CBSE Controversy: 'আম নিয়ে কথা...,' CBSE বিতর্কে পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রকে তোপ রাহুলের

CBSE: সিবিএসই-র ওএসএম বিতর্ক নিয়ে সরাসরি কেন্দ্রকে নিশানা করেছেন কংগ্রেস সাংসদ। এক্স-এ পোস্ট রাহুল গান্ধী বলেন, 'আজ সকালে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আম নিয়ে কথা বলার সময় ছিল। কিন্তু ১৮.৫ লক্ষ পড়ুয়ার উত্তরপত্র যে ফোন দিয়ে স্ক্যান করা হয়েছে, তা নিয়ে কথা বলার সময় তাঁর হয়নি।'

Published on: Jun 1, 2026, 17:48:41 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

CBSE: সিবিএসই ওএসএম বিতর্ক নিয়ে ফের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর তীব্র সমালোচনা করলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী৷ সিবিএসই-র অন-স্ক্রিন মার্কিং ব্যবস্থায় মূল্যায়নে ত্রুটির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত সাড়ে ১৮ লক্ষ পড়ুয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নীরবতা নিয়ে সুর চড়ালেন কংগ্রেস নেতা। তাঁর অভিযোগ, ওএসএম পদ্ধতিতে খাতা দেখার ব্যবস্থা করতে গিয়ে স্বয়ংক্রিয় রোবট স্ক্যানারের জন্য প্রথম টেন্ডারে যে সব শর্ত ছিল, সেগুলি পরে লঘু করা হয়। এর সঙ্গে দুর্নীতির যোগ আছে বলে অভিযোগ তুলেছেন রাহুল গান্ধী।

CBSE বিতর্কে পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রকে তোপ রাহুল গান্ধীর (AICC)
CBSE বিতর্কে পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রকে তোপ রাহুল গান্ধীর (AICC)

এক্স পোস্টে রাহুল গান্ধী কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করে বলেন, 'সিবিএসই-র মে ২০২৫-এর টেন্ডারে বলা হয়েছিল, অটোমেটিক রোবোটিক স্ক্যানার দিয়ে উত্তরপত্র স্ক্যান করতে হবে, খাতার স্পাইন অক্ষত রাখতে হবে এবং রেজোলিউশন কমপক্ষে ৩০০ ডিপিআই হতে হবে। কিন্তু অগাস্টে যখন আবার টেন্ডার ডাকা হয়, তখন চুপচাপ সব নিয়ম সরিয়ে দেওয়া হয়। 'স্ক্যানার' শব্দটি সাধারণ হয়ে যায়। রেজোলিউশন কমিয়ে ২০০ ডিপিআই করা হয়।' তিনি আরও বলেন, 'এখন আমরা জানি বাস্তবে এর মানে কী। এটা সামনে এসেছে যে COEMPT মোবাইল ফোন ব্যবহার করে উত্তরপত্র স্ক্যান করেছে। ঝাপসা কপি, উধাও হয়ে যাওয়া পাতা, স্ক্যান না হওয়া খাতা - এগুলো কোনও 'ভুল' নয়। এগুলো আসলে একটি নির্দিষ্ট ভেন্ডরকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার জন্য তৈরি করা চুক্তির প্রত্যাশিত ফলাফল। এটা একটা জালিয়াতি। এবং ভুল মূল্যায়নের শিকার প্রত্যেকটি পড়ুয়া এর ভুক্তভোগী।'

সিবিএসই-র ওএসএম বিতর্ক নিয়ে সরাসরি কেন্দ্রকে নিশানা করেছেন কংগ্রেস সাংসদ। এক্স-এ পোস্ট রাহুল গান্ধী বলেন, 'আজ সকালে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আম নিয়ে কথা বলার সময় ছিল। কিন্তু ১৮.৫ লক্ষ পড়ুয়ার উত্তরপত্র যে ফোন দিয়ে স্ক্যান করা হয়েছে, তা নিয়ে কথা বলার সময় তাঁর হয়নি। ধর্মেন্দ্র প্রধানজি এখনও নিজের পদে বসে আছেন। মোদীজির নীরবতা এখন আর উদাসীনতা নয়। এটা আসলে ষড়যন্ত্রে মদত দেওয়া।' রবিবার সকালেই 'মন কি বাত' রেডিও অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, এমন বাড়ি খুঁজে পাওয়া কঠিন যেখানে গ্রীষ্মকালে আম নিয়ে কথা হয় না। তিনি উল্লেখ করেন যে, প্রতিটি অঞ্চলের নিজস্ব আম এবং তার নিজস্ব সুগন্ধ রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'মহারাষ্ট্রের হাপু বা আলফানসো, গুজরাটের কেশর- এগুলি ‘আমরাস’-এর প্রাণ৷ উত্তরপ্রদেশের দশেরি আর কাশীর ল্যাংড়া। বিহারের আছে এমন আম, যার সুবাস দূর থেকেও পাওয়া যায়। চৌসা, মালদা- প্রতিটি নামের সঙ্গেই মানুষের স্মৃতি জড়িয়ে আছে৷'

কী বলছে সিবিএসই?

এদিকে, অন-স্ক্রিন মার্কিং মূল্যায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে চলতে থাকা বিতর্কের মধ্যেই সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন রবিবার জানিয়েছে, তারা তাদের পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থার 'অনমার্ক' পোর্টালে চিহ্নিত দুর্বলতাগুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সিস্টেমকে আরও শক্তিশালী করতে সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের নিয়োগ করেছে। বোর্ড সতর্ক নাগরিক এবং নৈতিক হ্যাকারদের ধন্যবাদ জানিয়েছে, যারা সম্ভাব্য নিরাপত্তা সমস্যাগুলো তুলে ধরেছেন। তারা সরাসরি তাদের কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগও করেছে। সিবিএসই-র পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, 'আমাদের পরিষেবা প্রদানকারীর অনমার্ক পোর্টালে যে দুর্বলতাগুলো জনসমক্ষে তুলে ধরা হচ্ছে, আমরা তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। সরকারি বিভিন্ন শাখা এবং আইআইটি থেকে সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের একটি দল গত কয়েকদিন ধরে সিস্টেমকে আরও শক্তিশালী করার জন্য কাজ করছে। চিহ্নিত দুর্বলতাগুলো নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে এবং অন্য কোনও দুর্বলতা যাতে না থাকে, তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। আমরা সমস্ত সতর্ক নাগরিক এবং নৈতিক হ্যাকারদের কাছে কৃতজ্ঞ, যারা এই ধরনের দুর্বলতাগুলো দেখিয়েছেন। আমরা তাদের মধ্যে কয়েকজনের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করেছি।'