Rahul Gandhi letter: 'নিরাপত্তা বাহিনী প্রাণঘাতী...,' অমিত শাহ'কে চিঠি লিখে জবাব চাইলেন রাহুল গান্ধী

Rahul Gandhi letter: শনিবার অমিত শাহকে দেওয়া চিঠিতে রাহুল গান্ধী লেখেন, ‘২০ জুলাই শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে যে বর্বরোচিত আঘাত করা হয়েছে, তার জবাব চাইছি।’

Published on: Jul 26, 2026, 23:13:22 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Rahul Gandhi letter: কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা ধর্মেন্দ্র প্রধানের। তারপরই আন্দোলন প্রত্যাহার করে নিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। তবুও সরকারের উপর অভিযোগ জানাতে মরিয়া কংগ্রেস। গত ২০ জুলাই দিল্লিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উপর পুলিশের নির্বিচারে বলপ্রয়োগের তীব্র সমালোচনা করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি লিখেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। ২৫ জুলাই তারিখ সংবলিত এই চিঠিতে তিনি এই বর্বরোচিত ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং জবাবদিহিতা দাবি করেছেন।

অমিত শাহ'কে চিঠি লিখে জবাব চাইলেন রাহুল গান্ধী (@INCIndia)
অমিত শাহ'কে চিঠি লিখে জবাব চাইলেন রাহুল গান্ধী (@INCIndia)

দিল্লির যন্তর মন্তরের আন্দোলনকারীদের অন্যতম প্রধান দাবি ছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা। শনিবার শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি। ২৫ জুলাই অমিত শাহকে চিঠিটি লিখেছেন রাহুল গান্ধী। তবে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার আগে না পরে সেই চিঠি তিনি দিয়েছেন, তা স্পষ্ট নয়। রবিবার সকালে সেই চিঠি নিজের এক্স অ্যাকাউন্টে পোস্ট করেছেন কংগ্রেস নেতা। চিঠিতে রাহুল গান্ধী উল্লেখ করেছেন, ‘আমাদের শিক্ষার্থীরা একটি সুষ্ঠু এবং জবাবদিহিমূলক শিক্ষাব্যবস্থার দাবি জানাচ্ছিল। তাদের কথা শোনার বদলে, নিরাপত্তা বাহিনী প্রাণঘাতী অস্ত্র এবং কাঁদানে গ্যাস-সহ নির্বিচারে বলপ্রয়োগ করে হামলা চালিয়েছে। ছাত্রীদের গোপনাঙ্গে ইচ্ছাকৃত ভাবে আঘাত করার মতো ঘটনাও ঘটেছে।’

শনিবার অমিত শাহকে দেওয়া চিঠিতে রাহুল গান্ধী লেখেন, ‘২০ জুলাই শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে যে বর্বরোচিত আঘাত করা হয়েছে, তার জবাব চাইছি।’ সোশ্যাল মিডিয়া এবং সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টের কথা উল্লেখ করে রাহুল জানান, এই পুলিশি হামলায় সাংবাদিক-সহ বহু মানুষ মারাত্মকভাবে জখম হয়েছেন। চিঠিতে তিনি ১৯ বছরের ছাত্র সাহিল লোচাবের কথা বিশেষভাবে তুলে ধরেন। পেলেট গানের আঘাতে সাহিল যন্ত্রণায় ছটফট করছেন এবং তাঁর একটি চোখ চিরতরে নষ্ট হয়ে যাওয়ার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে। রাহুল জানান, তিনি নিজে গিয়ে ওই আহত ছাত্রের সঙ্গে দেখা করেছেন। বলে রাখা প্রয়োজন, দিল্লি পুলিশ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে। তাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সরাসরি রাহুল গান্ধী প্রশ্ন করেছেন, ‘আপনি কী শিক্ষার্থীদের উপরে ছররা বন্দুক-সহ প্রাণঘাতী বলপ্রয়োগের অনুমোদন দিয়েছিলেন? যদি না দিয়ে থাকেন, তবে কে দিয়েছে? সাদা পোশাকে যাদের লাঠি দিয়ে শিক্ষার্থীদের পেটাতে দেখা গিয়েছে, তারা কী পুলিশ কর্মী, নাকি স্বেচ্ছাসেবক?’ চিঠির শেষাংশে গণতন্ত্রে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের গুরুত্ব তুলে ধরে রাহুল গান্ধী বলেন, প্রতিবাদকারীদের রক্ষা করা এবং আলোচনার মাধ্যমে তাদের ক্ষোভ দূর করা সরকারের দায়িত্ব। দেশের ভবিষ্যৎ তরুণ ও শিক্ষার্থীরা জবাবদিহিতা ও ন্যায়বিচার চাইছে এবং তাদের কণ্ঠস্বরকে অবদমিত করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।