমিটারের বেশি হওয়ায়, এই ঘাঁটি দীর্ঘ দূরত্বের বিমান অভিযানে কৌশলগত সুবিধা দিয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়। তবে ইজরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ) এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি। ইরাকের জয়েন্ট অপারেশনস কমান্ডের উপ-প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল কায়েস আল-মুহাম্মাদাভি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘এই বেপরোয়া অভিযান কোনও ধরনের সমন্বয় বা অনুমোদন ছাড়াই চালানো হয়েছে। মনে হচ্ছে, বিমান সহায়তায় স্থলভাগে একটি বিশেষ বাহিনী কাজ করছিল, যা আমাদের ইউনিটগুলোর সক্ষমতার বাইরে ছিল।’ পরে বিষয়টি নিয়ে ইরাক রাষ্ট্রসংঘে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করে এবং হামলার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করে। তবে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে মার্কিন এক কর্মকর্তা দাবি করেন, ওই নির্দিষ্ট হামলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোনও সম্পৃক্ততা ছিল না। বিশ্লেষকদের মতে, জনবসতিহীন ও বিশাল পশ্চিম ইরাকি মরুভূমি গোপন সামরিক তৎপরতার জন্য আদর্শ এলাকা। অতীতে ১৯৯১ ও ২০০৩ সালে সাদ্দাম হোসেন বিরোধী অভিযানের সময়ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একই অঞ্চল ব্যবহার করেছিল।