India Vs Pakistan:' অন্যকে লেকচার’ মানায় না!'ধর্মান্ধতার কলঙ্কিত রেকর্ড নিয়ে.. ’, রামমন্দির নিয়ে পাককে পাল্টা দিল দিল্লি
রামমন্দিরে ধ্বজা উত্তোলন ঘিরে ইসলামাবাদের এক বার্তার প্রেক্ষিতে পাল্টা জবাব দেয় দিল্লি।
সদ্য অযোধ্যার রাম মন্দিরে ধ্বজা উত্তোলন সমারোহ সম্পন্ন হয়েছে। উৎসবে মুখ্য অতিথি ছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এদিকে, অযোধ্যার এই উৎসব নিয়ে সদ্য এক মন্তব্য উড়ে এসেছে ইসলামাবাদ থেকে। পাকিস্তানের সেই মন্তব্য নিয়ে এদিন মুখ খোলে দিল্লি। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল পাকিস্তানের এই বক্তব্যকে খণ্ডন করে, পাল্টা পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার সহ নানান বিষয় নিয়ে পাল্টা ইসলামাবাদের দিকে তোপ দাগে দিল্লি।

রামমন্দিরের সদ্য হওয়া সমারোহ নিয়ে পাকিস্তানের মন্তব্যের রিপোর্ট সামনে আসতেই ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল বলেন,' আমরা রিপোর্ট করা মন্তব্যগুলি দেখেছি এবং তাদের প্রাপ্য অবজ্ঞার সাথে প্রত্যাখ্যান করছি। সংখ্যালঘুদের উপর ধর্মান্ধতা, নিপীড়ন এবং পদ্ধতিগত দুর্ব্যবহারের গভীর কলঙ্কিত রেকর্ড সহ একটি দেশ হিসেবে, পাকিস্তানের অন্যদের লেকচার দেওয়ার কোনও নৈতিক অবস্থান নেই।' পাকিস্তানকে পাল্টা সতর্ক করে দিল্লির সাফ কথা,'কপট প্রশংসা করার পরিবর্তে, পাকিস্তানের উচিত নিজের দৃষ্টি অন্যদিকে ফিরিয়ে নিজেদের মানবাধিকারের ভয়াবহ রেকর্ডের দিকে মনোনিবেশ করা।'
( Bumrah and Bavuma: সিরিজ পকেটে পুরে 'বাউনা' মন্তব্যে নাম না করে বুমরাহকে খোঁচা বাভুমার? বললেন…)
কী বলেছিল পাকিস্তান?
উল্লেখ্য, অযোধ্যায় সদ্য হওয়া রামমন্দিরে ধ্বজা উত্তোলন সমারোহ ঘিরে প্রতিবাদের সুর তোলে পাকিস্তান। তাদের দাবি, এই ধরনের ঘটনা ভারতের সংখ্যালঘুদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। এই বিষয়ে তারা আন্তর্জাতিক মঞ্চ ও রাষ্ট্রসংঘের কাছেও আর্জি রাখে।
উল্লেখ্য, রামমন্দিরের নির্মাণ সম্পন্ন হও.য়ার পর ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে তার উদ্বোধন হয়। সেই সমারোহে অযোধ্যার রাম মন্দিরে প্রধান অতিথিদের মধ্যে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সহ অনেকেই। দেশের বাণিজ্য মহল থেকে মুকেশ আম্বানি থেকে বলিউডের একের পর এক তারকা সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সদ্য সেই রাম মন্দিরে ধ্বজা উত্তোলন সমারোহ সম্পন্ন হয়।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


