...
...
Next Story

Virat Kohli on ODI World Cup 2027: ‘১ দিনেই ২.৫ খানা T20 ম্যাচ যেন….’, তাহলে ODI বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে দোটানায় বিরাট?

Virat Kohli on ODI World Cup 2027: ২০২৭ সালের একদিনের বিশ্বকাপ যখন হবে, তখন বিরাট কোহলির বয়স প্রায় ৩৯ হয়ে যাবে। আর কয়েকদিন পরেই ৩৮ বছরে পা দেবেন। সেই বিরাট জানালেন, ODI ম্যাচ মানে ‘একদিনেই ২.৫ খানা T20 ম্যাচ যেন….।’

Published on: Sep 26, 2026, 14:37:14 IST
Advertisement

Virat Kohli on ODI World Cup 2027: পেশাদার কেরিয়ারের প্রথম বিশ্বকাপ জিতেছিলেন। আর কেরিয়ারের শেষ বিশ্বকাপটাও জিততে চান বলে জানিয়ে দিলেন বিরাট কোহলি। ভারতের তারকা ক্রিকেটার জানালেন, ২০২৭ সালেই ভারতের হয়ে শেষ বিশ্বকাপ খেলবেন। আর সেটা যে শুধু খেলার জন্য খেলবেন না, সেটা আলাদা করে বলে দেওয়ার মতো লোক নন বিরাট। বরং নয়া টি-টোয়েন্টির তীব্রতার সঙ্গে আরও ভালোভাবে মানিয়ে নিয়ে ২০২৭ সালের একদিনের বিশ্বকাপ জেতার জন্য ইতিমধ্যে নিজেকে তৈরি করতে শুরু করে দিয়েছেন ভারতীয় তারকা।

একদিনে আড়াই খানা T20 ম্যাচ যেন, বলছেন বিরাট

ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের আগে প্রস্তুতিতে বিরাট কোহলি। (ছবি সৌজন্যে BCCI)
ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের আগে প্রস্তুতিতে বিরাট কোহলি। (ছবি সৌজন্যে BCCI)

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজ শুরুর আগে জিয়োস্টারে বিরাট বলেছেন, ‘৫০ ওভারের বিশ্বকাপের তীক্ষ্ণতা অন্য যে কোনও কিছুর থেকে অনেক বেশি। কারণ এক্ষেত্রে টি-টোয়েন্টি ম্যাচের মতো তীব্রতা নিয়ে টানা ১০টি ম্যাচ খেলতে হয়। অথচ আপনি একদিনেই যেন আড়াইটে টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলছেন। আর একটি বড় টুর্নামেন্ট এবং বিশ্বকাপে টানা ১০টি ম্যাচের জন্য সেই একই তীব্রতা বজায় রাখাটা সত্যিই অনেক বড় ব্যাপার।’

আরও পড়ুন: Indian Missile Export and Fighter Jet: বিদেশিদের থেকে ৭৫% কম দাম! ভারতের মিসাইল কাঁপাচ্ছে বাজার, দেশেই আরও ফাইটার জেট

বিরাটের ক্ষেত্রে সেই তীক্ষ্ণতা কোনও ফ্যাক্টরই হবে না

তবে মাসখানেকের মধ্যে ৩৮ বছরে পা দিতে চলা ভারতীয় তারকার কাছে সেটা বড় ব্যাপার নয়। কারণ বিরাট মানেই মাঠে সমস্ত প্রাণের সঞ্চার থাকা। দিনের প্রথম বল হোক বা শেষ হোক - বিরাট সবসময় নিজের সবটা উজাড় করে দিয়েছেন। তাই ৩৮ বছর হতে চলা এবং ৩৯ বছরে বিশ্বকাপে খেলা কোন খেলোয়াড়ের মধ্যে সবথেকে বেশি তীক্ষ্ণতা থাকতে পারে বলে প্রশ্ন করা হয়, সেক্ষেত্রে নিঃসন্দেহে বিরাটের নামটাই প্রথম মাথায় আসবে।

বিরাট অবশ্য সেইসব ভাবতে চান না। বরং নিজের তীক্ষ্ণতা এবং ফিটনেসে জোর দেওয়ার পাশাপাশি আফ্রিকার পরিবেশের বিষয়টিও মাথায় আছে ভারতীয় তারকার। তাঁর কথায়, ‘এবার বিদেশি পরিবেশে খেলা হবে। যা আপনার থেকে অনেক কিছু নিংড়ে নেয়। ভারতের হয়ে আমি এটাই শেষ বিশ্বকাপ খেলব। সেটাই আমার সবথেকে বড় অনুপ্রেরণা বা মোটিভেশন। মানে মাঠে নিজের সবকিছু উজাড় করে দেওয়া হয়। আর অবশ্যই আসল লক্ষ্যটা হল বিশ্বকাপ জেতা। সেটার জন্য যা কিছু করতে হয়, তা করতে আমি পুরোপুরি তৈরি।’

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks