Pak terrorist meeting: পাকিস্তানের বাহাওয়ালপুরে জইশ হেডকোয়ার্টারে হাইভোল্টোজ মিটিং! কারা ছিল? এল রিপোর্ট

পাকিস্তানের জঙ্গি শিবির জইশ-এ-মহম্মদের ডেরা বাহাওয়ালপুরে কী ঘটেছে?

Published on: Dec 08, 2025 7:31 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

২০২৫ সালের মে মাসে ভারতের অপারেশন সিঁদুরে গুঁড়িয়ে গিয়েছিল পাকিস্তানের পর পর জঙ্গি ঘাঁটি। ভারতীয় সেনার সেই অভিযানের অন্যতম টার্গেট ছিল বাহাওয়ালপুর। আর এই পাকিস্তানের বাহাওয়ালপুরই মাসুদ আজহারের জঙ্গি শিবির লস্কর-ই-তৈবার হেডকোয়ার্টার। সদ্য সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক রিপোর্ট দাবি করেছে, তাদের হাতে এমন এক ছবি এসেছে, যেখানে দেখা গিয়েছে, জইশের বাহাওয়ালপুর হেডকোয়ার্টারে জঙ্গিদের এক হাইভোল্টেজ মিটিং হয়েছে।

জইশ প্রধান মাসুদ আজহার। ফাইল ছবি, সৌজন্যে এএফপি এবং রয়টার্স)
জইশ প্রধান মাসুদ আজহার। ফাইল ছবি, সৌজন্যে এএফপি এবং রয়টার্স)

কেন এই মিটিং খববরের শিরোনাম কাড়ছে? প্রশ্ন আসতেই পারে! প্রসঙ্গত, এই মিটিং-এ পাকিস্তানের লস্কর-ই-তৈবা ও জইশ-এ-মহম্মদ এই দুই কুখ্যাত জঙ্গি শিবিরের সন্ত্রাসীদের একসঙ্গে নিয়ে বৈঠক করা হয়েছে। বাহাওয়ালপুরে জইশের হেডকোয়ার্টারে এই ধরনের মিটিং শেষ কবে দেখা গিয়েছে তা নিয়ে জল্পনা রয়েছে। এখানেই শেষ নয়। রিপোর্ট বলছে, ওই মিটিং-এ লস্করের ডেপুটি চিফ সইফুল্লা কসুরি, লস্করের বাকি কমান্ডারদের সঙ্গে ছিল। উল্লেখ্য, এই বাহাওয়ালপুরেই অপারেশন সিঁদুরের সময় বিপুল বোমা বর্ষণ করেছে ভারতীয় সেনা। আর সেখানেই এই দুই গোষ্ঠীর জঙ্গিদের বৈঠক, নিঃসন্দেহে কোনও সুখকর বার্তা নয়! প্রশ্ন উঠছে, এই বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে? কোনও বড় কিছুর প্ল্যানিং-এ কি রয়েছে পাক জঙ্গিরা?

( Vastu Shastra: অফিসের ব্যাগে এই জিনিসগুলি রাখেন না তো? সৌভাগ্য ফেরাতে বাস্তুটিপস রইল)

( Shanidev Astrology: দণ্ডনায়কের কৃপার বর্ষণ হবে ২০২৬ সালে! শনিদেবের এই শুভ যোগে লাকি কারা?)

উল্লেখ্য, পহেলগাঁও হামলার নেপথ্যে যে জঙ্গি শিবির ছিল, তার মূল আধার পাকিস্তানের লস্কর-ই-তৈবা। অন্যদিকে, দিল্লির লালকেল্লা বিস্ফোরণের ঘটনায় যে পাকিস্তানি জঙ্গি শিবিরের নাম উঠে এসেছে তা হল জইশ-এ-মহম্মদ। আর এই দুই শিবির হঠাৎ পাকিস্তানের বুকে বৈঠক করেছে বলে খবর।

এদিকে, লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণের ঘটনায় তদন্তে নেমে তদন্তকারীরা খোঁজ করেন, বিপুল পরিমাণ অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট কেনার টাকা কোথা থেকে এসেছে, তা নিয়ে। এছাড়াও বিভিন্ন দিক দিয়ে এই জঙ্গি মডিউলের ফান্ড রাইজিং ছিল তদন্তকারীদের নজরে। আর তার সূত্র থেকে এক অ্যাপের সন্ধান পান তদন্তকারীরা। আর সেই অ্যাপ হল 'সাডা অ্যাপ', যা পাকিস্তানি। এই অ্যাপ দিয়েই হয়েছে টাকার লেনদেন। অন্যদিকে, পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের রাওয়ালকোটেও ফের জঙ্গি লঞ্চপ্যাড তৈরি হতে শুরু করেছে। প্রসঙ্গত, এই পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের বহু জঙ্গি শিবিরকে অপারেশন সিঁদুরে গুঁড়িয়ে দেয় ভারতীয় সেনা।