'কখনও বলিনি যে আমি অসুস্থ.....', ইস্তফা নিয়ে বিস্ফোরক ধনখড়, প্রশ্ন তোলেন রাহুলও
আচমকা উপ-রাষ্ট্রপতির পদ থেকে ইস্তফা দেওয়া নিয়ে জগদীপ ধনখড়ের নয়া মন্তব্যে শোরগোল পড়ে গেল। বৃহস্পতিবার রাজস্থানের চুরুতে প্রাক্তন উপ-রাষ্ট্রপতি তথা পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল বলেন, ‘প্রথম সুখ হল সুস্থ শরীর।'
আচমকা উপ-রাষ্ট্রপতির পদ থেকে ইস্তফা দেওয়া নিয়ে জগদীপ ধনখড়ের নয়া মন্তব্যে শোরগোল পড়ে গেল। বৃহস্পতিবার রাজস্থানের চুরুতে প্রাক্তন উপ-রাষ্ট্রপতি তথা পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল বলেন, ‘প্রথম সুখ হল সুস্থ শরীর। আমার স্বাস্থ্যের ব্যাপারে কখনও গাফিলতি করিনি আমি। যখন আমি বলেছিলাম যে পদত্যাগ (উপ-রাষ্ট্রপতির পদ থেকে ইস্তফা) করছি, তখনও মোটেও বলিনি যে আমি অসুস্থ। আমি বলেছিলাম যে স্বাস্থ্যকে গুরুত্ব দিচ্ছি এবং আপনাদেরও দেওয়া উচিত।’

ধনখড়ের ইস্তফা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন রাহুল
আর তাঁর সেই মন্তব্যে নতুন করে শোরগোল পড়েছে। কারণ গত বছর জুলাইয়ে কিছুটা আচমকাই উপ-রাষ্ট্রপতির পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন ধনখড়। বিরোধীরা প্রশ্ন তুলছিলেন সেই পদত্যাগ-কাণ্ড নিয়ে। সেইসময় কংগ্রেস সাংসদ তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী দাবি করেছিলেন, ধনখড়ে ইস্তফার পিছনে একটি বড় গল্প রয়েছে। কেউ কেউ হয়তো জানেন, কেউ কেউ জানেন না। কিন্তু পুরো ঘটনার পিছনে একটা বডসড় গল্প আছে।
আরও পড়ুন: আফগান হামলায় ‘মৃত ৫৫ পাক জওয়ান’, এয়ার স্ট্রাইক করে ‘সরাসরি যুদ্ধের’ ঘোষণা আসিফের
সেইসঙ্গে রাহুল দাবি করেছিলেন, ইস্তফা দেওয়ার পরে ধনখড় কেন 'লুকিয়ে' আছেন, তা নিয়েও একটি গল্প রয়েছে। ভারতের উপ-রাষ্ট্রপতি কেন এমন অবস্থায় আছেন যে তিনি একটি শব্দও বলতে পারছেন না? আর তাঁদের লুকিয়ে থাকতে হবে? রাজ্যসভায় যে ব্যক্তি জোরে গর্জন করতেন, তিনি হঠাৎই শান্ত হয়ে গেলেন।
আরও পড়ুন: স্কুলকে যেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যারাক বানানো না হয়, ভোটের আগেই কমিশনকে চিঠি
ধনখড়ের বিরুদ্ধে হামেশাই অভিযোগ তুললেন বিরোধীরা
এমনিতে ধনখড় যখন উপ-রাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার চেয়ারম্যান ছিলেন, তখন তাঁর বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলতেন বিরোধীরা। কংগ্রেসের তরফে অভিযোগ করা হত যে রাজ্যসভার চেয়ারম্যান হিসেবে ধনখড় পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করছেন। সংসদে বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে বলে রাহুল-সহ একাধিক নেতা সরব হয়েছিলেন।
আরও পড়ুন: ছেলের জমানো ১১ লাখ টাকা দিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে বাবার! আদালতে মামলা ঠুকল ১০ বছরের বালক
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


