How Virat Kohli helped Sindhu: খারাপ সময় কোহলি ছিলেন পাশে! কোন বিরাট-মন্ত্র পেয়ে অফ ফর্ম কাটে? অজানা ঘটনা বললেন সিন্ধু
বিরাটের সঙ্গে সেদিনের সাক্ষাতের কথাবার্তা নিয়ে পিভি সিন্ধু বলেন, 'কিছু কথোপকথন জীবনকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গিই বদলে দেয়। এটি ছিল তেমনই একটি।'
সদ্য জাপান ওপেনে গত ২ বছরের মধ্যে এক বড় সাফল্য এসেছে পিভি সিন্ধুর হাতে। ভারতের এই ব্যাটমিন্টন তারকার এর আগের ২৪ টা মাস খুব একটা সহজে কাটেনি। একদিকে, অফ ফর্ম, তার ওপর চোট আঘাতে জর্জরিত ছিলেন দুইবার অলিম্পিকে মেডেল জয়ী এই ভারতীয় ব্যাটমিন্টন তারকা। তবে কথায় বলে, খারাপ সময় যাঁরা পাশে থাকেন, তাঁরাই শুভাকাঙ্খী! আর পিভি সিন্ধুর খারাপ সময়, ভারতীয় ক্রিকেটের সুপারস্টার বিরাট কোহলি কতটা সাহায্য করেছিলেন, সেই কথা সদ্য পাওয়া সাফল্যের পর জানালেন সিন্ধু নিজেই।

প্যারিস অলিম্পিক্স থেকে ছিটকে যাওয়া, একের পর এক চোট, পর পর টুর্নামেন্টে হতাশা ক্রমেই ঘিরে ধরেছিল ব্যাটমিন্টন চ্যাম্প সিন্ধুকে। একের পর এক ব্যর্থতাকে কাটিয়ে সাফল্যে ফিরতে চাওয়ার রাস্তা তখন আপ্রাণ খুঁজছিলেন পিভি সিন্ধু। তখনই সেই খারাপ সময়, তাঁর পাশে দাঁড়ান কিং কোহলি।
খারাপ সময় সকলেরই আসে, তাকে কাটিয়ে ওঠার রাস্তাও ঠিক এসে যায়! পিভি সিন্ধু নিজের কেরিয়ারের কঠিনতম সময়ে দ্বারস্থ হন বিরাটের। সিন্ধু জানান, এই বিষয়ে বিরাটের সাহায্য চাইতেই, এক মিনিটের মধ্যে বিরাট কোহলি তাঁকে উত্তর দেন। এরপর বেঙ্গালুরুতে সিন্ধু তাঁর স্বামী বেঙ্কটা দত্ত সাইয়ের সঙ্গে বিরাটের সাথে দেখা করেন। বেঙ্গালুরুর সেই সাক্ষাতের অজানা কথা সদ্য বলেছেন সিন্ধু।
বিরাট কোহলিও এককালে রান পাচ্ছিলেন না, অফ ফর্মের মধ্যে দিয়ে গিয়েছিলেন। দীর্ঘ দিন শতরানের খরা চলার সময় মানসিক চাপ কী ভাবে সামলিয়েছিলেন বিরাট? কোহলির উত্তরটি ছিল, ‘রান করার আনন্দটা আবার নতুন করে খুঁজে পেতে হবে।’ বিরাটের এই বার্তাকেই সঙ্গে নিয়ে ফের লড়াই শুরু করেন সিন্ধু।
সেই সাক্ষাৎ সম্পর্কে সিন্ধু বলেন,'আমার ক্যারিয়ারের অন্যতম কঠিন এক সময়ে আমি তাঁর (বিরাট) সাথে যোগাযোগ করেছিলাম। একের পর এক চোট পাচ্ছিলাম, কাঙ্ক্ষিত ফলাফল আসছিল না,আর ঠিক সেই মুহূর্তে এমন একজনকে প্রয়োজন ছিল যিনি পরিস্থিতিটা বুঝবেন। তিনি কয়েক মিনিটের মধ্যেই সাড়া দিলেন এবং ঠিক পরের দিনই আমাদের দেখা হল।' সিন্ধু বলছেন, সেদিন বেশ কয়েক ঘণ্টা তিনি বিরাটের সঙ্গে কথা বলেন। সেই বিষয়ে ভারতীয় ব্যাটমিন্টন তারকা বলেন,'আমাদের মধ্যে যা কথা হয়েছিল, তা আমাদের মধ্যেই থাকবে। তবে আমি সবসময়ই কৃতজ্ঞ থাকব যে, যখন আমার কাউকে খুব প্রয়োজন ছিল, তখন তিনি পাশে ছিলেন। তিনি খুব বেশি কথা বলেননি, কিন্তু তাঁর প্রতিটি কথাই দত্তা আর আমার মনে গেঁথে আছে।' বিরাটের সঙ্গে সেদিনের সাক্ষাতের কথাবার্তা নিয়ে পিভি সিন্ধু বলেন, 'কিছু কথোপকথন জীবনকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গিই বদলে দেয়। এটি ছিল তেমনই একটি।'
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


