BSF jawan’s death in NCB custody: শরীরে ৩৪টি আঘাতের চিহ্ন! এনসিবি হেফাজতে BSF জওয়ানের মৃত্যুতে বাড়ছে রহস্য

BSF jawan’s death in NCB custody: ময়নাতদন্তের রিপোর্টে বলা হয়েছে, জসবিন্দর সিংয়ের শরীরে ৩৪টি আঘাতের চিহ্ন ছিল। এর মধ্যে ২৫টি আঘাত মৃত্যুর দুই থেকে চার দিন আগে করা হয়েছিল। বাকি ৯টি আঘাত মৃত্যুর প্রায় ১৮ থেকে ২৪ ঘণ্টা আগে করা হয়।

Published on: Apr 25, 2026, 23:49:22 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

BSF jawan’s death in NCB custody: ‘নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো’ (এনসিবি)-র হেফাজতে থাকাকালীন রহস্যজনক ভাবে মৃত্যু হয়েছিল বিএসএফের এক জওয়ানের। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে মৃত জওয়ানের শরীরে ৩৪টি আঘাতের চিহ্ন মিলেছে বলে দাবি। আর এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসতেই এনসিবি হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগ আরও জোরালো হয়েছে।

এনসিবি হেফাজতে BSF জওয়ানের রহস্যমৃত্যু (সৌজন্যে টুইটার)
এনসিবি হেফাজতে BSF জওয়ানের রহস্যমৃত্যু (সৌজন্যে টুইটার)

ঠিক কী ঘটেছিল?

পুলিশ জানিয়েছিল, গত মার্চে ৩৫ বছর বয়সি ওই জওয়ান জসবিন্দর সিংয়ের পাঞ্জাবের অমৃতসরে এনসিবি-র জিজ্ঞাসাবাদের সময়ে শারীরিক অবস্থার অবনতি হয় এবং শেষে তিনি মারা যান। সেই সময়ে তাঁর পরিবার অভিযোগ তুলেছিল, এনসিবি-র দল ওই বিএসএফ জওয়ানকে মারধর করেছে। জম্মুর বাসিন্দা জসবিন্দরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অমৃতসরে নিয়ে আসা হয়েছিল। সেখানেই জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাঁর মৃত্যু ঘটে। অমৃতসরের জেলা সিভিল হাসপাতালের চিকিৎসকদের করা ময়নাতদন্ত রিপোর্ট নিহতের পরিবার এবং পাঞ্জাব হিউমান রাইটস অর্গানাইজেশন (পিএইচআরও)-এর প্রধান তদন্তকারী আধিকারিক সরবজিৎ সিং ভেরকা প্রকাশ্যে নিয়ে এসেছেন।

ময়নাতদন্তের রিপোর্টে বলা হয়েছে, জসবিন্দর সিংয়ের শরীরে ৩৪টি আঘাতের চিহ্ন ছিল। এর মধ্যে ২৫টি আঘাত মৃত্যুর দুই থেকে চার দিন আগে করা হয়েছিল। বাকি ৯টি আঘাত মৃত্যুর প্রায় ১৮ থেকে ২৪ ঘণ্টা আগে করা হয়। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, এই সময়কালই তিনি এনসিবি হেফাজতে ছিলেন। এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পরই মৃত জওয়ানের স্ত্রী লাভজিৎ কৌর অভিযোগ করেন, 'ময়নাতদন্তের রিপোর্টে প্রমাণিত হয়েছে যে আমার স্বামীকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। ৩৪টি আঘাত কোনও ছোট বিষয় নয়। হেফাজতে থাকাকালীন তাঁর উপর নিষ্ঠুর অত্যাচার করা হয়েছে।' এর আগে মার্চ মাসে মৃতের মা গুরমিত কৌর জানিয়েছিলেন, তাঁর ছেলে বিএসএফ-এর কনস্টেবল পদে কর্মরত ছিলেন এবং ছুটিতে বাড়ি এসেছিলেন। কয়েকদিন পর কাজে ফেরার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু তার আগেই তাঁকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে পরিবারের কাছে ফোন করে মৃত্যুর খবর দেওয়া হয়। ঘটনার পর পরিবারের সদস্যরা পোস্টমর্টেম হাউসের বাইরে বিক্ষোভও দেখান। তাঁদের দাবি, পুরো ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হোক এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এই ঘটনায় এনসিবির পক্ষ থেকে এখনও বিস্তারিত কোনও সরকারি প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলিও বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছে। এই ঘটনায় হেফাজতে মৃত্যুর প্রশ্নে ফের চাপের মুখে তদন্তকারী সংস্থাগুলি।