Pakistan Army Latest Update: রাওয়ালপিন্ডিতে ছয় মাসের জন্য সেনা মোতায়েনের অনুমতি দিল পাকিস্তান সরকার। 'সংবেদনশীল নিরাপত্তা সংক্রান্ত দায়িত্ব' পালনের জন্য সেই পদক্ষেপ করা হয়েছে পাকিস্তান সরকারের তরফে জানানো হয়েছে। আর সেই বিষয়টি নিয়ে হইচই শুরু হয়েছে। কারণ রাওয়ালপিন্ডি সার্বিকভাবে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সংবেদনশীল জায়গা। সেখানে পাক সেনার জেনারেল হেডকোয়ার্টার আছে। তাছাড়াও পাকিস্তানি বায়ুসেনার নুর খান বায়ুঘাঁটি, রাওয়ালপিন্ডি ক্যান্টনমেন্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান আছে রাওয়ালপিন্ডি ও সংলগ্ন এলাকায়। যে নুর খান বায়ুঘাঁটিতে অপারেশন সিঁদুরের সময় একেবারে নিখুঁতভাবে আক্রমণ করেছিল ভারত।
রাওয়ালপিন্ডিতে নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ

যদিও রাওয়ালপিন্ডিতে সেনা মোতায়েনের সঙ্গে অভ্যন্তরীণ বিষয় জড়িত আছে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। কারণ ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর পরে। অভিযোগ উঠেছে, পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের সঙ্গে যোগ থাকা ওই ব্যক্তি গুলি চালিয়েছিলেন। পালটা গুলিতে তাঁর মৃত্যু হয়।
আরও পড়ুন: Tarique Rehman India Visit : তারেকের ভারত সফর কি হবে? রাষ্ট্রপতি ভবনের বার্তায় জল্পনার পারদ চড়ছে!
পাকিস্তানের সরকারি সংবাদমাধ্যম পিটিভিকে উদ্ধৃত করে সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আততায়ী নাকি খাইবার জেলার বাসিন্দা ছিলেন। আর ইমরানের দলের সক্রিয় সদস্য ছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে পিটিভির রিপোর্টে। সেইসঙ্গে পিটিভির প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ধৃতের থেকে পিটিআইয়ের পতাকা, বুলেট এবং অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: MEA: 'আমাদের অনুরোধ সত্ত্বেও...,' পাক হাইকমিশনে 'tit-for-tat’ নীতির ব্যাখ্যা ভারতের
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: MEA: 'আমাদের অনুরোধ সত্ত্বেও...,' পাক হাইকমিশনে 'tit-for-tat’ নীতির ব্যাখ্যা ভারতের
{{/usCountry}}যদিও পুরো ঘটনা থেকে নিজেদের দূরত্ব তৈরি করেছে ইমরানের দল। পিটিআইয়ের তরফে দাবি করা হয়েছে, সন্ত্রাসবাদ বা জঙ্গিবাদের সঙ্গে তাদের কোনও সম্পর্ক নেই। অহেতুক ওই ঘটনার সঙ্গে পিটিআইকে জড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে ইমরানের দলের তরফে।
পাকিস্তান সরকারের তরফে কী বলা হয়েছে?
তারইমধ্যে পাকিস্তান সরকারের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলা হয়েছে, ‘পাকিস্তানের সংবিধানের ২৪৫ অনুচ্ছেদের আওতায় প্রদত্ত ক্ষমতার আওতায় ফেডারেল সরকার রাওয়ালপিন্ডিতে স্পর্শকাতর নিরাপত্তা দায়িত্ব পালনের জন্য পাকিস্তান সেনাবাহিনীর তিনটি কোম্পানি মোতায়েনের অনুমোদন প্রদান করেছে।’
সেইসঙ্গে ইসলামাবাদের তরফে বলা হয়েছে, ‘কোনও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে এবং জেলা প্রশাসনের চাহিদা অনুযায়ী যে কোনও অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতিতে কার্যকরভাবে সাড়া দেওয়ার লক্ষ্যে' এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।