Pakistan Submarine fires Missile: আরব সাগরে ‘আধুনিক’ সাবমেরিন থেকে মিসাইল ছুড়ল পাকিস্তান! আরও চিন্তা বাড়ল ভারতের
Pakistan Submarine fires Missile: উত্তর আরব সাগরে আধুনিক AIP সাবমেরিন থেকে মিসাইল ছোড়ার পরীক্ষা করা হয়েছে বলে দাবি করল পাকিস্তান নৌসেনা। যা ভারতের চিন্তা কিছুটা হলেেও বাড়িয়ে তুলল। জার্মানির সঙ্গে সাবমেরিন চুক্তি হয়নি এখনও।
Pakistan Submarine fires Missile: উত্তর আরব সাগরে সাবমেরিন থেকে মিসাইল ছোড়ার পরীক্ষা করল পাকিস্তান। অন্তত তেমনটাই পাকিস্তানি নৌসেনা দাবি করেছে বলে সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, রবিবার পাকিস্তানের তরফে দাবি করা হয়েছে যে চিনের তৈরি AIP (এয়ার ইন্ডিপেন্ডেন্ট প্রপালশন) সাবমেরিন থেকে পরীক্ষামূলকভাবে ক্রুজ মিসাইল ছোড়া হয়। তাতে মিলেছে সাফল্যও।

যে মিসাইল চিনা ওয়াইজে-১৮ হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। ভারতীয় প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের সূত্র উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, যে মিসাইলের কোনও কোনও ভ্যারিয়েন্টের পাল্লা ৫৪০ কিলোমিটার বলেও করা হয়ে থাকে। যদিও পাকিস্তান কোন ভ্যারিয়েন্টের মিসাইল ছুড়েছে, তা অবশ্য স্পষ্ট নয়।
ভারতের জন্য চিন্তা কারণ এই AIP সাবমেরিন
শেষপর্যন্ত পাকিস্তান যে মিসাইলই পরীক্ষামূলকভাবে ছুড়ে থাকুক না কেন, বিষয়টা ভারতের জন্য যথেষ্ট চিন্তার। কারণ চিন থেকে পাকিস্তান যে আটটি হাঙর শ্রেণির সাবমেরিন নিচ্ছে, তার প্রথমটা গত এপ্রিলেই কমিশনিং হয়ে গিয়েছে। আর জুনে পৌঁছে গিয়েছে করাচিতে। তাতে যে এয়ার ইন্ডিপেন্ডেন্ট প্রপালশন আছে, সেটার কারণে টানা দুই থেকে তিন সপ্তাহ জলের তলায় থাকতে পারে সাবমেরিন। কয়েকদিন ছাড়া-ছাড়া জলের উপরে উঠে ব্যাটারি রিচার্জ করার দরকার হয় না। ফলে সেই AIP ধরনের সাবমেরিন চিহ্নিত করা যথেষ্ট কঠিন কাজ।
ভারতের সাবমেরিনের বহর আহামরি নয়
সেখানে ভারতের সাবমেরিনের বহর যথেষ্ট চাপের মুখে আছে। একাধিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতের হাতে বর্তমানে ১৬টি চিরাচরিত ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিন আছে। আগামিদিনে ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (ডিআরডিও) তৈরি করা নিজস্ব AIP সিস্টেম যুক্ত করা হবে ছ'টি সাবমেরিনে। কিন্তু ভারতের স্বপ্নের যে AIP সাবমেরিন প্রকল্প, তা দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে ছিল।
জার্মানির সঙ্গে AIP সাবমেরিনের চুক্তি
সূত্রের খবর, অনেকদিন ধরে সেই প্রকল্প আলোচনা চলেছে। কিন্তু শেষপর্যন্ত সেটা দিনের আলোর দেখতে পায়নি। গত মে'তে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের অনুমোদন পাওয়ার পরে ভারতীয় নৌসেনা কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। এবার নিরাপত্তা বিষয়ক ক্যাবিনেট কমিটির অনুমোদন পেলেই চুক্তি স্বাক্ষর হয়ে যাবে। আপাতত ভারতের চূড়ান্ত সংকেতের অপেক্ষায় আছে বলে জানিয়েছেন ভারতে নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত জ্যাসপার উইক।
কতদিন পরে মিলবে অত্যাধুনিক সাবমেরিন?
দিনকয়েক আগেই তিনি জানান, ভারতের সঙ্গে সাবমেরিন চুক্তি স্বাক্ষর করতে মুখিয়ে আছে জার্মানি। অপেক্ষা করা হচ্ছে নয়াদিল্লির চূড়ান্ত সবুজ সংকেতের। যে চুক্তি হতে চলেছে, তা শুধুমাত্র ক্রেতা এবং বিক্রেতার সমঝোতা হবে না। ব্যাপারটা এরকম হবে না যে ভারতের জন্য সাবমেরিন তৈরি করে দিচ্ছে জার্মান সংস্থা থিসেনক্রুপ মেরিন সিস্টেমস। বরং এই চুক্তির হাত ধরে প্রযুক্তি হস্তান্তর হবে। আর ভারতেই ছ'টি AIP সাবমেরিন তৈরি করা হবে।
বিষয়টির সঙ্গে অবহিত আধিকারিকরা জানিয়েছেন, আপাতত যা ঠিক আছে, তাতে জার্মান সংস্থার সঙ্গে হাত মিলিয়ে মুম্বইয়ে সাবমেরিন তৈরি করবে মাজগাঁও ডক শিপবিল্ডার্স লিমিটেড। চুক্তি স্বাক্ষরের সাত বছরের পরে ভারতীয় নৌসেনার হাতে প্রথম সাবমেরিন তুলে দেওয়া হবে। বাকি পাঁচটি সাবমেরিন দেওয়া হবে পরবর্তী পাঁচ বছর ধরে। প্রতিটি বছর একটি সাবমেরিন পাবে নৌসেনা।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


