Jay Shah on Bangladesh-Pakistan: ‘কোনও দলই…..’, রেকর্ড তুলে বিশ্বকাপে 'নাটক' করা পাক ও বাংলাদেশকে খোঁচা জয় শাহের
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় চূড়ান্ত নাটক করেছিল বাংলাদেশ এবং পাকিস্তান। বিশেষত পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) নাটক ও পালটি তো কোনও বাজে সিনেমার থেকে কম ছিল না। এবার সেই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ।
সরাসরি কিছু বললেন না। কিন্তু টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ যে নাটক করেছিল, সে বিষয়ে মুখ খুললেন আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ। শনিবার মুম্বইয়ে সংবাদমাধ্যম সিএনবিসি টিভি১৮-র ইন্ডিয়া বিজনেস লিডার অ্যাওয়ার্ডের মঞ্চ থেকে আইসিসির চেয়ারম্যান বলেন, 'এই আইসিসি (টি-টোয়েন্টি) বিশ্বকাপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ টুর্নামেন্টের শুরুতে হইচই হচ্ছিল যে কোনও কোনও কোনও নির্দিষ্ট দল অংশগ্রহণ করবে কিনা, বিশ্বকাপ কীভাবে হবে।' সেইসঙ্গে কোনও দলের নাম না করে তিনি বলেন, ‘আইসিসির চেয়ারম্যান হিসেবে আমি এটা বলতে পারি যে কোনও দলই আইসিসির থেকে বড় নয়। কোনও একটি দল নিয়ে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে না। সব দল মিলে গড়ে ওঠে একটি প্রতিষ্ঠান।’
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের বিশ্বকাপ নাটক
আর আইসিসির চেয়ারম্যান কারও না নাম নিলেও তিনি যে কোন কোন দেশের কথা বোঝাতে চেয়েছেন, তা নিয়ে কোনও ধন্দ নেই। কারণ সুরক্ষা সংক্রান্ত আশঙ্কার কারণ দেখিয়ে ভারতে খেলতে চায়নি বাংলাদেশ। আইসিসির তরফে পরিস্থিতি সমাধানের চেষ্টা করা হলেও নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সরে যায় বিশ্বকাপ থেকে। তারপর বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়ে একপ্রস্থ নাটক করতে থাকে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কটের হুঁশিয়ারি দিয়েছিল। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, দু'দেশই নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে এরকম নাটক করেছিল।
দর্শকসংখ্যায় রেকর্ড T20 বিশ্বকাপে
যদিও সেইসব নাটক সত্ত্বেও সাফল্যের সঙ্গে ভারত এবং শ্রীলঙ্কায় যৌথভাবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন করা হয়েছে। খেলার মানও যেমন ভালো ছিল, তেমনই মাঠে আসেন প্রচুর দর্শক। খেলা দেখার ক্ষেত্রেও নয়া রেকর্ড তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইসিসির চেয়ারম্যান।
তিনি বলেন, ‘এই বিশ্বকাপ দর্শক সংখ্যার সমস্ত রেকর্ড ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে। এই প্রথম আমরা ৭২ লাখ কনকারেন্ট দর্শকের মাইলস্টোন ছুঁয়েছি। সামগ্রিক দর্শক সংখ্যার দিক থেকে সমস্ত রেকর্ড ভেঙে গিয়েছে।’ উল্লেখ্য, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে যখন নাম প্রত্যাহার করেছিল বাংলাদেশ, তখন বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছিল যে মুস্তাফিজুর রহমানরা না থাকায় দর্শকের সংখ্যা কমে যাবে। সেই বিষয়টি নিয়ে কোনও উচ্চবাচ্য না করলেও রেকর্ড তুলে ধরে পালটা বার্তা দিয়েছেন শাহ।
অ্যাসোসিয়েট দলের প্রশংসায় জয় শাহ
সেইসঙ্গে অ্যাসোসিয়েট দলগুলির পারফরম্যান্স নিয়েও স্বস্তি প্রকাশ করেছেন আইসিসির চেয়ারম্যান। ওই অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে তিনি বলেন, 'আপনারা যদি দেখেন, ভারতকে চাপে ফেলে দিয়েছিল আমেরিকা। পাকিস্তানকে সমস্যায় ফেলে দিয়েছিল নেদারল্যান্ডস। অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে দিয়েছে জিম্বাবোয়ে। ইংল্যান্ডকে আতঙ্কে ফেলে দিয়েছিল নেপাল। আমি সব অ্যাসোসিয়েট দলকে অভিনন্দন জানাতে চাই। ওরা পূর্ণ সদস্যভুক্ত দেশগুলির বিরুদ্ধে দারুণ খেলেছে।'
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper











