Kolkata Institute and DRDO Partnership: একেবারে কাছ থেকে একে-৪৭ দিয়ে গুলি করলেও কিছু হবে না। সামরিক গাড়ির জন্য সেরকমই অ্যাডভান্সড লাইটওয়েট বুলেটপ্রুফ গ্লাস তৈরির প্রকল্পে যাদবপুরের সিএসআইআর - সেন্ট্রাল গ্লাস অ্যান্ড সেরামিক রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (CSIR-CGCRI) সঙ্গে হাত মেলাল ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ডিআরডিও)। গ্লাস-সেরামিক প্রযুক্তির মাধ্যমে এমনভাবে সেই বুলেটপ্রুফ গ্লাস তৈরি করা হবে, যাতে সামরিক গাড়ি আরও বিধ্বংসী হয়ে উঠবে। তাছাড়া আগামিদিনে অন্যান্য ক্ষেত্রেও সেই প্রযুক্তি ব্যবহার করাযাবে।
বিদেশ থেকে আমদানির পরিবর্তে দেশীয়ভাবে তৈরি করা হবে জিনিস

সূত্রের খবর, ৫০ কোটি টাকার সেই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হল যে এমন প্রযুক্তি তৈরি করা হবে, যার ফলে বিদেশ থেকে আমদানিকৃত স্বচ্ছ বর্মের উপরে নির্ভর করতে হবে না। বরং দেশীয়ভাবে তৈরি জিনিস ব্যবহার করা হবে, যাতে ভার এবং ঘনত্ব কমে যাবে ৫০ শতাংশের মতো। CSIR CGCRI-র স্পেশালিটি গ্লাস ডিভিশনের বিজ্ঞানী আতিয়ার রহমান মোল্লা জানিয়েছেন, তাঁরা যে প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছেন, তার ফলে সামরিক গাড়ির গতি আরও বাড়বে। আরও বেশি সামগ্রী বা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে যেতে পারবে।
কী কী লাভ হবে সেই নয়া প্রযুক্তির ফলে?
তিনি জানিয়েছেন, সামরিক গাড়ির ক্ষেত্রে ভার এবং ঘনত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়। কারণ ভার যত বেশি হয়, তত গতি কমে যায় গাড়ির। জ্বালানি বেশি খরচ হয়। পে-লোড বহনের ক্ষমতাও সংকুচিত হয়ে যায়। তবে শুধু সামরিক গাড়ির ক্ষেত্রে নয়, আগামিদিনে এই প্রযুক্তি বিমান, নৌযান-সহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ব্যবহার করা যেতে পারে। যেখানে ভার একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।
{{/usCountry}}তিনি জানিয়েছেন, সামরিক গাড়ির ক্ষেত্রে ভার এবং ঘনত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়। কারণ ভার যত বেশি হয়, তত গতি কমে যায় গাড়ির। জ্বালানি বেশি খরচ হয়। পে-লোড বহনের ক্ষমতাও সংকুচিত হয়ে যায়। তবে শুধু সামরিক গাড়ির ক্ষেত্রে নয়, আগামিদিনে এই প্রযুক্তি বিমান, নৌযান-সহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ব্যবহার করা যেতে পারে। যেখানে ভার একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।
{{/usCountry}}প্রাথমিক ধাপের পরীক্ষা হয়েছে, দ্বিতীয় ধাপে আরও কঠোর পরীক্ষা
ইতিমধ্যে চার বছরের সেই প্রকল্পের কাজ চলছে মহারাষ্ট্রের নাভাল মেটেরিয়ালস রিসার্চ ল্যাবরেটরি (NMRL) এবং টার্মিনাল ব্যালিস্টিকস রিসার্চ ল্যাবরেটরি-সহ (TBRL) ডিআরডিওয়ের বিভিন্ন ল্যাবরেটরিতে। প্রাথমিক পর্যায়ে চণ্ডীগড়ের ট্রায়ালে সাফল্যও মিলেছে। পরবর্তী পর্যায়ের ট্রায়ালে মাল্টি-শট টেস্টিং করা হবে। যেখানে অতি অল্প সময়ের ব্যবধানে চালানো হবে একাধিক রাউন্ড গুলি। পরীক্ষা করা হবে সেই গ্লাস-সেরামিক প্রযুক্তিতে তৈরি বর্মের ব্যালিস্টিক ক্ষমতা।