বাংলাদেশে ২০২৪ সালের জুলাই ছাত্র-জনতা অভ্যুত্থানের জেরে সেদেশ রাতারাতি ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের জন্য ইতিমধ্যেই কোমর কষছে ঢাকা। তারা হাসিনাকে ফিরে পেতে ভারতের কাছে ফের চিঠিও পাঠিয়েছে। এদিকে, মানবতা বিরোধী অপরাধের একাধিক অভিযোগের মামলায় বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনালে শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের সাজা হয়েছে। ‘পলাতক’ আখ্যা পাওয়া হাসিনাকে ফিরে পেতে মরিয়া বাংলাদেশের ইউনুস সরকার। এরই মাঝে শেখ হাসিনার পক্ষে সওয়ার করার বিষয়ে নিয়োজিত হয়েছেন সেদেশের সুপ্রিমকোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এইচএএম জহিরুল ইসলাম খান (পান্না)। তাঁরই কাছে সদ্য গিয়েছিল সাংবাদিকদের এক বিস্ফোরক প্রশ্ন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চলা গুমের অভিযোগে দুটি মামলায় এবার স্টেট ডিফেন্স হিসেবে মামলা পরিচালনা করবেন আইনজীবী পান্না। সদ্য, রবিবার ডিফেন্স কাউন্সেল সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩-এর ১২ নম্বর ধারার ১ নম্বর উপধারা অনুসারে তাঁকে নিয়োগ করা হয়। বাংলাদেশের আইনের ওই উপধারায় বলা হয়েছে, একজন অভিযুক্তকে কোনও আইনজীবী যদি প্রতিনিধিত্ব না করেন, ট্রাইব্যুনাল মামলার যেকোনও পর্যায়ে সরকারি খরচে সেই অভিযুক্তের পক্ষে একজন আইনজীবী নিয়োজিত হতে পারবেন। এদিকে, বাংলাদেশের সিনিয়র আইনজীবী হিসাবে সমাদৃত আইনজীবী পান্না এককালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে লড়েছেন বলে জানান। তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে জানান, ‘আমি একজন ফ্রিডম ফাইটার। একাত্তরে আমি যুদ্ধ করেছি বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে, তাঁর আহ্বানে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে। তাঁর কন্যা (শেখ হাসিনা) উইদাউট প্রপার ডিফেন্স, আগেও প্রপার ডিফেন্স ছিলেন। আমি কাউকে ছোট করছি না।’
নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে আইনজীবী পান্না বলেন,' আমার কাছে মনে হয়েছে তাকে আরো প্রপার ওয়েতে ডিফেন্স দেওয়ার দরকার। দ্যাটস হোয়াই আমি স্টেট ডিফেন্স।' তিনি জানান,'আমি প্রথমে বলেছি অন বিহাফ অব শেখ হাসিনা (শেখ হাসিনার পক্ষে)। তো (আদালত) বলছেন যে এটা তো আপনি পারেন না। বিকজ শি ইজ ফিউজিটিভ (কারণ তিনি পলাতক)। আমি তখন বলেছি, ওকে। প্রসিকিউশন বললেন, স্টেট ডিফেন্স। আমি বললাম, আমার কোনও আপত্তি নেই। দ্যাটস অল।' এরপরই সাংবাদিকদের প্রশ্ন যায় যে, তাঁর সঙ্গে কি যোগাযোগ রয়েছে শেখ হাসিনার? উত্তরে পান্না সাফ জানান,' এই ধরনের প্রশ্ন আমাকে করবেন না।'
{{/usCountry}}নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে আইনজীবী পান্না বলেন,' আমার কাছে মনে হয়েছে তাকে আরো প্রপার ওয়েতে ডিফেন্স দেওয়ার দরকার। দ্যাটস হোয়াই আমি স্টেট ডিফেন্স।' তিনি জানান,'আমি প্রথমে বলেছি অন বিহাফ অব শেখ হাসিনা (শেখ হাসিনার পক্ষে)। তো (আদালত) বলছেন যে এটা তো আপনি পারেন না। বিকজ শি ইজ ফিউজিটিভ (কারণ তিনি পলাতক)। আমি তখন বলেছি, ওকে। প্রসিকিউশন বললেন, স্টেট ডিফেন্স। আমি বললাম, আমার কোনও আপত্তি নেই। দ্যাটস অল।' এরপরই সাংবাদিকদের প্রশ্ন যায় যে, তাঁর সঙ্গে কি যোগাযোগ রয়েছে শেখ হাসিনার? উত্তরে পান্না সাফ জানান,' এই ধরনের প্রশ্ন আমাকে করবেন না।'
{{/usCountry}}