Neha Bora and Abhijeet Dipke Update: কয়েক ঘণ্টা আটক করে রাখার পরে আইসার সভানেত্রী নেহা বোরাকে ছেড়ে দিল দিল্লি পুলিশ। তবে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেকে গ্রেফতার করা হল। তাঁকে নিম্ন আদালতে পেশ করা হবে বলে পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে। সংবাদসংস্থা এএনআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে যে শুক্রবার সন্ধ্যায় সতর্কতামূলক ধারায় নেহা এবং অভিজিৎকে আটক করা হয়। দিল্লি পুলিশ আইনের ৬৫ নম্বর ধারার আওতায় আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরে নেহাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে অভিজিতের বিরুদ্ধে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) আওতায় রুজু করা হয়েছে মামলা।
অভিজিৎ দীপকে কোথায়? ‘জানেন না’ ককরোচদের প্রধান আইনজীবী

যদিও অভিজিৎকে গ্রেফতার করে কোথায় রাখা হয়েছে, তা নিয়ে ধোঁয়াশায় আছেন বলে জানিয়েছেন সিজেপি আইনি বিভাগের প্রধান রত্না সিং। তিনি বলেছেন, 'অভিজিৎকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তাঁকে বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেটের কোর্টে পেশ করা হয়েছে। এখনও ওঁর অবস্থান জানা যায়নি। ওঁর সঙ্গে আইনজীবীরা দেখা করতে পারেননি।'
‘তেরঙা ওড়াও’ অভিযানের আগে আটক নেহা ও অভিজিৎ
আর অভিজিৎ এবং নেহার সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেওয়া হচ্ছিল না বলে শুক্রবার সন্ধ্যা থেকেই সিজেপি এবং আইসার তরফে দাবি করা হচ্ছে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে সিজেপির ‘তেরঙা ওড়াও’ অভিযান ছিল। তার আগে অভিজিৎকে ঝান্ডেওয়ালান থেকে এবং নেহাকে মান্ডি হাউস থেকে আটক করা হয় বলে দিল্লি পুলিশের সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে জানানো হয়।
ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, দিল্লি পুলিশের তরফে দাবি করা হয় যে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে প্রায় ১৫০ জনকে আটক করা হয়। সেই তালিকায় ছিলেন অভিজিৎ এবং নেহাও। কিন্তু আটক করার পরে তাঁদের কোথায় রাখা হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশের তরফে কিছু জানানো হয়নি বলে অভিযোগ করা হতে থাকে।
{{/usCountry}}ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, দিল্লি পুলিশের তরফে দাবি করা হয় যে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে প্রায় ১৫০ জনকে আটক করা হয়। সেই তালিকায় ছিলেন অভিজিৎ এবং নেহাও। কিন্তু আটক করার পরে তাঁদের কোথায় রাখা হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশের তরফে কিছু জানানো হয়নি বলে অভিযোগ করা হতে থাকে।
{{/usCountry}}অভিজিৎ, নেহাদের পাশে বিরোধী নেতা-নেত্রীরা
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অরবিন্দ কেজরিয়াল, এমকে স্টালিন-সহ একাধিক বিরোধী নেতা-নেত্রীরা সমর্থন করেন নেহা, অভিজিৎদের। সেইসঙ্গে তাঁরা দাবি করেন, দিল্লিতে এখন যা পরিস্থিতি, তাতে ‘অঘোষিত জরুরি অবস্থা’ চলছে দেশের রাজধানীতে। তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী স্টালিন একেবারে সরাসরি প্রশ্ন তোলেন যে আটক করার পরে নেহা এবং অভিজিৎকে কোথায় রাখা হয়েছে।
যে নেহার বিরুদ্ধে বিজেপি অভিযোগ করেছে যে ২০২৪ সালে বাংলাদেশে শেখ হাসিনা-বিরোধী আন্দোলনের সমর্থন করেছেন আইসা সভানেত্রী। পদ্ম শিবিরের তরফে দাবি করা হয়, ‘আমরা জানি, ভারতে যে জেন-জি আন্দোলন দেখছি, তা আদতে বাংলাদেশে শুরু হয়েছিল। আমাদের পথ দেখানোর জন্য আপনাদের অভিনন্দন।’