Red Fort Blast Forensic Updates: লালকেল্লার সামনে থেকে সংগ্রহ করা ৪২ আইটেমের পরীক্ষা চলছে, এখনও জমা পড়েনি রিপোর্ট

লালকেল্লার সামনে থেকে ফরেনসিক টিম ৪২টি আইটেম সংগ্রহ করেছে এবং সেগুলি পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে গাড়ির টায়ার, চ্যাসিস, সিজিসি সিলিন্ডার এবং বনেটের অংশ। 

Published on: Nov 12, 2025, 09:28:53 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

দিল্লি বিস্ফোরণে কী ধরনের বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছিল? এখনও এই বিষয়টি পরিষ্কার হয়নি। সম্প্রতি এক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, লালকেল্লার কাছে এই বিস্ফোরণের ঘটনায় মিলিটারি গ্রেড বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে। এখনও অবশ্য চূড়ান্ত তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়নি সরকারকে। এদিকে এই বিস্ফোরণের সঙ্গে ডাক্তার মডিউলের যোগ স্পষ্ট হতেই মনে করা হয়েছিল, অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ব্যবহার করেই বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছিল। এই বিস্ফোরণের পর মৃত বা জখম কারও শরীরে স্প্লিন্টারের কোনও আঘাত ঘটেনি। এই পরিস্থিতিতে বিস্ফোরকের বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলা হয়নি।

লালকেল্লার সামনে থেকে সংগ্রহ করা ৪২ আইটেমের পরীক্ষা চলছে, এখনও জমা পড়েনি রিপোর্ট (HT_PRINT)
লালকেল্লার সামনে থেকে সংগ্রহ করা ৪২ আইটেমের পরীক্ষা চলছে, এখনও জমা পড়েনি রিপোর্ট (HT_PRINT)

রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, এখানে পিইটিএন, সেমটেক্স বা আরডিএক্স ব্যবহার করা হয়েছে কিনা তা নিয়ে ফরেনসিকদের মতামত চেয়েছেন তদন্তকারীরা। তবে প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট, জ্বালানী তেলের জেরেই এই বিস্ফোরণ হয়ে থাকতে পারে। বিশেষ ব্যাপার হল, এই অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট শিল্প ক্ষেত্রেও ব্যবহৃত হয়। তাই এটা সহজে পাওয়া যায়।

ইতিমধ্যেই লালকেল্লার সামনে থেকে ফরেনসিক টিম ৪২টি আইটেম সংগ্রহ করেছে এবং সেগুলি পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে গাড়ির টায়ার, চ্যাসিস, সিজিসি সিলিন্ডার এবং বনেটের অংশ। এ ছাড়া ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহের অবশিষ্টাংশ ও পাউডার পাওয়া গেছে। এই আবহে হামলায় পিইটিএন ব্যবহার করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

পিইটিএন কী, এর পুরো নাম পেন্টারিথ্রিটল টেট্রানাইট্রেট। প্রতিবেদনে বলা হয়, সবচেয়ে শক্তিশালী বিস্ফোরকগুলির মধ্যে একটি হল এই পিইটিএন। বর্ণহীন স্ফটিক হয় এই পেন্টারিথ্রিটল টেট্রানাইট্রেট। তাই এটিকে শনাক্ত করা কঠিন। এই কারণে সন্ত্রাসীরা এই বিস্ফোরক ব্যবহার করে থাকে বলে জানা যায়। অন্যান্য রাসায়নিকের তুলনায় বিস্ফোরণের জন্য পিইটিএম-এর অল্প পরিমাণই যথেষ্ট হয়।

এক কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, 'তাপ বা শক ওয়েভের মাধ্যমে পিইটিএন-এ বিস্ফোরণ ঘটানো যেতে পারে। একটি গাড়ি ১০০ গ্রাম পিইটিএন-এ ধ্বংস করা যেতে পারে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, পিইটিএন বা সেমটেক্সকে বিস্ফোরক হিসাবে ব্যবহার করতে হলে পেলেটের প্রয়োজন হয় না। এগুলি নিজেই বিস্ফোরণের মাধ্যমে বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে।' ২০১১ সালে দিল্লি হাইকোর্টে বিস্ফোরণের পর প্রথমে দাবি করা হয়েছিল, পিইটিএন-এর সাথে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ব্যবহার করা হয়েছিল। পরে সরকার বলেছিল যে এতে আরডিএক্স ব্যবহার করা হয়েছিল।