Lucknow Fire Update: যোগীগড়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড! ঝলসে মৃত ১৪ পড়ুয়া, প্রধানমন্ত্রী দিলেন কোন বার্তা?
ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা লখনউয়ের কোচিং সেন্টারে।
উত্তরপ্রদেশের লখনউতে এদিন এক কোচিং সেন্টারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের জেরে অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা প্রত্যেকেই কোচিং সেন্টারের পড়ুয়া বলে জানা গিয়েছে। তথ্য বলছে, ওই জায়গায় অ্যানিমেশন শিখতে আসত পড়ুয়ারা। সেখানেই এই ভয়াবহ কাণ্ড ঘটেছে। কী থেকে আগুন লেগেছে, তা নিয়ে স্পষ্ট তথ্য আসেনি। এরই মাঝে আলিগড়ের সফর কাটছাঁট করে লখনউর দিকে রওনা হয়েছেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর, সংলগ্ন একটি ভবনের ভেতর দিয়ে স্ট্রেচারগুলো ওই কাঠামোটির ভেতরে নিয়ে যাওয়া হয়। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় স্ট্রেচার চলাচলের সুবিধার্থে উদ্ধারকর্মীরা একটি দেয়ালও ভেঙে ফেলেন। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর মোট ২২ জনকে কিং জর্জস মেডিকেল ইউনিভার্সিটিতে (কেজিএমইউ) নিয়ে আসা হয়। তাঁদের মধ্যে অনেককেই মৃত ঘোষণা করা হয় এবং আহত অপর সাতজনের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে। দুর্ঘটনাস্থলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে, তবে উদ্ধারকাজ এখনও চলছে। দুর্গত ভবনের ভেতরে স্ট্রেচার চলাচলের সুবিধার্থে উদ্ধারকর্মীরা দেয়ালে একটি ছিদ্র তৈরি করেন।
ঘটনায় শোক প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন,' উত্তরপ্রদেশের লখনউতে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় আমি গভীরভাবে ব্যথিত। শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি আমার সমবেদনা রইল। আহতরা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন।' প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় ত্রাণ তহবিল (PMNRF) থেকে ক্ষতিপূরণের কথাও ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, ‘নিহত প্রত্যেকের নিকটাত্মীয়কে PMNRF থেকে ২ লক্ষ টাকা করে এককালীন সহায়তা দেওয়া হবে এবং আহতদের ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হবে।’ আদিত্যনাথ বলেন যে, লখনউতে ফিরে তিনি ব্যক্তিগতভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করবেন এবং নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে তাদের প্রতি সমবেদনা জানাবেন। উত্তরপ্রদেশের উপ-মুখ্যমন্ত্রী ব্রজেশ পাঠক জানিয়েছেন যে, ধারণা করা হচ্ছে কয়েকজন শিক্ষার্থী ভবনটির ভেতরে আটকা পড়েছে এবং উদ্ধারকারী দল প্রতিটি কক্ষে তল্লাশি চালাচ্ছে।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


