Death after eating momo and chap: রাতে মোমো ও চাপ খেয়ে শুয়েছিল ভাই-বোন, সকালেই হল মৃত্যু, নীল হয়ে গিয়েছিল শরীর
পঞ্জাবের লুধিয়ানার একটি হৃদয়বিদারক ঘটনায় স্তব্ধ গোটা দেশ। রাতের খাবারে পছন্দের মোমো এবং চাপ খাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মৃত্যু হল ভাই-বোনের। মৃত শিশুদের নাম রাখি (১২) এবং কিষাণ (১০)। এই ঘটনায় পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
পঞ্জাবের লুধিয়ানার একটি হৃদয়বিদারক ঘটনায় স্তব্ধ গোটা দেশ। রাতের খাবারে পছন্দের মোমো এবং চাপ খাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মৃত্যু হল ভাই-বোনের। মৃত শিশুদের নাম রাখি (১২) এবং কিষাণ (১০)। এই ঘটনায় পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার রাতে রাখাল এবং কিষাণ তাদের বাড়ির কাছেই একটি স্থানীয় দোকান থেকে মোমো এবং চাপ কিনে এনেছিল। অত্যন্ত তৃপ্তি সহকারে খাবার খাওয়ার পর তারা স্বাভাবিকভাবেই ঘুমোতে যায়। কিন্তু রাত গভীর হতেই বিপত্তি শুরু হয়। ভোররাতের দিকে দুই শিশুরই প্রচণ্ড পেটে ব্যথা শুরু হয় এবং তারা বমি করতে থাকে। শিশুদের বাবা-মা প্রথমে সাধারণ ফুড পয়জনিং ভেবেছিলেন, কিন্তু মুহূর্তের মধ্যেই পরিস্থিতির অবনতি ঘটে।

নীল হয়ে যাওয়া শরীর ও রহস্যজনক মৃত্যু
পরিবারের বয়ান অনুযায়ী, হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগেই শিশুদের শরীরের রং নীল হতে শুরু করে। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে জানান যে তাদের মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসকদের প্রাথমিক ধারণা, তীব্র বিষক্রিয়া বা ‘সিভিয়ার ফুড পয়জনিং’-এর ফলেই এরকম অঘটন ঘটেছে। তবে খাবারের মধ্যে ঠিক কোন ধরনের বিষাক্ত উপাদান ছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ মৃতদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।
শোকাতুর পরিবার ও প্রশাসনের পদক্ষেপ
সন্তানদের হারিয়ে দিশেহারা বাবা-মা বারবার মূর্চ্ছা যাচ্ছেন। পুলিশ ইতিমধ্যেই সেই দোকানটি চিহ্নিত করেছে যেখান থেকে মোমো এবং চাপ কেনা হয়েছিল। স্বাস্থ্য বিভাগের একটি দল সেই দোকান থেকে খাবারের নমুনা সংগ্রহ করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং ল্যাবের পরীক্ষার ফল আসার পরেই প্রকৃত কারণ জানা যাবে। দোষী প্রমাণিত হলে দোকানদারের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রাস্তার ধারের খাবার নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ
এই ঘটনাটি ফের একবার রাস্তার ধারের খোলা খাবারের মান ও নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিল। মোমো বা চাপের মতো খাবারে ব্যবহৃত সস, ময়দা বা মশলার মান যদি নিম্নমানের হয়, তবে তা প্রাণঘাতী হতে পারে। বিশেষ করে গরমকালে বা বর্ষার শুরুতে খাবারে ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষজ্ঞরা বারবার পরামর্শ দিচ্ছেন যেন বাইরের খাবার খাওয়ার আগে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে কড়া নজর রাখা হয়।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


