Bangladesh Vote: ‘গণতন্ত্রিক নয়, পরিকল্পিত’, বাংলাদেশে ভোট ইস্যুতে ক্ষোভ উগরে দিলেন হাসিনাপুত্র, সজীবের নিশানায় ইউনুস
সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে কী বার্তা দিলেন সজীব?
মাস ঘুরলেই বাংলাদেশে হাইভোল্টেজ সাধারণ নির্বাচন। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে যে ভোট বাংলাদেশে হতে চলেছে, তাতে নেই আওয়ামি লিগ। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর এই ভোট ঘিরে নজর রয়েছে আন্তর্জাতিক মহলের। মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের এই ভোটের পর কি কাঙ্খিত গণতন্ত্রে ফিরবে বাংলাদেশ? আপাতত এই জল্পনা চরমে। তারই মাঝে শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ মুখ খুললেন বাংলাদেশের ভোট নিয়ে।
সাম্প্রতিক এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে হাসিনাপুত্র সজীব ওয়াজেদ বার্তা দেন,' বাংলাদেশের ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচন গণতন্ত্রের প্রত্যাবর্তন নয় - এটি গণতন্ত্রকে অস্বীকার করার শামিল।' এরই সঙ্গে ইউনুস সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে তাঁর বার্তা,'শেখ হাসিনার দল এবং প্রায় ৬০% ভোটারের পছন্দের দল আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করে, ইউনুস সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে লক্ষ লক্ষ মানুষকে নির্বাচনী প্রক্রিয়া থেকে দূরে রেখেছে। যে নির্বাচন সংখ্যাগরিষ্ঠদের বাদ দেয় তা গণতান্ত্রিক নয় - এটি পরিকল্পিত।' তাঁর সাফ দাবি,'এটা সংস্কার ছিল না। এটা ছিল একটি পরিকল্পিত রাজনৈতিক আঘাত।' একই সঙ্গে তিনি লিখতে থাকেন,'অবাধ ও সুষ্ঠু প্রতিযোগিতায় আওয়ামী লীগকে পরাজিত করতে না পেরে, রাষ্ট্র এটিকে সম্পূর্ণরূপে অপসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভোটারদের অপরাধ বা দুর্নীতির জন্য শাস্তি দেওয়া হচ্ছে না - তাঁরা কাকে সমর্থন করে তাঁর জন্য তাঁদের শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। তাদের ভোট দেওয়ার আগেই বাতিল করা হয়েছে।'
বূাংলাদেশের ভোটে আওয়ামি লিগের না থাকা নিয়ে ওই পোস্টে সজীব লেখেন,'কোনও বিশ্বাসযোগ্য গণতন্ত্রই তার বৃহত্তম রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করে এবং বৈধতা দাবি করে না।' এছাড়াও তিনি লেখেন,' যখন কোনও সরকার নির্বাচনের চেয়ে ভোটারদের বেশি ভয় পায়, তখন গণতন্ত্র দুর্বল হয় না - এটি ভেঙে পড়ে।' উল্লেখ্য, বাংলাদেশে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে হতে চলেছে ভোটপর্ব। এই নির্বাচনে আওয়ামি লিগ উপস্থিত না থাকলেও, থাকছে বিএনপি, জামাত, এনসিপির মতো পার্টি। বিশ্ব কূটনৈতিক মহলের নজরে রয়েছে এই ভোটপর্ব।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


