PAF Plane Crash: মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনা পাকিস্তানে, ভেঙে পড়ল PAF ট্রেনার জেট, নিহত ২ পাইলট
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মিডিয়া উইং ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস (ISPR) জানিয়েছে, বিমানটি একটি রুটিন প্রশিক্ষণ মিশনে ছিল। উড়ানের কিছুক্ষণ পরই সেটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ভেঙে পড়ে। এতে বিমানটিতে থাকা দুই পাইলটই নিহত হন।
পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল দুই পাইলটের। সোমবার মর্দান শহরের কাছে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর (PAF) একটি প্রশিক্ষণ বিমান নিয়মিত প্রশিক্ষণ উড়ানের সময় ভেঙে পড়ে। দুর্ঘটনার পরই ঘটনাস্থলে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং পুরো এলাকা আতঙ্কে ছেয়ে যায়। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মিডিয়া উইং ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস (ISPR) জানিয়েছে, বিমানটি একটি রুটিন প্রশিক্ষণ মিশনে ছিল। উড়ানের কিছুক্ষণ পরই সেটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ভেঙে পড়ে। এতে বিমানটিতে থাকা দুই পাইলটই নিহত হন।

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন পাকিস্তান বিমানবাহিনীর ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মুহাম্মদ কাসিম আবদুল্লাহ এবং পাকিস্তান নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট তহা আব্বাসি। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উভয় অফিসার দায়িত্ব পালনরত অবস্থাতেই প্রাণ হারিয়েছেন। ঘটনার পরই পাকিস্তান বিমানবাহিনী দুর্ঘটনার কারণ জানতে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। প্রাথমিকভাবে কী কারণে বিমানটি ভেঙে পড়ল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। প্রযুক্তিগত ত্রুটি, যান্ত্রিক সমস্যা বা অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
দুর্ঘটনার পর মর্দান ও আশপাশের এলাকায় সাময়িক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় প্রশাসন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করা হয় এবং এলাকাটি ঘিরে ফেলা হয়। পাকিস্তানের সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে নিহত পাইলটদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাকিস্তানে একাধিক সামরিক প্রশিক্ষণ বিমান দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে। এর ফলে বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। তবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে কোনও চূড়ান্ত মন্তব্য করা সম্ভব নয়।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


