Parliament Special Session Number Game: লোকসভায় প্রায় ৬০, রাজ্যসভায় ২০-র মতো চাই, মহিলা বিল নিয়ে 'নম্বর গেমে' মোদী সরকার
Parliament Special Session Number Game: সংসদের বিশেষ অধিবেশনে নম্বরের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে চলেছে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার। আজ থেকে সংসদের যে তিনদিনের বিশেষ অধিবেশন শুরু হতে চলেছে, তাতে নরেন্দ্র মোদী সরকার একসঙ্গে তিনটি বিল পেশ করতে চলেছে বলে সূত্রের খবর।
Parliament Special Session Number Game: সংসদের বিশেষ অধিবেশনে নম্বরের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে চলেছে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার। আজ থেকে সংসদের যে তিনদিনের বিশেষ অধিবেশন শুরু হতে চলেছে, তাতে নরেন্দ্র মোদী সরকার একসঙ্গে তিনটি বিল পেশ করতে চলেছে বলে সূত্রের খবর। ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনেই নয়া মহিলা আসন সংরক্ষণ আইন প্রণয়ন করতেই মোদী সরকার সেই ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’ আনছে। যে বিলের মাধ্যমে আইনসভায় মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ থাকব)। সেই বিলের সঙ্গে ১৩১ তম সংবিধান সংশোধনী বিল পেশ করা হতে পারে। তার ফলে লোকসভার আসন সংখ্যা ৫৪৩ থেকে বেড়ে পৌঁছে যেতে পারে ৮৫০-তে।

বিল পাশ ও সরকারের নম্বর ‘গেম’
যে তিনটি বিল (সংবিধানের ১৩১ তম সংশোধনী, সীমানা পুনর্বিন্যাস বা ডিলিমিটেশন বিল এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের আইন সংক্রান্ত সংশোধনী বিল) পেশ করা হবে, তার মধ্যে শেষের দুটি হল সাধারণ বিল। ফলে সেগুলি পাশ করার জন্য স্রেফ সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রয়োজন। কিন্তু সংবিধান সংশোধনী বিল পাশ করার জন্য সংসদে উপস্থিত এবং ভোট দেওয়া সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন হবে। বিরোধীরা ওয়াক-আউট করলে সংখ্যাগরিষ্ঠতার সংখ্যা কমে আসতে পারে।
১) লোকসভায় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার অর্থ হল ৩৬২। কিন্তু বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএয়ের কাছে ৩০০ জনের নীচে আছে। এর অর্থ এখনও ৬০-র মতো অতিরিক্ত ভোটের প্রয়োজন।
২) রাজ্যসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার ম্যাজিক নম্বর হল ১৬০-র বেশি। এনডিএয়ের হাতে ১৪০-র সামান্য বেশি আছে। ফলে আরও সহায়তা দরকার।
সরকার বনাম বিরোধী পক্ষ
আর সেই সমর্থন জোগাড় সহজ হবে না। বিরোধীদের বক্তব্য, তারা মহিলা সংরক্ষণ বিল সমর্থ।, তবে সরকারের সীমানা পুনর্নির্ধারণ এবং এটিকে ২০২৯ সালের নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত করার কারণে এই বিলগুলির বিরোধিতা করতে বাধ্য হয়েছে। ২০১১ সালের আদমশুমারির উপর ভিত্তি করে আসনগুলি পুনরায় নির্ধারণ করা হলে কেবল এনডিএকে উপকৃত করবে। সেইসঙ্গে দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলির সংসদীয় ক্ষমতা হ্রাস করতে পারে এবং তাদের প্রান্তিক দিকে ঠেলে দিতে পারে।
আরও পড়ুন: Bangladesh:মব সন্ত্রাস নিয়ে ইউনুস আমলকে খোঁচা তারেকের উপদেষ্টার! ওদিকে, দীপু দাস খুনে অভিযুক্তকে…
রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেছেন যে মোদী সরকার নিজেদের ফায়দা লুটতে ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনেই আসনের পুনর্বিন্যাস করার পরিকল্পনা করছে। এই বিলটি সাংবিধানিক সুরক্ষাগুলি সরিয়ে দেয় এবং সরকার নিযুক্ত কমিশনকে পূর্ণ ক্ষমতা দেয়। যদিও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেছেন যে কোনও দলই নীতিগতভাবে মহিলা সংরক্ষণের বিরোধিতা করছে না এবং সকলেই এই ভাবনা নিয়ে একজোট রয়েছেন।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


