Bengaluru Murder: বেঙ্গালুরুতে রক্তাক্ত পরিণতি! সন্দেহের বশে সিকিমের তরুণীকে গলা কেটে খুন প্রেমিকের

Bengaluru Murder: জানা গেছে, মৃত তরুণীর নাম আতি হাংমা সুব্বা (২২)। তিনি সিকিমের বাসিন্দা ছিলেন। বেঙ্গালুরুতে এক বেসরকারি সংস্থায় কাজ করতেন দীর্ঘদিন ধরে। এদিকে অভিযুক্ত যুবক পূর্ব লেপচা দার্জিলিংয়ের বাসিন্দা। তিনি একটি হোটেলে কাজ করতেন বেঙ্গালুরুতেই।

Published on: Jun 14, 2026, 15:37:53 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Bengaluru Murder: বেঙ্গালুরুতে বচসার জেরে সিকিমের এক তরুণীকে গলা কেটে খুনের অভিযোগ উঠল প্রেমিকের বিরুদ্ধে। ঘটনায় অভিযুক্ত যুবকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়।

সিকিমের তরুণীকে গলা কেটে খুন প্রেমিকের (সৌজন্যে টুইটার)
সিকিমের তরুণীকে গলা কেটে খুন প্রেমিকের (সৌজন্যে টুইটার)

জানা গেছে, মৃত তরুণীর নাম আতি হাংমা সুব্বা (২২)। তিনি সিকিমের বাসিন্দা ছিলেন। বেঙ্গালুরুতে এক বেসরকারি সংস্থায় কাজ করতেন দীর্ঘদিন ধরে। এদিকে অভিযুক্ত যুবক পূর্ব লেপচা দার্জিলিংয়ের বাসিন্দা। তিনি একটি হোটেলে কাজ করতেন বেঙ্গালুরুতেই। পুলিশ সূত্রে খবর, দু'জনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এক মাস আগে তাঁরা কাজের সূত্রে বেঙ্গালুরুতে এসে একত্রবাস শুরু করেন। শহরের ডোড্ডাকান্নাহাল্লি এলাকায় একটি ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। রবিবার সকালে দু'জনের মধ্যে তীব্র বচসা বাধে। তদন্তকারীদের অনুমান, তরুণীর সঙ্গে অন্য কোনও পুরুষের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন বলে সন্দেহ করেছিলেন অভিযুক্ত যুবক। সেই সন্দেহ থেকেই দু'জনের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় শুরু হয়।

অভিযোগ, বচসা চরম পর্যায়ে পৌঁছলে অভিযুক্ত রান্নাঘরে থাকা ধারালো ছুরি তুলে তরুণীর উপর হামলা চালান। গুরুতর আহত অবস্থায় ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় হাংমার। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, গলায় গভীর আঘাতের কারণে তরুণীর মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে, ঘটনার খবর পেয়েই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। পাশাপাশি, অভিযুক্তকে চিহ্নিত করে তাঁর বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করা হয়েছে। ঘটনার নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীদের মতে, সম্পর্কের টানাপড়েন এবং পারস্পরিক সন্দেহের বশেই এই মর্মান্তিক ঘটনার সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। তবে সমস্ত তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহের পরই ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এদিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শহরে বসবাসকারী ভিনরাজ্যের তরুণ-তরুণীদের নিরাপত্তা এবং সম্পর্কজনিত হিংসার প্রশ্ন আবারও সামনে উঠে এসেছে। পুলিশের বক্তব্য, ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।