Modi regarded as Lord Vishnu Avatar: মোদীকে ‘ভগবান বিষ্ণুর অবতার' ভুল করেন কি? ব্যাখ্যা পড়শি দেশের প্রধানমন্ত্রীর
Modi regarded as Lord Vishnu Avatar: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ভগবান 'বিষ্ণুর অবতার' হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। আর সেই কাজটা করে কি ভুল করেছিলেন? তা একেবারে যুক্তি দিয়ে ব্যাখ্যা করলেন পড়শি দেশের প্রধানমন্ত্রী।
Modi regarded as Lord Vishnu Avatar: নরেন্দ্র মোদীকে ভগবান 'বিষ্ণুর অবতার' হিসেবে উল্লেখ করলেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে। প্রশাসক হিসেবে মোদী যেদিন ২৫ বছর পূরণ করলেন, সেদিন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে জারি করা একটি বিজ্ঞপ্তিতে ভুটানের রাষ্ট্রনেতা বলেছেন, ‘(ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী মোদীকে বলেছিলাম যে) আমি ওঁকে বিষ্ণুর অবতার হিসেবে দেখি। (ওঁকে) আমি বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বলেছি যে দীর্ঘদিন ধরেই আমাদের এখানে জ্ঞানদীপ্ত শাসককে বিষ্ণুর ভগবান হিসেবে গণ্য করা হয়।’

‘আমি কি ভুল ছিলাম?’, নিজেকেই প্রশ্ন ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর
আর স্রেফ আবেগে ভেসে গিয়ে বা কোনও একটা বিষয়ে আপ্লুত হয়ে মোদীকে যে ভগবান 'বিষ্ণুর অবতার' হিসেবে উল্লেখ করেননি, তাও ব্যাখ্যা করেছেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, 'আমি যে কথাটা বলেছিলাম, তাতে অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। পরে আমি ভাবতাম যে কেন ওটা বলেছি। আমি কি আবেগে ভেসে গিয়েছিলাম? আমি কি ভুল ছিলাম?'
সেইসঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘আমি যা বলেছিলাম, সেটা যখন পরবর্তীকালে বিশ্লেষণ করে দেখেছিলাম, তখন উত্তরটা আরও স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী মোদীকে বিষ্ণুর অবতার হিসেবে গণ্য করে আমি ঠিক কাজ করেছিলাম।’
আরও পড়ুন: ‘আমরা অগ্নিসন্তান’, শ্রী অরবিন্দ, স্বামী বিবেকানন্দের বাণী উদ্ধৃত করে ২৫ বছরে নয়া ভারতের ডাক মোদীর
মোদীকে কেন বিষ্ণুর অবতার বলে ঠিক করেছেন? ব্যাখ্যা ভুটানের রাষ্ট্রনেতার
কেন ঠিক কাজ করেছিলেন এবং ‘জ্ঞানদীপ্ত শাসক’ হিসেবে মোদীকে ভগবান বিষ্ণুর অবতার বলে অভিহিত বলে উপযুক্ত কাজ করেছিলেন কেন, তা বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করে দিয়েছেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, প্রায় ১৩ বছর ধরে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মোদীকে দেখেছেন। তাঁর আমলে গুজরাট বিনিয়োগ, পরিকাঠামো এবং উন্নয়নের জায়গায় পরিণত হয়। তারপর উৎপাদন, বিনিয়োগ, অর্থনীতি, প্রযুক্তি, পরিকাঠামোর ক্ষেত্রে ভারতকে সেই জায়গা নিয়ে গিয়েছেন; যেটার স্বপ্ন দেখতেন ভারতীয়রা।
মোদীর কঠোর পরিশ্রম থেকে দৃঢ়প্রতিজ্ঞা- কেন আপ্লুত ভুটানের প্রধানমন্ত্রী?
তিনি আরও জানিয়েছেন, মোদী অত্যন্ত নীতিপরায়ণ, চনমনে এবং অবিশ্বাস্য পরিশ্রামী মানুষ। দেশ এবং দেশবাসীর জন্য নিজেকে উৎসর্গ করে দেওয়ায় যে অভাবনীয় দৃঢ়তা দেখেছেন মোদীর মধ্যে, তাতে সবথেকে বেশি মোহিত হয়ে গিয়েছেন। তাঁর কথায়, 'সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হল যে তিনি ভারতীয়দের মধ্যে নিজেদের প্রতি এবং নিজেদের দেশের উপরে শক্তিশালী বিশ্বাস জাগিয়ে তুলেছেন। তাঁদের ভারতকে নিয়ে আরও বেশি গর্বিত বলে মনে হয়। ভারতের সম্ভাবনা নিয়ে আরও বেশি উচ্চাকাঙ্ক্ষী বলে মনে হয় তাঁদের।'
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


