Sonam Wangchuk Speech Latest Update: বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কার প্রসঙ্গ উত্থাপন করে কেন্দ্রীয় সরকারকে ‘সতর্ক’ করলেন সোনম ওয়াংচুক। ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষার (এসআইআর) ক্ষেত্রে গলদের অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে আন্দোসনের মধ্যেই ধরপাকড়ের যে অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা, সেই আবহে সমাজকর্মী এবং শিক্ষাবিদ দাবি করেছেন, সরকার-বিরোধী বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অনুমোদন না দেওয়া হলে পরিস্থিতি কোনদিকে গড়ায়, তা বাংলাদেশ বা শ্রীলঙ্কার মতো দেশের দিকে তাকালেই বোঝা যায়। সেইসঙ্গে নরওয়ে, সুইডেনের মতো দেশের প্রসঙ্গ তুলে ভারত সরকারকেও বিক্ষোভ কর্মসূচির অনুমোদন দেওয়ার ‘পরামর্শ’ দেন ওয়াংচুক।
সংসদের সামনেই বিক্ষোভের অনুমতি দেয় অনেক দেশ, দাবি সোনমের

সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুম্বইয়ের একটি অনুষ্ঠানে শিক্ষাবিদ বলেন যে 'সারা বিশ্বের দেশগুলি হাসিমুখে বিক্ষোভের অনুমোদন দেয়, আর সেটাও (দেশের) সংসদ ভবনের সামনে। ব্রিটেন, নরওয়ে এবং সুইডেনের মতো দেশে সংসদ ভবনের সামনেই বিক্ষোভ কর্মসূচির অনুমতি দেওয়া হয়।'
যন্তর মন্তর নিয়েও মুখ খোলেন ওয়াংচুক
সেই রেশ ধরে তিনি বলেন, 'ভারতে, (বিক্ষোভের জায়গাটা) সংসদ ভবন থেকে অনেকটা দূরে অবস্থিত। যখন যন্তর মন্তর (বিক্ষোভ কর্মসূচির নির্দিষ্ট জায়গা) ছিল, তখনও সংসদ ভবন থেকে অনেকটাই দূরত্ব ছিল।'
যে যন্তর মন্তরের কথা বলেছেন ওয়াংচুক, সেখানে মাসচারেক আগেই অনশন চালিয়েছিলেন শিক্ষাবিদ। সর্বভারতীয় মেডিক্যাল প্রবেশিকা নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রেক্ষিতে তাঁর চালানো অনশনের জেরে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলন অন্য এক মাত্রা পেয়েছিল। শেষপর্যন্ত প্রবল চাপের মুখে ইস্তফা দিয়েছিলেন তৎকালীন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।
তবে বর্তমানে নির্ধারিত বিক্ষোভস্থল থেকে যন্তর মন্তরকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশের ইস্তফার দাবিতে দিল্লিতে বিরোধী এবং সিজেপির (আপাতত স্থগিত আছে) বিক্ষোভের তেজ জোরালো হওয়ার মধ্যেই সেই ঘোষণা করা হয়। তারইমধ্যে বিরোধীরা অভিযোগ করেছে যে জ্ঞানেশ-বিরোধী আন্দোলন রুখতে তুমুল ধরপাকড় চালায় নরেন্দ্র মোদী সরকার। আটক করা হয় বিক্ষোভকারীদের। বিক্ষোভে যাওয়ার সময় প্রতিবাদীদের আটকেও দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেছে বিরোধীরা।
আরও পড়ুন: Afghanistan-Pakistan: আফগানিস্তানে গৃহযুদ্ধ বাধানোর ষড়যন্ত্র! বালোচভূমে ভয়ংকর নীল নকশা আসিম মুনিরের
'দেখুন, বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কায় কী হয়েছিল', বার্তা ওয়াংচুকের
সেই আবহে সরকারকে ‘সতর্ক’ করে শিক্ষাবিদ বলেছেন, ‘দেখুন, যখন বিক্ষোভের অনুমতি দেওয়া হয় না, তখন কী অবস্থা হয়। শ্রীলঙ্কা এবং বাংলাদেশের উদাহরণ আছে সামনে।’