Railways Exam Style Change: রেললাইনের তলা দিয়ে যাবে প্রশ্নপত্র, রেলের পরীক্ষা হবে ‘ট্যাবলেট বেসড টেস্ট’
Railways Exam Style Change: রেলওয়ে বোর্ডের রোডম্যাপ অনুযায়ী, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে দেশজুড়ে সেফটি ক্যাটাগরি (যেমন- লোকো পাইলট, স্টেশন মাস্টার, ট্র্যাক ক্রু) এবং নন-টেকনিক্যাল (NTPC) মিলিয়ে প্রায় ২.৫ লাখেরও বেশি শূন্যপদে ধাপে ধাপে মেগা-নিয়োগ হতে চলেছে।
Railways Exam Style Change: দেশজুড়ে নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের সাম্প্রতিক বিতর্ক থেকে বড় শিক্ষা নিল ভারতীয় রেল। রেলের আসন্ন মেগা নিয়োগ পরীক্ষাগুলিকে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, নিরাপদ এবং ‘লিক-প্রুফ’ করতে এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। রেলওয়ে রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের মাধ্যমে ভবিষ্যতে অনুষ্ঠিত হতে চলা সমস্ত পরীক্ষার আয়োজন এবার থেকে রেল সম্পূর্ণ নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় করবে। রেল সূত্রে খবর, এবার থেকে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র কোনও সাধারণ ইন্টারনেট, গুগল ক্লাউড বা বেসরকারি সার্ভারে আপলোডই করা হবে না। হ্যাকিং ও ডিজিটাল লিক পুরোপুরি রুখতে রেল ব্যবহার করবে তাদের নিজস্ব সুরক্ষিত এবং সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ ইন্টারনেট ব্যবস্থা— ‘রেলনেট’ (RailNet) এবং রেললাইনের নিচ দিয়ে ছড়ানো নিজস্ব অপটিক্যাল ফাইবার কেবল নেটওয়ার্ক।

আসছে ‘TBT’ মোড: কম্পিউটারের বদলে ট্যাবলেটে পরীক্ষা
রেলমন্ত্রীর নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, রেলে নিয়োগের পরীক্ষাগুলি এবার কম্পিউটার বেসড টেস্ট (CBT) মোড থেকে পরিবর্তিত হয়ে ট্যাবলেট বেসড টেস্ট (TBT) মোডে হতে চলেছে।
১) সার্ভারহীন প্রশ্নপত্র: প্রশ্নপত্র পরীক্ষার আগে কোনও অনলাইন সার্ভারে থাকবে না।
২) সরাসরি স্ক্রিনে ডেলিভারি: পরীক্ষা শুরু হওয়ার ঠিক পাঁচ মিনিট আগে সম্পূর্ণ ইনক্রিপ্টেড (Encrypted) বা সাংকেতিক ভাষায় ওএফসি লাইনের মাধ্যমে প্রশ্ন সরাসরি পরীক্ষা কেন্দ্রের মাস্টার হাবে আসবে এবং সেখান থেকে পরীক্ষার্থীর ট্যাবলেটের স্ক্রিনে ভেসে উঠবে।
৩) প্রতিরক্ষা মানের সিকিউরিটি: এই পরীক্ষার জন্য প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মানদণ্ড মেনে তৈরি লাখ-লাখ হাইটেক ট্যাবলেট কেনার একটি ফাইল ইতিমধ্যেই আর্থিক মঞ্জুরির জন্য পাঠানো হয়েছে।
৪) যেহেতু এই পুরো প্রক্রিয়াটি সাধারণ ইন্টারনেট দুনিয়া থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন থাকবে, তাই কোনও অবস্থায় প্রশ্নপত্র হ্যাক করা বা পরীক্ষা শুরুর আগে তা লিক হওয়া সম্ভব নয়।
বন্ধ হচ্ছে বেসরকারি পরীক্ষা কেন্দ্রের খেলা, তৈরি হচ্ছে ‘স্বাধীন পরীক্ষা উইং’
রেলওয়ের এক ঊর্ধ্বতন আধিকারিক জানিয়েছেন, এই নতুন ব্যবস্থাটিকে নিখুঁতভাবে পরিচালনা করতে রেলের নিজস্ব পরিকাঠামোর ভেতরেই একটি সম্পূর্ণ স্বায়ত্তশাসিত বা স্বাধীন পরীক্ষা পরিচালন উইং গঠন করা হচ্ছে। সবচেয়ে বড় বিষয় হল, এবার থেকে রেলের পরীক্ষায় কোনও প্রাইভেট বা বেসরকারি পরীক্ষা কেন্দ্র ব্যবহার করা হবে না। দেশজুড়ে রেলের নিজস্ব হাজার হাজার বড় হল, খালি পড়ে থাকা বিশাল সেন্ট্রাল স্কুল, রেলওয়ে কমিউনিটি সেন্টার এবং বড় বড় ওয়ার্কশপ কমপ্লেক্স রয়েছে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


