Congress Leader attacks Mamata: তৃণমূল কংগ্রেসের ভাঙনের মধ্যেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ শানালেন কগ্রেস নেতা উদিত রাজ। তিনি দাবি করলেন, নিজেরই কর্মের ফল ভোগ করছেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। অরবিন্দ কেজরিয়ালের পাশাপাশি মমতা যদি ইন্ডিয়া জোটের সমন্বয়ক হিসেবে নীতীশ কুমারকে মেনে নিতেন, তাহলে লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির আসন সংখ্যা ১৫০-র নীচে নেমে যেত। স্বভাবতই তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী হতে পারতেন না নরেন্দ্র মোদী। কিন্তু কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীকে রুখতে গিয়ে তাঁরা নিজেদের পায়েই কুড়ুল মেরে বসেছেন বলে দাবি করেন কংগ্রেস নেতা। সেইসঙ্গে মমতাকে তিনি পরামর্শ দিয়ে বলেছেন যে কংগ্রেসের সঙ্গে তৃণমূলকে মিশিয়ে দিতে পারেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।
'যেমন কর্ম, তেমন ফল', মমতাকে কটাক্ষ কংগ্রেস নেতার

উদিত বলেছেন, 'মমতা দিদি ও কেজরিওয়ালের কর্মকাণ্ডের ফলেই মোদী প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। কর্মের ফল ভোগ করছেন (তাঁরা)। পুরো দেশে ঘুরে-ঘুরে নীতীশ কুমার ইন্ডিয়া জোটের জন্য ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করেছিলেন। কিন্তু এই দু'জন তাঁকে জোটের সমন্বয়কারী হতে দেননি। তার ফলে তিনি (নীতীশ কুমার) জোট ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন। এই ভুলটা না হলে বিজেপি ১৫০ আসনের নীচেই আটকে যেত। তবে ওই দু'জন রাহুল গান্ধীকে আটকানোর উপরে জোর দিয়েছিলেন।'
ইন্ডিয়া জোটের সঙ্গে সততার সঙ্গে থাকুন, মমতাকে পরামর্শ উদিতের
কংগ্রেস নেতা আরও বলেছেন, 'রাহুল গান্ধী তো আটকে যাননি। কিন্তু এই দু'জনের সঙ্গে কী হল, তা সবাই দেখতে পাচ্ছেন। কখনও কখনও যেমন কর্ম, তেমন ফল প্রবাদটা সত্য বলে প্রমাণিত হয়। এখন মমতা দিদির উচিত সততার সঙ্গে এই জোটে অটল থাকা। তিনি চাইলে তাঁর দলকেও মিশিয়ে দিতে পারেন (কংগ্রেসের সঙ্গে)। কিন্তু সেই বিষয়টা পুরোপুরি তাঁর উপরে নির্ভর করছে।'
আরও পড়ুন: Sukhendu Sekhar Roy: দল না ছাড়লে সুপারি কিলার দিয়ে খুনও করা হতে পারত, বিস্ফোরক সুখেন্দু শেখর রায়
পরিষদীয় দলের পরে তৃণমূলের সংসদীয় দলে ভাঙন
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: Sukhendu Sekhar Roy: দল না ছাড়লে সুপারি কিলার দিয়ে খুনও করা হতে পারত, বিস্ফোরক সুখেন্দু শেখর রায়
পরিষদীয় দলের পরে তৃণমূলের সংসদীয় দলে ভাঙন
{{/usCountry}}আর কংগ্রেস নেতা এমন একটা সময় সেই মন্তব্য করেছেন, যখন পরিষদীয় দলের উপর থেকে মমতার রাশ উঠে গিয়েছে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে কমপক্ষে ৫৮ জন বিধায়ক বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন। এমনকী সংখ্যার জোরে বিধানসভার বিরোধী দলনেতার তকমাও পেয়ে গিয়েছেন ঋতব্রত। অন্যদিকে তৃণমূলের সংসদীয় দলেও ভাঙন স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। ২৮ জনের মধ্যে ২০ জন সাংসদই বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন। তাঁরা তৃণমূলের সঙ্গ ছেড়ে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটের সঙ্গে বসতে চান লোকসভায়।