Rahul Gandhi Criminal Defamation Case: 'চোর কা সর্দার' বলার মামলায় স্বস্তি রাহুলের! সাময়িকভাবে ট্রায়াল স্থগিত রাখল SC
Rahul Gandhi Criminal Defamation Case: দিল্লিতে এসআইআর বিরোধী আন্দোলনের মধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে সাময়িক স্বস্তি পেলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। ফৌজদারি মানহানি মামলায় আপাতত স্বস্তি পেলেন।
Rahul Gandhi Criminal Defamation Case: এসআইআর-বিরোধী আন্দোলনের মধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে সাময়িকভাবে স্বস্তি পেলেন রাহুল গান্ধী। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে উদ্দেশ্য করে কুকথা বলার অভিযোগে লোকসভার বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে দায়ের করা ফৌজদারি মানহানির মামলার বিচারপ্রক্রিয়া আপাতত স্থগিত রাখার নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং বিচারপতি অপরেশ কুমার সিং বলেছেন, 'চার সপ্তাহের মধ্যে জবাব দাখিলের নির্দেশ-সহ নোটিশ জারি করুন। সেইসময়ের মধ্যে ট্রায়াল কোর্টে পরবর্তী কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।'

বম্বে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে রাহুল
সুপ্রিম কোর্ট সেই নির্দেশ দিয়েছে কংগ্রেস সাংসদের দায়ের করা মামলার প্রেক্ষিতে। গত ৮ সেপ্টেম্বর রাহুলের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ফৌজদারি মানহানি মামলা খারিজ করতে রাজি হয়নি বম্বে হাইকোর্ট। সেটার বিরুদ্ধেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন রাহুল। তার ভিত্তিতেই রাহুল আজ সাময়িক স্বস্তি পেলেন বলে সংবাদমাধ্যম লাইভ অ্যান্ড লয়ের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
কী অভিযোগ করা হয়েছিল রাহুলের বিরুদ্ধে?
আর রাহুলের বিরুদ্ধে মূল মামলার সূত্রপাত হয়েছিল বছরছয়েক আগে। যিনি প্রধানমন্ত্রী মোদীকে উদ্দেশ্য করে ‘চৌকিদার চোর হ্যা’ বলে মন্তব্য করেছিলেন। বিজেপির এক সদস্য অভিযোগ করেছিলেন যে রাজস্থানে একটি জনসভায় 'হিন্দুস্তান কা চৌকিদার চোর হ্যা' বলে মন্তব্য করেন রাহুল। মোদীকে উদ্দেশ্য করে ‘কমান্ডার ইন থিফ’ (চোরেদের কমান্ডার বা চোর কা সর্দার) বলেছিলেন। সেটার মাধ্যমে যেমন বিজেপি সদস্যদের বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তেমনভাবেই তাঁর সঙ্গে জড়িত দেশের সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধেও আঙুল ওঠানো হয়েছে বলে দাবি করেন পদ্মশিবিরের ওই সদস্য।
গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে হাইজ্যাকের চেষ্টা, অভিযোগ রবি কিষানের
তারইমধ্যে ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষায় (এসআইআর) অনিয়ম এবং ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া নিয়ে দিল্লিতে যে বিক্ষোভ চলছে, তা নিয়ে রাহুলকে আক্রমণ করেছেন বিজেপি সাংসদ রবি কিষান। তিনি দাবি করেছেন, নির্বাচনে বিজেপিকে হারাতে না পেরে কংগ্রেস এবং বিরোধী দলগুলি বিক্ষোভ ও আন্দোলনের নামে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে হাইজ্যাক করার চেষ্টা করছে।
তিনি দাবি করেছেন, দেশের যুব প্রজন্মের ৬৫ শতাংশই মোদী সরকারের কাজে সন্তুষ্ট। কিন্তু যুব প্রজন্মের কয়েকশো প্রতিনিধিকে বিভ্রান্ত করে বিরোধীরা দিল্লির সাধারণ মানুষের জীবন বিপর্যস্ত করে তুলেছে। বাস্তবে উন্নয়নের নিরিখে মতাদর্শের যুদ্ধে নামা উচিত বলে দাবি করেন বিজেপি সাংসদ।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


