CJP Abhijeet Dipke on Modi: ‘মোদী আমেরিকার ভোটেও জিততে পারেন…’, দাবি CJP-র অভিজিৎ দীপকের, দিলেন আরও ৩ শর্ত
CJP Abhijeet Dipke on Modi: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র ‘মোদী আমেরিকার ভোটেও জিততে পারেন….', বলে দিলেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। যিনি নয়া যে দাবি করেছিলেন, তার সঙ্গে আরও তিনটি শর্ত যোগ করলেন।
CJP Abhijeet Dipke on Modi: জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের পাশাপাশি আরও তিনটি দাবি তুলল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। শুক্রবার মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কে জ্ঞানেশের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করার আগেরদিন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে দাবি করেছেন, অবিলম্বে ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা (এসআইআর) স্থগিত করে দিতে হবে। পাশাপাশি মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা শুরু করার দাবি তুলেছেন দীপকেরা। সেইসঙ্গে তিনি কটাক্ষ করে বলেছেন যে যদি এসআইআরের মাধ্যমে নির্বাচন হয় আমেরিকায়, তাহলে সেখানেও নরেন্দ্র মোদীরা জিতে যাবেন।
গণতন্ত্রকে বাঁচানোর জন্য আন্দোলন, দাবি ককরোচ জনতা পার্টির
সিজেপির প্রতিষ্ঠাতার কথায়, ‘মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হিসেবে অভিহিত হওয়ার যোগ্য নন জ্ঞানেশ কুমার। উনি দেশের সবথেকে বড় গদ্দার। ওঁর ইস্তফার দাবিতে কাল থেকে আমাদের দেশব্যাপী আন্দোলন শুরু হবে। দেশবাসীর কাছে আর্জি জানাচ্ছি যে যত বেশি সংখ্যায় যেন আমাদের আন্দোলনে যোগ দেন। কারণ দেশের গণতন্ত্রকে বাঁচানোর জন্য আন্দোলন করা হচ্ছে।’
CJP-র তরফে কোন ৪ দাবি তোলা হয়েছে?
১) মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদ থেকে জ্ঞানেশকে ইস্তফা দিতে হবে।
২) জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা শুরু করতে হবে।
৩) ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা (এসআইআর) স্থগিত করতে হবে। আর ২০২৫ সালের জানুয়ারির ভোটার তালিকার পুনর্বহাল করতে হবে।
৪) ২০২৩ সালের আইন বাতিল করতে হবে। সংস্কার করতে হবে নির্বাচন কমিশনের।
কমিশন দেশের স্বার্থে কাজ করছে না, দাবি ককরোচ পার্টির
ককরোচদের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে যে জ্ঞানেশের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশন দেশের স্বার্থে কাজ করছে না। কমিশনের অন্দরে মতানৈক্য ও বাকি দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তি উড়িয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার কাজ করেছেন বলে যে অভিযোগ উঠেছে, তার প্রেক্ষিতে সেইসব দাবি করেছে সিজেপি। যদিও কমিশনের তরফে সেই অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। কমিশনের দাবি, সর্বসম্মতিক্রমেই এসআইআর-সহ যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
দিল্লির যন্তর মন্তরেও আন্দোলনের হুঁশিয়ারি
তারইমধ্যে সিজেপির তরফে জানানো হয়েছে, যতদিন না জ্ঞানেশ পদত্যাগ করছেন না, ততদিন চলবে আন্দোলন। তিনি বলেছেন, 'গোয়া, কর্ণাটক, পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরপ্রদেশ, বিহার এবং ঝাড়খণ্ডে প্রতিবাদের আয়োজন করা হবে। উনি যদি পদত্যাগ না করেন, তাহলে অক্টোবরের শেষলগ্ন থেকে দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করা হবে।'
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


