Sachin on NEET Paper Leak Protest: ‘ব্যর্থ হওয়াটা দোষের নয়, প্রতারণাটা..,’সিজেপি-বিক্ষোভ নিয়ে যুবরাজদের পর এবার সরব সচিন
নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁসকাণ্ডে এবার সরব সচিনও।
বৃহস্পতিবার সদ্য তাঁর রেকর্ড ভেঙেছেন ১৫র সূর্যবংশী। জিম্বাবোয়েতে আয়োজিত টি২০তে ১৯ বল-এ অর্ধশতরানের ঝকঝকে ইনিংসের হাত ধরে সচিনের রেকর্ড ভাঙেন সূর্যবংশী। তার হাত ধরে আসে কাঙ্খিত জয়। ১৬ বছর ২১৩ দিন বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অর্ধশতরান করেছিলেন ভারতের কিংবদন্তি ব্যাটার সচিন, আর বৈভব তা করলেন ১৫ বছর ১১৮ দিনে। এদিকে, দেশ উত্তাল নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁস ঘিরে। বৈভবের ইতিহাস গড়ার দিনে যখন ১৫ বছর বয়সীকে নিয়ে ক্রিকেট বিশ্ব চর্চায়, তখন দেশে চলা নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস ঘিরে এদিন সরব হলেন ভারতীয় ক্রিকেটের কিংবদন্তী সচিন তেন্ডুলকর।
অধ্যাপক রমেশ তেন্ডুলকারের পুত্র সচিন, প্রশ্ন ফাঁস বিক্ষোভ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তাঁর বাবার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। সচিন লেখেন, ‘আমার বাবা ছিলেন একজন অধ্যাপক। তিনি অনেক তরুণ শিক্ষার্থীর পরামর্শদাতা ও পথপ্রদর্শক ছিলেন। তিনি শুরু থেকেই আমাকে একটি শিক্ষা দিয়েছিলেন—ব্যর্থ হওয়াটা দোষের কিছু নয়, কিন্তু প্রতারণা করাটা দোষের। কখনওই কোনও শর্টকাট বা সহজ পথ বেছে নেবে না।’ ইঙ্গিতবহ এই বার্তার সঙ্গেই সচিন আরও লেখেন। ভারতের কিংবদন্তী ব্যাটার লিখছেন, ‘সমাজের প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে সংস্কৃতি গঠনে আমাদের দায়িত্ব রয়েছে। যে সমাজ প্রচেষ্টার চেয়ে ফলাফলকে বেশি প্রাধান্য দেয়, সে সমাজ মেধাভিত্তিক ব্যবস্থার পরিবর্তে সহজ পথ খোঁজে।’ তিনি আরও লেখেন, ‘ আজ শিক্ষার্থীরা যখন তাদের কঠোর পরিশ্রমের যথাযথ প্রতিদান না পেয়ে হতাশ বোধ করে, তখন তা সহজেই বোধগম্য। তাদের যেন আর কখনও এমনটা অনুভব করতে না হয়, তা নিশ্চিত করতে আমাদের সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।’ তিনি আরও লেখেন, ‘ তরুণ ভারত স্বপ্ন ও প্রাণশক্তিতে ভরপুর। তারাই আমাদের সাফল্যের মূল চালিকাশক্তি। সমাজ হিসেবে,অভিভাবক, শিক্ষক, বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়স্বজন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং প্রশাসকসহ আমাদের সকলেরই এক বিশাল দায়িত্ব রয়েছে, তরুণদের সর্বদা উৎসাহিত ও প্রাণবন্ত রাখার ক্ষেত্রে আমাদের প্রত্যেকেরই ভিন্ন ভিন্ন ভূমিকা পালন করতে হবে।’
সচিনের আগে, যুবরাজ সিং থেকে শিখর ধাওয়ান সহ বহু ক্রিকেটারই সিজেপি প্রতিবাদ নিয়ে মুখ খোলেন। যুবরাজ তাঁর বার্তায় লেখেন, ‘ প্রতিটি সন্তান, শিক্ষার্থী, নারী ও পুরুষের উদ্দেশ্যে বলছি: আপনারা শান্তিতে শেখার, নিরাপদে বেড়ে ওঠার এবং নিজেদের স্বপ্ন পূরণের সুযোগ পাওয়ার যোগ্য। আপনাদের সুস্থতা ও কল্যাণই এক উজ্জ্বল ভারতের ভিত্তি। আসুন, আমরা সবাই মিলে এমন এক সমাজ গড়ে তুলি যা যত্ন, সুযোগ ও আশায় পরিপূর্ণ। আলোচনার মাধ্যমেই আমরা ভারতের ভবিষ্যতের স্বার্থে একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ সমাধান খুঁজে পেতে পারি।’ শিখর ধাওয়ান লেখেন,'তাদের স্বপ্নগুলো বোঝা যেমন জরুরি, তেমনই কঠিন সময়ে ধৈর্য ধারণ করা এবং দেশের প্রতিষ্ঠান ও সরকারের ওপর আস্থা রাখাটাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আমি বিশ্বাস করি, ধৈর্যের মাধ্যমেই প্রতিটি চ্যালেঞ্জের সমাধান বেরিয়ে আসে। ভারত সর্বদা এগিয়ে চলেছে এবং ভবিষ্যতেও তার এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে।' মহম্মদ কাইফ তাঁর বার্তায় লেখেন,' একজন বাবা হিসেবে, শিক্ষাব্যবস্থার ত্রুটি নিয়ে প্রতিবাদ করার সময় পুলিশের হাতে শিক্ষার্থীদের লাঞ্ছিত হতে দেখাটা আমার জন্য বেদনাদায়ক। দিল্লির রাস্তায় ছোটদের (বিক্ষোভকারী) ওপর লাঠিপেটা করার ঘটনা বন্ধ হওয়া উচিত। আমি আশা করি, খুব শীঘ্রই এর কোনও সমাধান বেরিয়ে আসবে।'
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


