MEA on Sheikh Hasina: শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের 'আর্জি খতিয়ে দেখা হচ্ছে’, ঢাকার চিঠির পর মুখ খুলল দিল্লি
শেখ হাসিনাকে নিয়ে বাংলাদেশের পাঠানো চিঠি সম্পর্কে মুখ খুলল দিল্লি।
কিছুদিন আগেই বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে মানবাধিকার বিরোধী অপরাধের অভিযোগে একাধিক মামলার সাজা হিসাবে শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। তারপর থেকেই শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে প্রত্যর্পণের জন্য কোমর কষতে শুরু করেছে ঢাকা। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে বাংলাদেশে জনতা-ছাত্র অভ্যুত্থানে রাতারাতি বাংলাদেশে পদচ্যুত হন হাসিনা। তারপরই তিনি আশ্রয় নেন ভারতে। এবার ভারতের কাছ থেকে শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণ করার জন্য বাংলাদেশের ইউনুস সরকারের তরফে চিঠি এসেছে দিল্লিতে।

শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ জানিয়ে বাংলাদেশ যে চিঠি পাঠিয়েছে দিল্লিকে, তা এসেছে বলে জানিয়েছে দিল্লি। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল বলেন,' হ্যাঁ আমরা অনুরোধ পেয়েছি। আমরা অনুরোধের (তাঁর প্রত্যর্পণের) বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। আমরা বাংলাদেশের মানুষের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা সকল স্টেকহোল্ডারদের সাথে এই বিষয়ে গঠনমূলকভাবে জড়িত থাকব।'
এদিকে, সাজার রায় অনুসারে শেখ হাসিনার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ। ইতিমধ্যেই শেখ হাসিনার সম্পত্তির বিপুল পরিমাণ সোনা তাঁর লকার থেকে উদ্ধার হয়েছে। বাংলাদেশের অগ্রণী ব্যাংকে দুটি লকার থেকে ৮৩২ ভরি সোনা পাওয়ার কথা জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন। কমিশন জানিয়েছে, অগ্রণী ব্যাংকের প্রিন্সিপাল শাখায় শেখ হাসিনা ও সায়মা ওয়াজেদের নামে থাকা একটি লকারে ৪২২ ভরির কিছু বেশি সোনা পাওয়া যায়। শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার নামে থাকা একটি লকারে পাওয়া গেছে ৪১০ ভরি সোনা।
( Imran Khan Update: ইমরান খান কোথায়? খোঁজ নিতে বোনেরা জেলে যেতেই ‘চুলের মুঠি ধরে..’, এল বড় অভিযোগ)
জানা যাচ্ছে বাংলাদেশের পূবালী ব্যাংকেও শেখ হাসিনার নামে একটি লকার থাকার কথা জানিয়েছে দুদক। সেখানে পাওয়া গেছে একটি ছোট চটের ব্যাগ। সেটি খালি ছিল। লকারের থাকা চিরকুট ও বর্ণনা অনুযায়ী সোনার ওই গয়নাগুলি শেখ হাসিনা, সায়মা ওয়াজেদ, শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং শেখ রেহানা ও তাঁর ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববির বলে মনে করা হচ্ছে।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


