Bangladesh Jamaat angle in Hadi murder: ওসমান হাদিকে খুনের ছক জামায়াতেরই? বিস্ফোরক দাবি অভিযুক্তের, বললেন ‘ও তো জঙ্গি’
বাংলাদেশের ভারত-বিরোধী নেতা ওসমান হাদিকে জঙ্গি বলে উল্লেখ করলেন তাঁর হত্যাকাণ্ডে ধৃত একজন। শুধু তাই নয়, তিনি দাবি করলেন যে হাদিকে খুনের চাল হতে পারে জামায়াতে ইসলামি এবং বিএনপির। হাদিকে জামায়াতের প্রোডাক্ট বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ওসমান হাদির খুনের ঘটনায় জামায়াতে ইসলামি এবং বিএনপির হাত থাকতে পারে। এমনই বিস্ফোরক দাবি করলেন হাদি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত ফয়জল করিম মাসুদ। শুধু তাই নয়, হাদিকে জামায়াতের ‘প্রোডাক্ট’ এবং ‘জঙ্গি’ বলেও আক্রমণ করেছেন। রবিবার বিধাননগর আদালতে পেশ করার পরে যখন ফয়জলকে জেলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, সেইসময় ফয়জল বলেন, 'আমি এসব কাজের সঙ্গে জড়িত নই। আমি খুন করিনি। এটা জামায়াতে এবং বিএনপির চাল হতে পারে। আপনারা যে হাদি-হাদি করছেন, বাংলাদেশের মানুষ যে হাদি-হাদি করছেন, হাদি তো আসলে একটা জামায়তের প্রোডাক্ট। ও তো একটা জঙ্গি।'

আরও পড়ুন: Global Terrorism Index: সন্ত্রাসবাদ সূচকে শীর্ষে পাকিস্তান, ভারত ও বাংলাদেশ এই তালিকায় কত নম্বরে?
হাদিকে খুন, মৃত্যু, অভিযুক্তদের গ্রেফতার পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের
আর ফয়জল সেই মন্তব্য করেছেন এমন একটা দিনে, যেদিন তাঁকে জেরা করার জন্য আদালতে আবেদন জানিয়েছে ভারতের জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ঢাকায় হাদিকে গুলি করা হয়েছিল। মৃত্যু হয়েছিল ১৮ ডিসেম্বর। তারপর চলতি বছরের ৮ মার্চ বনগাঁও থেকে দুই অভিযুক্ত ফয়জল এবং তাঁর সহযোগী আলমগির হোসেনকে (৩৪) গ্রেফতার করে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)।
NIA-কে জেরা করার অনুমতি দিয়েছে আদালত
তারপর রবিবার ফয়জল এবং আলমগিরকে বিধাননগর আদালতে পেশ করা হয়। ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরে তাঁদের আগামী ২ এপ্রিল পর্যন্ত জেলে পাঠানো হয়েছে। সেইসঙ্গে দমদম সংশোধনাগারে গিয়ে তাঁদের জেরা করার জন্য এনআইকে অনুমতি দিয়েছে আদালত। সেইসঙ্গে তাঁদের বিরুদ্ধে বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইনের ১৬ নম্বর ধারা এবং ১৮ নম্বর ধারা প্রয়োগ করার যে আবেদন জানায় এসটিএফ, তাও মঞ্জুর করেছেন বিচারক।
আরও পড়ুন: ভারত থেকে বছরে কত পরিমাণ ডিজেল আমদানি করে বাংলাদেশ? দিল্লির ওপর কতটা নির্ভরশীল ঢাকা?
আমি গুলি করিনি, দাবি ফয়জলের
আর আদালতের সেই নির্দেশের পরে জেলে নিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ফয়জল দাবি করেন, তিনি হাদিকে খুন করেননি। পালটা সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন যে সিসিটিভি ফুটেজে তো তাঁকেই দেখা যাচ্ছে। তখন হাদির খুনে অন্যতম অভিযুক্ত বলেন, ‘সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়নি যে আমি গুলি করেছি। আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


