...
...
Next Story

Indian KAL Attack Drone Range: ১০০০ কিমি দূরেও কাঁপতে হবে! অ্যাটাক ড্রোন পরীক্ষায় সফল ভারত, রেঞ্জে পাক-বাংলাদেশ

Indian KAL Attack Drone Range: ১,০০০ কিলোমিটার দূরে থেকেও শত্রুপক্ষ শান্তি পাবে না! কারণ ভারত এমন একটি অ্যাটাক ড্রোন পরীক্ষায় সাফল্য পেল, যা ১,০০০ কিলোমিটার দূরেও আক্রমণ করতে পারবে। ফলে রেঞ্জে থাকছে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ।

Published on: Sep 23, 2026, 11:31:32 IST
Advertisement

Indian KAL Attack Drone Range: হাজার কিলোমিটার উড়ে গিয়ে আক্রমণ চালাতে পারবে। বয়ে নিতে যেতে পারবে ৫০ কেজির মতো বিস্ফোরক বা বোমা। একেবারে নিখুঁতভাবে শত্রুপক্ষের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি, রেডার, এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম গুঁড়িয়ে দিতে পারবে। সেই দূরপাল্লার ড্রোন KAL-র ট্রায়ালে মিলল সাফল্য। আবার সেই পরীক্ষা চালানো হয়েছে পাকিস্তানের সীমান্ত লাগোয়া রাজস্থানের জয়সলমিরের পোখরান ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জ থেকে। শুধু তাই নয়, ওই ড্রোনের যা পাল্লা, তাতে অনায়াসে রেঞ্জে চলে আসবে পাকিস্তানের ইসলামাবাদ থেকে বাংলাদেশের ঢাকার মতো জায়গা।

'ওয়ান-ওয়ে অ্যাটাক ড্রোন'-র বিশেষ বৈশিষ্ট্য

KAL অ্যাটাক ড্রোন পরীক্ষায় সাফল্য পেল ভারত। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে ন্যানো ব্যানানা দিয়ে তৈরি)
KAL অ্যাটাক ড্রোন পরীক্ষায় সাফল্য পেল ভারত। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে ন্যানো ব্যানানা দিয়ে তৈরি)

আর সেই ড্রোন তৈরি করেছে নয়ডার সংস্থা আইজি ডিফেন্স। ওই সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, গাড়ির উপরে থাকা একটি প্ল্যাটফর্মে ওই 'ওয়ান-ওয়ে অ্যাটাক ড্রোন' উৎক্ষেপণ করা হয়। 'ওয়ান-ওয়ে' ড্রোন বলতে বোঝায় সেই আনম্যানড এয়ারক্রাফটকে, যা নির্দিষ্ট টার্গেটে আছড়ে পড়ে এবং বিস্ফোরণ ঘটায়। তার ফলে আক্রমণের তীব্রতা আরও বেশি হয়। অর্থাৎ একবার মিশনে যাবে, তাতেই শত্রুপক্ষকে মাটিতে বসিয়ে দেবে।

আরও পড়ুন: Student making Indian Army Drones: সেনার জন্য আধুনিক ড্রোন তৈরি করবে মজুরের ছেলে! ছাত্রকে ৩.৫ কোটি টাকা দিল কেন্দ্র

KAL অ্যাটাক ড্রোনের ক্ষমতা ও রেঞ্জ

রিপোর্ট অনুযায়ী, ১,০০০ কিলোমিটার দূরে গিয়ে হামলা চালিয়ে আসতে পারে KAL অ্যাটাক ড্রোন। সাত থেকে আট ঘণ্টা উড়তে পারবে। বয়ে নিয়ে যেতে পারবে ৫০ কেজি বোমা বা বিস্ফোরক। সমুদ্রপৃষ্ঠের ৫,০০০ মিটার উচ্চতা পর্যন্তও উড়তে পারবে সেই ড্রোন। ফলে উঁচু-উঁচু এলাকায় আক্রমণ চালাতে পারবে। যা পাকিস্তানের প্রেক্ষিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, রাশিয়া ও ইউক্রেনের যুদ্ধ হোক বা ভারত ও পাকিস্তানের সংঘাত হোক - আধুনিক যুগে দূরপাল্লার অ্যাটাক ড্রোনের গুরুত্ব যে কতটা অপরিসীম, তার প্রমাণ ইতিমধ্যে মিলেছে। মানুষের জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে না ফেলে বা কোটি-কোটি টাকার যুদ্ধবিমানকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় না গিয়েই কম খরচের অ্যাটাক ড্রোন দিয়ে শত্রুপক্ষের গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিতে হামলা চালানো যাচ্ছে। ধ্বংস করে দেওয়া যাচ্ছে রেডার, এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। সেই আবহে ভারতে তৈরি KAL ড্রোন এবং পোখরান রেঞ্জের পরীক্ষায় পাওয়া সাফল্য একটা বড় মাইলফলক হয়ে থাকল।

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks