USA on Sheikh Hasina Issue: হাসিনাকে ফেরাতে সাহায্য করবে ‘শত্রু’ আমেরিকা? বাংলাদেশকে বড় বার্তা ওয়াশিংটনের
USA on Sheikh Hasina Issue: শেখ হাসিনাকে ফেরাতে সাহায্য করবে ‘শত্রু’ আমেরিকা? ভারত এবং বাংলাদেশকে বার্তা দিল ওয়াশিংটন। সেই ২০২৪ সালের ৫ অগস্ট থেকে ভারতে আছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। যিনি ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন।
USA on Sheikh Hasina Issue: শেখ হাসিনা ইস্যুতে আলোচনার মাধ্যমে ভারত এবং বাংলাদেশ ঐক্যমতে পৌঁছাবে বলে আশাপ্রকাশ করল আমেরিকা। বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের মধ্যেই নিউ ইয়র্কে হওয়া একটি সাংবাদিক বৈঠকে মার্কিন বিদেশ মন্ত্রকের এক আধিকারিক দাবি করেছেন যে হাসিনা ইস্যুতে কোনওরকম হস্তক্ষেপ করছে না আমেরিকা। হাসিনা ইস্যু ভারত এবং বাংলাদেশের বিষয়। দু'দেশ আলোচনার মাধ্যমে কোনও সমাধানসূত্র বের করবে বলে আশাপ্রকাশ করছে ওয়াশিংটন।
'ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সংঘাতের বড় কারণ হাসিনা'
বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হাসিনা নিয়ে আমেরিকার অবস্থান জানতে চাওয়া হলে মার্কিন বিদেশ মন্ত্রকের এক আধিকারিক বলেছেন যে ‘এই বিষয়ে সরকারিভাবে কোনও অবস্থান গ্রহণ করেনি আমেরিকা। আমরা বুঝতে পারছি যে ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে সংঘাতের একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে আমরা আশা করছি যে নিজেদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে ওরা (ভারত এবং বাংলাদেশ) কোনও সমাধানসূত্র বের করবে। আর হাসিনার ক্ষেত্রে ঠিক কী করা উচিত, তা আমরা এখনও ঠিক করিনি।’
আমেরিকা, সেন্ট মার্টিনস দ্বীপ এবং শেখ হাসিনা
এমনিতে যে ওয়াশিংটন এই বার্তা দিয়েছে, সেই আমেরিকার উপরে হাসিনা চটে আছেন বলে ধারণা সংশ্লিষ্ট মহলের। কারণ অতীতে সূত্র উদ্ধৃত করে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল, হাসিনা অভিযোগ করেছেন যে সেন্ট মার্টিনস দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ আমেরিকার হাতে তুলে দিতে না চাওয়ায় ওয়াশিংটনই তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করতে চেয়েছিল। সেন্ট মার্টিনস দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ হাতে নিয়ে আমেরিকা বঙ্গোপসাগরে নিজেদের প্রভাব বিস্তার করতে চাইছিল বলে অভিযোগ করেন হাসিনা।
বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, হাসিনা নাকি ঘনিষ্ঠ মহলে দাবি করেছিলেন যে আমেরিকার হাতে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ সঁপে হলে তিনি বহাল তবিয়তে ক্ষমতায় থাকতে পারতেন। কিন্তু সেন্ট মার্টিন দ্বীপের সার্বভৌমত্ব বেচে দিয়ে ওয়াশিংটনের কাছে আত্মসমর্পণ করেননি বলে দাবি করেছিলেন হাসিনা। যিনি ২০২৪ সালের ৫ অগস্ট ক্ষমতাচ্যুত হয়েছেন বাংলাদেশ থেকে। পতন হয়েছে তাঁর সরকারের। তারপর থেকে ভারতে আছেন হাসিনা।
আরও পড়ুন: Food Safety: দুধের তৈরি না হলে বলা যাবেনা 'পনির!' উদ্ভিজ্জ তেল-চর্বির অ্যানালগ পনিরে লাগাম FSSAI-র
বাংলাদেশ ফিরতে মরিয়া হাসিনা
তবে হাসিনা দাবি করেছেন যে তিনি বাংলাদেশে ফিরতে চান। মাথার উপরে মৃত্যুদণ্ডের খাঁড়া ঝুললেও আগামী ডিসেম্বরেই নিজের দেশে ফিরতে মুখিয়ে আছেন বলে একাধিকবার দাবি করেছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশ সরকার অবশ্য হাসিনাকে প্রত্যর্পণের দাবি জানিয়ে এসেছে লাগাতার। সেই আবহে আমেরিকা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে হাসিনাকে ফেরানোর ক্ষেত্রে কোনও সহায়তা করা হবে না।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


