Flier jumps off from plane: মাঝ আকাশে দু'বার বমি! চলন্ত বিমান থেকে ঝাঁপ যাত্রীর, হুলুস্থূল চেন্নাই এয়ারপোর্টে

Flier jumps off from plane: বিমান কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, অবতরণের কিছুক্ষণ পরই যখন বিমানটি মূল রানওয়ে থেকে বেরিয়ে ট্যাক্সিওয়েতে ওঠে, ঠিক সেই সময় আপৎকালীন দরজা খুলে ঝাঁপ দেন যুবক।

Published on: May 3, 2026, 18:13:06 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Flier jumps off from plane: শারজাহ-চেন্নাই এয়ার অ্যারাবিয়া ফ্লাইটে ঘটল চাঞ্চল্যকর ঘটনা। রবিবার ভোরে চেন্নাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের ঠিক পরপর বিমানের জরুরি নির্গমন (ইমারজেন্সি এক্সিট) দরজা খুলে সোজা ঝাঁপ দিলেন এক ব্যক্তি। কেউ কিছু বোঝার আগেই গোটা ঘটনা ঘটে যায়। আর সাত সকালে এমন ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ায় বিমানবন্দরে। তীব্র আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বিমানের অন্যান্য যাত্রীরা।

হুলুস্থূল চেন্নাই এয়ারপোর্টে (সৌজন্যে টুইটার)
হুলুস্থূল চেন্নাই এয়ারপোর্টে (সৌজন্যে টুইটার)

বিমান কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, অবতরণের কিছুক্ষণ পরই যখন বিমানটি মূল রানওয়ে থেকে বেরিয়ে ট্যাক্সিওয়েতে ওঠে, ঠিক সেই সময় আপৎকালীন দরজা খুলে ঝাঁপ দেন যুবক। এই অপ্রত্যাশিত ঘটনায় কেবিনের ভিতরে চাঞ্চল্য তৈরি হয় এবং সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। একজন সিনিয়র বিমানবন্দর আধিকারিক জানান, 'হ্যাঁ, বিমানটি তখনও ধীরে চলছিল, সেই অবস্থাতেই তিনি লাফ দেন। কোনও প্রাণহানি হয়নি বা বিমানের কোনও ক্ষতিও হয়নি।' তিনি আরও জানান, ঘটনাটি মূল রানওয়েতে নয়, ট্যাক্সিওয়েতে ঘটে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পাওয়া প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ওই যাত্রী ফ্লাইট চলাকালীন অসুস্থ বোধ করছিলেন।

এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, 'তিনি বমি বমি ভাবের অভিযোগ করেছিলেন এবং বিমানের মধ্যে দু’বার বমিও করেছেন।' তার শারীরিক অবস্থাই এই আচরণের কারণ হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হয়েছে। জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তি ঝাঁপিয়ে পড়ার পর, সঙ্গে সঙ্গে বিমানবন্দরে মোতায়েন গ্রাউন্ট সিকিওরিটিকে সতর্ক করেন পাইলট। খবর দেওয়া হয় সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স (সিআইএসএফ)-কে। বিমান থেকে ঝাঁপিয়ে পড়া যাত্রীকে তাঁরা উদ্ধার করেন। তাঁকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে তাঁকে। ওই ঘটনার পর বিমানবন্দরের পরিষেবা ব্যাহত হয় কিছুক্ষণের জন্য। আধিকারিকরা জানান, ভোররাত ৩.২৩ থেকে ৪.২৩ পর্যন্ত মূল রানওয়ে বন্ধ রাখা হয়েছিল। দ্বিতীয় রানওয়ে দিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল সব বিমানকে। সতর্কতামূলক ভাবেই ওই পদক্ষেপ করা হয়। যদিও ওই যাত্রীর পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। তবে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ওই ব্যক্তি তামিলনাড়ুর পুদুক্কোট্টাইয়ের বাসিন্দা হতে পারেন। যদিও তাঁর নাম-পরিচয় জানা যায়নি। ইতিমধ্যে নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে সৌভাগ্যবশত, এই ঘটনায় ওই যাত্রী প্রাণ হারাননি এবং বিমানেরও কোনও ক্ষতি হয়নি। বর্তমানে বিমানবন্দরের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।