...
...
Next Story

Kolkata Institute and DRDO Partnership: ভারতীয় জওয়ানদের রক্ষার কাজে সামিল যাদবপুর! DRDO-র সঙ্গে ৫০ কোটি টাকার কাজে যুক্ত

Kolkata Institute and DRDO Partnership: ভারতীয় জওয়ানদের রক্ষার প্রকল্পে যুক্ত হল যাদবপুরও। ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (ডিআরডিও) সঙ্গে যুক্ত হল। ৫০ কোটি টাকার চুক্তি প্রকল্পে যোগ দিল।

Published on: Sep 28, 2026, 23:58:56 IST
Advertisement

Kolkata Institute and DRDO Partnership: একেবারে কাছ থেকে একে-৪৭ দিয়ে গুলি করলেও কিছু হবে না। সামরিক গাড়ির জন্য সেরকমই অ্যাডভান্সড লাইটওয়েট বুলেটপ্রুফ গ্লাস তৈরির প্রকল্পে যাদবপুরের সিএসআইআর - সেন্ট্রাল গ্লাস অ্যান্ড সেরামিক রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (CSIR-CGCRI) সঙ্গে হাত মেলাল ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ডিআরডিও)। গ্লাস-সেরামিক প্রযুক্তির মাধ্যমে এমনভাবে সেই বুলেটপ্রুফ গ্লাস তৈরি করা হবে, যাতে সামরিক গাড়ি আরও বিধ্বংসী হয়ে উঠবে। তাছাড়া আগামিদিনে অন্যান্য ক্ষেত্রেও সেই প্রযুক্তি ব্যবহার করাযাবে।

বিদেশ থেকে আমদানির পরিবর্তে দেশীয়ভাবে তৈরি করা হবে জিনিস

ভারতীয় জওয়ানদের রক্ষার কাজে সামিল যাদবপুর! DRDO-র সঙ্গে ৫০ কোটি টাকার কাজে যুক্ত
ভারতীয় জওয়ানদের রক্ষার কাজে সামিল যাদবপুর! DRDO-র সঙ্গে ৫০ কোটি টাকার কাজে যুক্ত

সূত্রের খবর, ৫০ কোটি টাকার সেই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হল যে এমন প্রযুক্তি তৈরি করা হবে, যার ফলে বিদেশ থেকে আমদানিকৃত স্বচ্ছ বর্মের উপরে নির্ভর করতে হবে না। বরং দেশীয়ভাবে তৈরি জিনিস ব্যবহার করা হবে, যাতে ভার এবং ঘনত্ব কমে যাবে ৫০ শতাংশের মতো। CSIR CGCRI-র স্পেশালিটি গ্লাস ডিভিশনের বিজ্ঞানী আতিয়ার রহমান মোল্লা জানিয়েছেন, তাঁরা যে প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছেন, তার ফলে সামরিক গাড়ির গতি আরও বাড়বে। আরও বেশি সামগ্রী বা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে যেতে পারবে।

আরও পড়ুন: Defence Ministry: পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান নির্মাণ উদ্যোগ থেকে সরে দাঁড়াল হ্যাল! নেপথ্যের কারণ জানালেন প্রতিরক্ষা সচিব

কী কী লাভ হবে সেই নয়া প্রযুক্তির ফলে?

আরও পড়ুন: Tejas vs Chinese J35 Fighter Jet: তেজসই যথেষ্ট চিনা J35 জেটের জন্য! বিশেষ নেটওয়ার্কে জোর ভারতের, এখনও 'না' Su57-কে

প্রাথমিক ধাপের পরীক্ষা হয়েছে, দ্বিতীয় ধাপে আরও কঠোর পরীক্ষা

ইতিমধ্যে চার বছরের সেই প্রকল্পের কাজ চলছে মহারাষ্ট্রের নাভাল মেটেরিয়ালস রিসার্চ ল্যাবরেটরি (NMRL) এবং টার্মিনাল ব্যালিস্টিকস রিসার্চ ল্যাবরেটরি-সহ (TBRL) ডিআরডিওয়ের বিভিন্ন ল্যাবরেটরিতে। প্রাথমিক পর্যায়ে চণ্ডীগড়ের ট্রায়ালে সাফল্যও মিলেছে। পরবর্তী পর্যায়ের ট্রায়ালে মাল্টি-শট টেস্টিং করা হবে। যেখানে অতি অল্প সময়ের ব্যবধানে চালানো হবে একাধিক রাউন্ড গুলি। পরীক্ষা করা হবে সেই গ্লাস-সেরামিক প্রযুক্তিতে তৈরি বর্মের ব্যালিস্টিক ক্ষমতা।

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks