Pakistan Import from India: বছরের প্রথম তিন মাসেই ভারতের থেকে পাকিস্তানের আমদানির পরিমাণ বেড়েছে ৬৮.৯ শতাংশ। সেখানে পাকিস্তানের থেকে কিছুই আমদানি করেনি ভারত। স্টেট ব্যাঙ্ক অফ পাকিস্তানের রিপোর্ট উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের প্রথম তিন মাসে (জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর) ভারতের থেকে ৬১.৭৪ মিলিয়ন ডলারের (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৫৮৭ কোটি টাকা) আমদানি করেছে ইসলামাবাদ। গত বছর এই সময় আমদানির অঙ্কটা ছিল ৩৬.৫৫ মিলিয়ন ডলার। সেখানে প্রথম অর্থবর্ষে ভারত কিছুই আমদানি করেনি পাকিস্তান থেকে।
পাকিস্তানের বাণিজ্য ঘাটতি বেড়েছে ২৬.৬২ শতাংশ
সার্বিকভাবে চলতি অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকে এশিয়ার ন'টি দেশের (ভারত, আফগানিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ, ইরান, বাংলাদেশ এবং চিন) সঙ্গে পাকিস্তানের বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ লাফিয়ে বেড়েছে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্টেট ব্যাঙ্ক অফ পাকিস্তানের রিপোর্টে জানানো হয়েছে যে প্রথম তিন মাসে বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ ২৬.৬২ শতাংশ বেড়ে ৪.৯৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে গিয়েছে। যা গত বছর একই সময় ছিল ৩.৯৩ বিলিয়ন ডলার।
সার্বিকভাবে পাকিস্তানের আমদানি ও রফতানির হাল কী?
বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কার মতো দেশে রফতানির পরিমাণ কমেছে পাকিস্তানের। আর গত বছর অক্টোবর থেকে আফগানিস্তান কিছু নিচ্ছে না। সেই পরিস্থিতিতে সার্বিকভাবে প্রথম ত্রৈমাসিকে পাকিস্তানের রফতানির পরিমাণ কমে ৯৪৪.২৪ মিলিয়ন ডলারে ঠেকেছে বলে ওই রিপোর্টে জানানো হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, গত অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকে পাকিস্তানের রফতানির পরিমাণ ১.০১ বিলিয়ন ডলার ছিল। সেখান এবার আমদানির পরিমাণ ১০.৭৯ শতাংশ বেড়ে পৌঁছে গিয়েছে ৫.৯২ বিলিয়ন ডলারে। যা গত বছর ছিল ৪.৯৪ বিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশের সঙ্গে কী অবস্থা পাকিস্তানের?
{{/usCountry}}বাংলাদেশের সঙ্গে কী অবস্থা পাকিস্তানের?
{{/usCountry}}স্টেট ব্যাঙ্ক অফ পাকিস্তানের রিপোর্ট উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, চলতি অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকে বাংলাদেশে ১৭৪.৭৭ মিলিয়ন ডলারের রফতানি করেছে ইসলামাবাদ। যা গত বছরের একই সময়ের থেকে ২.৯৬ শতাংশ কম। গত বছর রফতানির অঙ্কটা ছিল ১৮০.১২ মিলিয়ন ডলার।
অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকে আমদানির পরিমাণ একধাক্কায় কমিয়ে দিয়েছে পাকিস্তান। গত বছর জুলাই-সেপ্টেম্বর ত্রৈমাসিকে যেখানে আমদানির পরিমাণ ছিল ২১.৭৩ মিলিয়ন ডলার, এবার সেটা কমে দাঁড়িয়েছে ১৩.৮৮ মিলিয়ন ডলারে। অর্থাৎ একধাক্কায় বাংলাদেশ থেকে ৩৬.১১ শতাংশ আমদানি কমিয়ে দিয়েছে ইসলামাবাদ। আবার চিনের থেকে আমদানির পরিমাণ একধাক্কায় বেড়েছে।