Job Rules changing from 1st April: নয়া বেতন কাঠামো, গ্র্যাচুইটি থেকে কাজের সময়- কাল চাকরির কোন কোন নিয়ম পালটে যাবে?
আগামী ১ এপ্রিল থেকে দেশে চালু হচ্ছে নতুন লেবার কোড। বদলে যাচ্ছে বেতন কাঠামো, পিএফ এবং গ্র্যাচুইটির হিসেব। আপনার পকেটে এর কেমন প্রভাব পড়বে? বিস্তারিত জানুন এই প্রতিবেদনে।
আগামী ১ এপ্রিল থেকে ভারতে এক বড় পরিবর্তনের সূচনা হতে চলেছে। কেন্দ্রীয় সরকার দীর্ঘ প্রতীক্ষিত চারটি নতুন শ্রম কোড কার্যকর করতে প্রস্তুত। এই পরিবর্তন সরাসরি দেশের কোটি-কোটি চাকুরিজীবী, শ্রমিক এবং সংস্থার ওপর প্রভাব ফেলবে। বেতন কাঠামো থেকে শুরু করে কাজের সময়, বোনাস ও প্রভিডেন্ট ফান্ড - সব কিছুতেই আসতে চলেছে আমূল বদল। বর্তমানের জটিল ব্যবস্থাকে সরিয়ে ২৯টি গুরুত্বপূর্ণ বিধানের আওতায় ৪৪টি পুরনো শ্রম আইনকে চারটি কোডে সংকুচিত করা হয়েছে। এগুলি হলো—বেতন কোড, সামাজিক সুরক্ষা কোড, শিল্প সম্পর্ক কোড এবং পেশাগত সুরক্ষা ও স্বাস্থ্য কোড।

বেতন কাঠামোয় বড় বদল
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনও কর্মীর মূল বেতন (বেসিক স্যালারি) মোট আয়ের অন্তত ৫০ শতাংশ হতে হবে। এর সরাসরি প্রভাব পড়বে টেক-হোম স্যালারি বা হাতে পাওয়া বেতনের ওপর। বেসিক বেতন বাড়লে প্রভিডেন্ট ফান্ড (পিএফ) এবং গ্র্যাচুইটির অবদানও বাড়বে। এর অর্থ হল, প্রতি মাসে হাতে হয়তো কিছুটা কম টাকা আসবে। কিন্তু অবসরকালীন সঞ্চয় অনেক বেশি শক্তিশালী হবে।
১ বছরেই গ্র্যাচুইটি
এতদিন পূর্ণ সময়ের কর্মচারীরা গ্র্যাচুইটি পেতেন কর্মজীবন পাঁচ বছর পূর্ণ করলে। এবার থেকে এক বছরেই সেটা হবে।
কাজের সময় ও ওভারটাইম
নতুন শ্রমকোডে কাজের সময়ের ক্ষেত্রে কিছুটা নমনীয়তা আনা হয়েছে। দৈনিক আট ঘণ্টা বা সপ্তাহে ৪৮ ঘণ্টা কাজ করার যে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড রয়েছে, তা বজায় রাখা হচ্ছে। তবে সংস্থাগুলি চাইলে কাজের সময় পুনর্বিন্যাস করতে পারবে। সবচেয়ে বড় খবর হলো ওভারটাইম নিয়ে। অতিরিক্ত কাজের জন্য ওভারটাইম দেওয়া এখন বাধ্যতামূলক এবং এটি আন্তর্জাতিক শ্রম মান অনুযায়ী নিয়ন্ত্রিত হবে।
নারীশক্তি ও সামাজিক সুরক্ষা
নতুন শ্রম কোড লিঙ্গ বৈষম্য দূর করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। 'সমান কাজের জন্য সমান বেতন' নীতি যেমন থাকছে, তেমনি মহিলারা এখন যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করে বিভিন্ন শিফটে কাজ করতে পারবেন। এ ছাড়াও, ৪০ বছর বা তার বেশি বয়সের শ্রমিকদের জন্য বিনামূল্যে বার্ষিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
নিয়োগকর্তাদের জন্য দায়বদ্ধতা
এখন থেকে প্রতিটি কর্মীকে নিয়োগপত্র দেওয়া বাধ্যতামূলক। এতে কাজের স্বচ্ছতা বাড়বে এবং অসংগঠিত ক্ষেত্রের কর্মীরাও আইনি স্বীকৃতির আওতায় আসবেন। গিগ ওয়ার্কার (যেমন ডেলিভারি বয় বা ফ্রিল্যান্সার) এবং স্বনির্ভর ব্যক্তিদেরও প্রথমবারের মতো সামাজিক সুরক্ষা জালের অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


