Kakoli Ghosh Dastidar Latest Update: 'মেরা সার কাটেগা, লেকিন ঝুঁকেগা নেহি' - দাবি করলেন বিদ্রোহী তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তাঁর নেতৃত্বে লোকসভার ২০ জন সাংসদ তৃণমূল থেকে আলাদা হয়ে এনডিএয়ের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আর্জি জানিয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি দিয়েছেন বলে যেদিন দাবি করেছেন কাকলি, সেদিনই তিনি এমন মন্তব্য করেছেন। সংবাদসংস্থা এএনআইয়ের সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘আপনারা আমায় চেনেন কিনা, জানি না। কিন্তু আমার নিজের মামা রাজ্যসভা এবং লোকসভা মিলিয়ে পাঁচবার বা সাতবারের সাংসদ ছিলেন। কমিউনিস্ট নেতা ছিলেন। আমার ভাসুর পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ছিলেন। আমার দাদু স্বাধীনতা সংগ্রামী ছিলেন। আমার বাবাও লড়াই করতে-করতে মারা গিয়েছেন। আমি ওই পরিবারের সদস্য। মেরা সার কাটেগা, লেকিন ঝুঁকেগা নেহি (মাথা কেটে নিলেও মাথানত করব না)। অনেক সহ্য করেছি আমি।’
লোকসভার স্পিকারকে চিঠি কাকলিদের

আর যে কাকলি এই কথা বলেছেন, তাঁর নেতৃত্বেই তৃণমূলের সংসদীয় দলে বিদ্রোহ দেখা গিয়েছে। বারাসতের দাবি করেছেন, এনডিএয়ের সঙ্গে যুক্ত হতে চেয়ে তিনি-সহ তৃণমূলের ২০ জন সাংসদ লোকসভার স্পিকারকে চিঠি দিয়েছেন। কারণ তাঁরা উন্নয়ন যজ্ঞে সামিল হতে চান বলে দাবি করেছেন কাকলি।
আরও পড়ুন: Baba Loknath Temple: ইজরায়েলে লোকনাথ বাবার মন্দির তৈরির ভাবনাচিন্তা! চাকলায় নেতানিয়াহুর উপদেষ্টা
কাকলিদের নিশানা মহুয়ার
যদিও কাকলিদের সেই পদক্ষেপ নিয়ে আক্রমণ শানিয়েছেন মহুয়া মৈত্র। কৃষ্ণনগরের সাংসদ এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরেই আছেন। তিনি বলেছেন, ‘২০২৪ সালে সাংসদরা তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে জিতেছেন। জনগণের রায় এনডিএর পক্ষে ছিল না। হলুদ দাগি প্যান্ট পরা সমস্ত লোভী, স্বার্থপর, দেশদ্রোহীরা এখন দয়া করে বিজেপিতে যোগ দিন- আপনাদের আসন থেকে পদত্যাগ করুন এবং বিজেপির টিকিটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুন। দেখা যাক আপনারা কত বড় নায়ক-নায়িকা হন।’
আরও পড়ুন: Kunal Ghosh on Dev: দেব ‘পাল্টি’ মারতেই খোঁচা কুণালের, বললেন মমতা ‘আজ নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন….’
'মমতা ক্ষমতা এলে এঁরাই চাটুকারিতা করতেন'
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: Kunal Ghosh on Dev: দেব ‘পাল্টি’ মারতেই খোঁচা কুণালের, বললেন মমতা ‘আজ নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন….’
'মমতা ক্ষমতা এলে এঁরাই চাটুকারিতা করতেন'
{{/usCountry}}আর তৃণমূলের এই বিদ্রোহ এবং মুষলপর্ব নিয়ে আক্রমণ শানিয়েছেন উত্তর ২৪ পরগনা গ্রামীণ ২-র কংগ্রেসের মহিলা সভানেত্রী তুলিকা অধিকারী। তিনি বলেছেন, ‘চটি চেটে, দলের তোলাবাজ নেতাদের উত্তরীয় পরিয়ে সম্মান জানিয়ে, তাঁদের পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তুলে যাঁরা এতদিন মুখে কুলুপ এঁটে ছিলেন, তাঁরাই আজ সরকার বদলের হাওয়ায় সবচেয়ে বেশি বড়-বড় কথা বলছে। প্রশ্ন হল, এতদিন তাঁরা কোথায় ছিলেন? অন্যায় দেখেও কেন চুপ ছিলেন? বাস্তব হল, যদি আবার মমতা ক্ষমতায় ফিরতেন, তাহলে এঁদের অনেকেই আবার আগের মতোই চাটুকারিতায় ব্যস্ত হয়ে পড়তেন। রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলাতেই যাঁদের বক্তব্য বদলে যায়, তাঁদের নীতির দৃঢ়তা নিয়ে প্রশ্ন থাকবেই।’