Pahalgam Latest Update: পহেলগাঁও হামলার পর বন্ধ হয়েছিল কাশ্মীরের ৪৮টি পর্যটনস্থল, একবছর পর এখন কী অবস্থা সেখানে?
Pahalgam Latest Update: পহেলগাঁও হামলার পরে নিরাপত্তাজনিত কারণে সরকারের তরফ থেকে জম্মু ও কাশ্মীরে ৪৮টি পর্যটন স্পট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। আজ, সেই পর্যটন স্থানগুলির মধ্যে ৩৯টি খোলা হয়েছে। এখনও বন্ধ রয়েছে ৯টি পর্যটনস্থল।
Pahalgam Latest Update: একবছর আগে আজকের দিনেই পহেলগাঁওতে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছিল। এরপরই নিরাপত্তাজনিত কারণে সরকারের তরফ থেকে জম্মু ও কাশ্মীরে ৪৮টি পর্যটন স্পট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। আজ, সেই পর্যটন স্থানগুলির মধ্যে ৩৯টি খোলা হয়েছে। এখনও বন্ধ রয়েছে ৯টি পর্যটনস্থল। যে বৈসরণ উপত্যকায় হত্যালীলা চলেছিল, সেটি এখনও বন্ধ রয়েছে। এমনকী স্থানীয়দেরও সেখানে যাওয়ার অনুমতি নেই। পহেলগাঁও শহর থেকে বৈসারণের সেই তৃণভূমি পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার রাস্তায় এক ডজনেরও বেশি সিআরপিএফ এবং পুলিশ কর্মী পাহারা দিয়ে থাকেন।

পহেলগাঁও পুলিশ জানাচ্ছে, যতদিন না বৈসারণ উপত্যকা সবার জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে, ততদিন সেখানে যাতে কেউ যেতে পারে, তা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। তবে বাকি পহেলগাঁও পর্যটকদের জন্য খোলা। তবে পহেলগাঁও রিসর্টগুলিতে পর্যটক এবং অন্যান্য পরিষেবা প্রদানকারীদের পরিচয় যাচাইয়ের প্রক্রিয়া আরও জোরদার করা হয়েছ। পহেলগাঁওতে সমস্ত পর্যটন পরিষেবা প্রদানকারীদের শনাক্ত করতে কিউআর কোড ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। পুলিশি যাচাইকরণের পরে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে এই কিউআর কোড প্রদান করা হয়েছে। তাতে স্ক্যান করলেই উল্লেখিত পরিষেবা প্রদানকারী বা ব্যবসায়ীর তথ্য জানা যাবে।
এদিকে কাশ্মীরের শ্রীনগরের বিখ্যাত টিউলিপ বাগান, সোনমার্গ, বাদামওয়ারি বাগানের মতো জায়গাগুলি পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। এই সব জায়গাতেই অবশ্য প্রচুর নিরাপত্তার বন্দোবস্ত রয়েছে। পুলিশ এবং সিআরপিএফ জওয়ানরা পর্যটনস্থলগুলির রাস্তায় টহল দিচ্ছেন। গোয়েন্দা তথ্য আদানপ্রদান করা হচ্ছে পুলিশের সঙ্গে। এমনকী বারামুল্লার ড্রাং তাংমার্গও খোলা হয়েছে পর্যটকদের জন্য। সেখানে বুলেটপ্রুফ বাঙ্কারে নিরাপত্তারক্ষীরা মোতায়েন থাকেন সর্বক্ষণ। তাংমার্গ থেকে গুলমার্গ পর্যন্ত ১৩ কিলোমিটার রাস্তায় পাঁচটি চেকিং পয়েন্ট স্থাপন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা ধর্ম জিজ্ঞেস করে ২৫ জন পর্যটক এবং এক স্থানীয়কে খুন করে। সেদিন নিরাপত্তাবাহিনীর ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে প্রায় আধ ঘণ্টা সময় লেগেছিল। ততক্ষণে হত্যালালী চালিয়ে পালিয়ে গিয়েছিল পাকিস্তানি জঙ্গিরা। পরে জানা গিয়েছিল, ধর্ম জিজ্ঞেস করে করে পর্যটকদের খুন করা হয়েছিল পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে।
এই জঙ্গি হামলার জবাবে ভারত ৬ মে গভীর রাতে বাহাওয়ালপুর, মুরিদকে সহ পাকিস্তানের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করে দেয়। সেই অভিযানে প্রায় ১০০ জন জঙ্গিকে খতম করে ভারত। আর এরপর থেকেই পাকিস্তানের তরফ থেকে শেলিং শুরু হয় ভারতের ওপর। অপারেশন সিঁদুর পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানের শেলিংয়ে ভারতের অন্তত ১৬ জন নাগরিকের মৃত্যু ঘটে। এরপর সংঘাত বাড়তে থাকে দুই দেশের। ১০ মে-র ভোররাতে এরপর ভারতীয় বায়ুসেনা হামলা চালিয়ে পাকিস্তানের ১১টি সামরিক ঘাঁটি অকেজো করে দেয়।
এই সময়কালে পাকিস্তানের এফ-১৬ এবং জেএফ-১৭ শ্রেণির যুদ্ধবিমান সহ পাঁচটি জেট ভারত ধ্বংস করেছিল মাঝ আকাশের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের রাডার, কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার, হ্যাঙ্গার এবং রানওয়ে ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ভারতের হামলায়। পাকিস্তানের একটি সি-১৩০ শ্রেণির বিমানও ধ্বংস করা হয়েছিল এই সংঘাতের সময়। এছাড়া ৩০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূর থেকে একটি AEW&C বা একটি SIGINT বিমান ধ্বংস করেছিল ভারতীয় বায়ুসেনা। তাছাড়া বায়ুসেনা ঘাঁটিতে থাকা পাকিস্তানের আরও বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ভারতের মিসাইলের আঘাতে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


