Indian on Pakistan and OIC Meeting: পাকামি দেখাতে গিয়ে রাষ্ট্রসংঘে ভারতের কাছে বেআব্রু হয়ে ফিরল পাকিস্তান। ভারতীয় কূটনীতিবিদ ক্ষিতিজ ত্যাগী বলেন, ‘অন্য দেশের ভূখণ্ড দখলের আকাঙ্ক্ষা বা সন্ত্রাসবাদ ছড়ানোর পরিবর্তে উন্নয়নের দিকে মনোযোগ আরোপ করে নিজের দেশের জনগণের জন্য বেশি করে কল্যাণকর কাজ করতে পারবে পাকিস্তান। কারণ এসব কাজকর্ম করে অথবা রাষ্ট্রসংঘের পরিষদে (রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কমিশন) নাটক করে ঋণ পরিশোধ করতে পারবে না পাকিস্তান। যে ঋণের উপরে পাকিস্তানের অর্থনীতি টিকে আছে।’
PoK-তে অসংখ্য সাধারণ মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে

সেই রেশ ধরে পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরে ইসলামাবাদ যে কী ভয়াবহ নিপীড়ন চালাচ্ছে, তাও তুলে ধরেছেন ভারতীয় কূটনীতিবিদ। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, অসংখ্য সাধারণ নাগরিককে হত্যা করা হচ্ছে। ওষুধ যেতে দেওয়া হচ্ছে না। ওষুধের জোগান বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
আর ভারতের কূটনীতিবিদ যা বলেছেন, ঠিক সেটাই বলেছেন রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার। চলতি মাসের গোড়ার দিকে জেনেভায় মানবাধিকার কাউন্সিলের ৬৩ তম অধিবেশনে রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্কের বলেন, ‘পাকিস্তানে বিক্ষোভ দমন করতে প্রশাসন অত্যধিক প্রাণঘাতী বলপ্রয়োগ এবং নির্বিচারে আটকের পথ বেছে নিয়েছে। (সেখানে) ভারতে সম্প্রতি যে ছাত্র বিক্ষোভ বা আন্দোলন (ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন) হয়েছে, তাতে দেখা গিয়েছে যে বাড়তি বলপ্রয়োগের পরিবর্তে যুবপ্রজন্মের সঙ্গে আলোচনা করাই হল শ্রেষ্ঠ পন্থা।’
কাশ্মীরের অসংখ্য মুসলিমকে হত্যা করেছে পাকের মদতপুষ্ট জঙ্গিরা
রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যে দেশের প্রশংসা করেন, সেই দেশের কূটনীতিবিদ পাকিস্তানের আরও একটা স্বরূপ তুলে ধরেছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, কাশ্মীরি পণ্ডিতদের নিজেদের বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছিল যে জঙ্গিরা, তাদের অস্ত্র জুগিয়েছিল পাকিস্তান। তাদের প্রশিক্ষণ দিত ইসলামাবাদ। আর সেই জঙ্গিরাই প্রত্যেক ধর্মের কাশ্মীরিকে হত্যা করেছে। মৃতদের মধ্যে অনেকেই যে মুসলিম, সেটাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন ভারতীয় কূটনীতিবিদ।
{{/usCountry}}রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যে দেশের প্রশংসা করেন, সেই দেশের কূটনীতিবিদ পাকিস্তানের আরও একটা স্বরূপ তুলে ধরেছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, কাশ্মীরি পণ্ডিতদের নিজেদের বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছিল যে জঙ্গিরা, তাদের অস্ত্র জুগিয়েছিল পাকিস্তান। তাদের প্রশিক্ষণ দিত ইসলামাবাদ। আর সেই জঙ্গিরাই প্রত্যেক ধর্মের কাশ্মীরিকে হত্যা করেছে। মৃতদের মধ্যে অনেকেই যে মুসলিম, সেটাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন ভারতীয় কূটনীতিবিদ।
{{/usCountry}}মুসলিম দেশগুলির সংগঠনকে ‘ডোজ’ দিল ভারত
তিনি যখন রাষ্ট্রসংঘে এরকমভাবে পাকিস্তানের মুখোশ খুলে দিচ্ছেন, তারইমধ্যে মুসলিম দেশগুলির সংগঠন অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক কো-অপারেশনকে (ওআইসি) ঝেড়ে কাপড় পরিয়ে দিয়েছে ভারত। রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের মধ্যেই নিউ ইয়র্কে পাকিস্তান, তুরস্ক-সহ ওই সংগঠনের কয়েকটি দেশ বৈঠক করে। আর তারপরই ভারতের তরফে একেবারে তুলোধনা করেছে ওই গোষ্ঠীকে।
ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের তরফে কড়া ভাষায় বলা হয়েছে, ‘ভারতের একান্ত অভ্যন্তরীণ বিষয়ে জ্ঞান দেওয়ার জানানোর কোনও আইনি এক্তিয়ার নেই ওআইসির। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখের পুরো অংশই ভারতের অখণ্ড এবং অবিচ্ছেদ্য এলাকা। যতই রাজনৈতিক মনোভাবাপন্ন মিথ্যাচার ছড়ানো হোক না, তাতে সেই বাস্তবটা পালটে যায় না।’ সেইসঙ্গে নয়াদিল্লি বলেছে যে পাকিস্তানকে মিথ্যাচার ছড়ানোর সুযোগ না দিয়ে ইসলামাবাদকে ঠিক পথে আসার পরামর্শ দিলে সেটা ওআইসির পক্ষে ভালো হবে।