নিজের লোকসভা কেন্দ্র বারাণসী থেকে এবার চারটি বন্দে ভারত রুটের সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শনিবার ৮ নভেম্বর মোদী বেনারস স্টেশন থেকে এই ট্রেনগুলির উদ্বোধন করেন। বাকি ট্রেনগুলির যাত্রা ভার্চুয়ালি সূচনা করেন। এই নতুন পরিষেবাগুলি দেশের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান ও তীর্থস্থানকে একসঙ্গে জুড়েছে।
কোন কোন রুটে চলবে এই ৪ বন্দে ভারত এক্সপ্রেস?

১. বেনারস – খাজুরাহো বন্দে ভারত এক্সপ্রেস: এই রুটটি বারাণসী, প্রয়াগরাজ, চিত্রকূট এবং ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট খাজুরাহোর মতো ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্থানগুলির মধ্যে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করবে। এর ফলে পর্যটকদের ভ্রমণের সময় প্রায় ২ ঘণ্টা ৪০ মিনিট কম লাগবে এবং ধর্মীয় পর্যটন বৃদ্ধি পাবে।
আরও পড়ুন - Health News: হৃদরোগ থেকে স্ট্রোক, যখন তখন দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে, দায়ী এইভাবে শুয়ে ফোন ঘাঁটা
আরও পড়ুন - Kal Bhairav Puja Vidhi: কাল ভৈরবের পুজোয় কোন কোন বিধি মেনে চলা উচিত? জানুন শাস্ত্রমত
২. লখনউ – সাহারানপুর বন্দে ভারত এক্সপ্রেস: এই ট্রেনটি লখনউ, সীতাপুর, শাহজাহানপুর, বেরেলি এবং মোরাদাবাদের মতো শহরগুলির যাত্রীদের দারুণ সুবিধা দেবে। এটি প্রায় ৭ ঘন্টা ৪৫ মিনিটে গন্তব্যে পৌঁছাবে, যা প্রায় ১ ঘন্টা সময় সাশ্রয় করবে এবং রুরকির মাধ্যমে পবিত্র হরিদ্বার শহরে পৌঁছানো সহজ করবে।
৩. ফিরোজপুর – দিল্লি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস: এটি এই রুটের দ্রুততম ট্রেন হিসেবে মাত্র ৬ ঘন্টা ৪০ মিনিটে যাত্রা সম্পন্ন করবে। এর ফলে রাজধানী দিল্লি এবং পাঞ্জাবের ফিরোজপুর, ভাতিন্ডা, ও পাতিয়ালার মধ্যে যোগাযোগ মজবুত হবে, যা সীমান্ত অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়ক হবে।
{{/usCountry}}৩. ফিরোজপুর – দিল্লি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস: এটি এই রুটের দ্রুততম ট্রেন হিসেবে মাত্র ৬ ঘন্টা ৪০ মিনিটে যাত্রা সম্পন্ন করবে। এর ফলে রাজধানী দিল্লি এবং পাঞ্জাবের ফিরোজপুর, ভাতিন্ডা, ও পাতিয়ালার মধ্যে যোগাযোগ মজবুত হবে, যা সীমান্ত অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়ক হবে।
{{/usCountry}}৪. এর্নাকুলাম – বেঙ্গালুরু বন্দে ভারত এক্সপ্রেস: এই ট্রেনটি দক্ষিণ ভারতের প্রধান আইটি (IT) এবং বাণিজ্যিক হাবগুলিকে যুক্ত করবে। এটি যাত্রার সময় ২ ঘণ্টারও বেশি কমিয়ে দেবে এবং কেরালা, তামিলনাড়ু ও কর্ণাটকের মধ্যে অর্থনৈতিক কার্যকলাপ ও পর্যটনকে উৎসাহিত করবে।
প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে বন্দে ভারত ট্রেনগুলিকে ভারতের ইঞ্জিনিয়ারিং সক্ষমতা ও আত্মনির্ভরতার প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘এই ট্রেনগুলি কেবল দ্রুতগামীই নয়, বরং আধুনিক প্রযুক্তি এবং আরামের এক চমৎকার সংমিশ্রণও বটে, যা ভারতীয় রেলের নতুন প্রজন্মকে চিহ্নিত করে।’ এই চারটি নতুন ট্রেন চালু হওয়ার পর দেশে বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের মোট সংখ্যা ১৬০-এর বেশি হল।